ভাড়ায় প্রেমিকা: ৫০ টাকায় গল্প ২০০ টাকায় চুমু

৫০ টাকায় গল্প করা, ১০০ টাকায় হাত ধরা ও চুমুতে ২০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। টাকার পরিমাণ বাড়লে মিলবে অন্তরঙ্গ হওয়ার সুযোগও।

রাজধানীতে চলছে ভাড়ায় প্রেম। ক্যাটরিনা, মল্লিকা, বিপাশারা অপেক্ষায় থাকে ভাড়াটে প্রেমিকদের জন্য। ঘণ্টা চুক্তিতে চলে তাদের প্রেম। ৫০ টাকায় গল্প করা, ১০০ টাকায় হাত ধরা ও চুমুতে ২০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। টাকার পরিমাণ বাড়লে মিলবে অন্তরঙ্গ হওয়ার সুযোগও।

এ প্রেমের ‘বাজার’ রাজধানীর পার্ক, সিনেমা হল ও বিনোদন কেন্দ্র ঘিরে। ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় মিলে সিনেমা হলের আড়াই ঘণ্টার প্রেম। এ সময়ের মধ্যে প্রেমিকার সঙ্গে বলা যাবে যে কোনো কথা; প্রেমিকা উত্তর দিতেও বাধ্য। বিছানায় যাওয়া ছাড়া যে কোনো আবদার মেটাবে ওই তরুণী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এটা ভ্রাম্যমাণ পতিতাদের রোজগারের নতুন কৌশল। এদের ভাড়াটে প্রেমিকা বলা হয়। তবে, পতিতাদের সবাই ভাড়াটে প্রেমিকা হতে পারেন না। এর জন্য ফর্সা গায়ের রঙ, বয়স কম (ত্রিশের মধ্যে) ও ছিমছাম শরীরের অধিকারী হতে হয়।

রাজধানীতে বাস করা বিভিন্ন পেশায় জড়িত ব্যাচেলররা এসব প্রেমিকাদের ভাড়া করে থাকেন। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু তরুণও ভাড়াটে প্রেমিকাদের নিয়ে পার্ক-বিনোদন কেন্দ্রে ঘুরেন। তবে ভাড়াটে প্রেমিকাদের সিনেমা হলের সামনেই বেশি দেখা যায়। ভাড়াকারীরা এদের সঙ্গে বসিয়ে সিনেমা দেখেন, জড়িয়ে ধরেন, চুমু খান, কথা বলা ও খুনসুটি পর্যাযের সবই করেন। পাশে বসা তরুণীর তাতে দ্বিমত নেই। কারণ এটাই তার কাজ। এ কাজেই জন্যই তিনি টাকা নেন।

বিস্ময়ের ব্যাপার, রাজধানীতে পড়াশোনা করতে আসা দরিদ্র পরিবারের কিছু তরুণী অর্থের অভাবে পার্টটাইম হিসেবে এ কাজ করছেন। এমনই এক দরিদ্র পরিবারের মেয়ে বন্যা (ছদ্মনাম ব্যবহার হলো) সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তিনি বেশ সুন্দরী, রাজধানীর একটি কলেজে স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার ভাষ্য, ভাই আমার নামটা প্রকাশ করবেন না। আমি খুবই দরিদ্র পরিবারের মেয়ে। আমার এক বান্ধবী এ কাজ ধরিয়ে দিয়েছে। বছরখানেক ধরে করছি, আমি পেশাদার না। শুধু টাকার জন্য এখানে আসি। এখনো কারো কাছে সতীত্ব হারায়নি। মাসে দশ-বারো দিন এ কাজ করি, সেটা দিয়েই আমার পুরো মাসের সব খরচ চলে জানালেন, তিনিই একা নন, তার মতো এ কাজে কয়েকজন শিক্ষার্থী রয়েছেন। তিনি তাদের অনেককে চেনেনও।

রাজধানীর যে সিনেমা হলগুলোর সামনে ভাড়াটে প্রেমিকাদের বেশি দেখা যায়, তার মধ্যে টিকাটুলির অভিসার সিনেমা হল অন্যতম। অভিসারের কাছেই মধুমিতা সিনেমা হল, সেখানেও একই অবস্থা। অভিসার সিনেমা হলের সামনে প্রায় সর্বক্ষণ থাকেন ভ্রাম্যমাণ কোনো না কোনো পতিতা। পতিতা হলেও এদের কাজ অন্যসব পতিতাদের চেয়ে আলাদা। সিনেমা হলের ভেতর পুরুষদের প্রেমিকার মতো সময় দেবে- এমন চুক্তিতে আড়াই ঘণ্টার প্রেম নিবেদনে প্রেমিক হিসেবে খদ্দেরকে গুনতে হবে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। ভ্রাম্যমাণ এসব প্রেমিকার সঙ্গে ছবি দেখার আগ্রহ কম নয়- এমনটা দেখা গেল শুক্রবার বিকেলে অভিসার হলের সামনে। খদ্দের হিসেবে যারা ঢুকেন, তাদের বেশিরভাগই নিম্ন-আয়ের শ্রেণি-পেশার মানুষ। যুবক শ্রেণি বেশি।

টিকাটুলি মোড় থেকে অভিসার যেতেই হাতের ডানে একটি ফুলের দোকান। দোকান ছাড়িয়ে সামনে এগোতেই দেখা মেলে হেব্বি সাজের চার থেকে পাঁচ সদস্যের মেয়ে দল। এদের সবাই ভ্রাম্যমাণ পতিতার মতোই। কিন্তু সিনেমা হলে আড়াই ঘণ্টার প্রেম দেয়ার শর্তেই তারা দাম হাঁকাচ্ছে। আড়াই ঘণ্টার দর-দাম করে সবশেষ ৪০০ হলেই রাজি হবে এ প্রেমিকারা।

উঠতি বয়সের এক যুবককে রাস্তার পাশে দাঁড়ানো মেয়েদের আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেল। কিছু সময় পর দেখা গেল- দুজনে সিনেমা হলের দিকে যাচ্ছে, ছেলেটি টিকিট সংগ্রহ করে মেয়েকে নিয়ে হলের ভেতরে ঢুকলো। এমনই আরেক মেয়ের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়- তার নাম স্বর্ণা, গ্রামের বাড়ি খুলনা। ছোট বেলায় বাবার দ্বিতীয় বিয়ের কারণে মায়ের কাছে খুব কষ্টে বড় হয়েছেন। বছর সাতেক আগে পরিচিত গ্রামের এক বড় বোনের সঙ্গে ঢাকায় আসে সে।

সিনেমা দেখায় ওই যুবককে সময় দেবে বলে হলে ঢুকেছে স্বর্ণা। আর বাইরে স্বর্ণার অপেক্ষায় প্রতিবেদক। যুবকের পাশে বসে সিনেমা দেখা শেষে বের হন তরুণী। প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ঢাকা এসে প্রথমে গার্মেন্টসে কাজ করি। কিন্তু কাজটি অনেক কষ্টের হওয়ায় চাকরি ছেড়ে দিই। পরে এক মেয়ের সঙ্গে এ কাজ শুরু করি।

স্বর্ণা বলেন, ‘আমরা সবাই দুঃখকে ‘জয়’ করতে এ পথের পথিক। আমি আজ এসেই একটা কাজ করেছি। একটু আগে যে মেয়েটি গেল তার নাম অনামিকা। সে ৫০০ টাকা চুক্তিতে গেছে। সেও আমার মতো ছয়-সাত বছর থেকে এ পেশায়।

স্বর্ণা বলেন, এখানে পনেরো-বিশ জনের মতো আছি। সবার নাম তো বলা যাবে না। তবে আমার জানা মতে শিল্পী, সাথী, অনামিকা, স্মৃতি, হাসনা ছাড়াও রয়েছে বিশ জনের মতো। কথা হয় শিল্পীর সঙ্গেও। তিনি বলেন, ‘আমি হল ছাড়াও খদ্দেরের বাসায় যাই। সে ক্ষেত্রে বিল একটু বেশি। অনেকে সিনেমা হলে ভালো লাগলে বাসায় নিয়ে যায় আলাদা চুক্তিতে।’

যাত্রাবাড়ীর বিবির বাগিচা থেকে ছয়টার শো সিনেমা দেখতে আসা এক দর্শনার্থী বলেন, এরা চুক্তিতে সব করে। হলের ভেতর শুধু জড়িয়ে ধরে ছবি দেখা যায়, আবার পরে কোথাও নিতে চাইলে বেশি দাম হাঁকায়, অনেকটা চুক্তির মাঝে ভিন্ন ফাঁদ। তবে ঝামেলা করে না। হলের ভেতর ‘অন্য কিছু’ করা বা কাউকে হেনস্থা করা হল মালিকদের নিষেধ। তাই অন্য ঝামেলায় কম পড়তে হয়।

অভিসার সিনেমা হলের সিট মিস্ত্রি মোস্তফা বলেন, কোনো ভেজাল মেয়ে হলে ঢুকতে পারে না। আবার ঢুকলেও মানুষের ব্যাপার, আমরা টিকিট ছাড়া কাউকে ঢুকতে দিই না।

এ এলাকায় দায়িত্বরত এএসআই মমিনুর বলেন, আমরা এদের দেখলেই ধাওয়া করি। এরা পুলিশের ভয়ে পালিয়ে যায়। আবার সুযোগ পেলেই আসে। ওসি স্যারের নির্দেশ- এসব মেয়ে যাতে এখানে দাঁড়াতে না পারে।

কি খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পুরুষের যৌন সক্ষমতা ? ডাক্তারি পরামর্শ

অনেকের দেখাযায় অতিরিক্ত মাত্রায় শারীরিক মেলামেশা করার ফলে শুক্র সল্পতা দেখা দেয় অর্থাৎ শুক্রাণুর মাত্রা কমে যায় এবং (বীর্য) পাতলা হয়ে যায়। আপনার শরীররে যদি শুক্রাণুর মাত্রা কমে যায় তবে আপনি অনেক সময় সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হতে পারেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল, অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক মসলা রসুন। কেননা সুস্থ (বীর্য) তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং হিসাবে কাজ করে আর এটি অতিঅ সহজলভ্য সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷

কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন খুব ই কার্যকরী৷

সেবন বিধি
প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোষ কাঁচা রসুন খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ি হয় । যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ খাওয়া উচিত। এতে ভালো ফল পাবেন।

যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস ২ বা ১ চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়। গবেষণায় প্রমাণিত এতে করে ৩ গুণ পরিমাণ শক্তি বেড়ে যায়।

সাবধানতা
যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি ঘটাতে পারে।

এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

মধু দিলে পুরুষের লিঙ্গ শক্ত,মোটা ও শক্তিশালী হয় কেন কিভাবে লিঙ্গে মধু ব্যবহার করতে হয়

মধু একটি খুব উপকারী খাদ্য, পন্য ও ঔষধ। জন্মের পর নানা দাদীরা মখে মধু দেয় নাই এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন।

প্রাচীনকাল থেকে মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে, মিষ্টি হিসেবে, চিকিৎসা ও সৌন্দর্য চর্চা সহ নানাভাবে মধুর ব্যবহার করে আসছে। শরীরের সুস্থতায় মধুর উপকারিতা অনেক।

আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যার জনক নামে পরিচিত হিপ্পোক্রেটস শরীরের প্রদাহ ও সিফিলিস রোগের চিকিৎসায় মধু ব্যবহার করতেন বলে কথিত আছে। ২ হাজার বছর আগেও যখন চিকিৎসা বিজ্ঞান আজকের মতো এতটা উন্নত ছিল না, তখনও মানুষ জানত মধুর কি গুণ!

অ্যাথলেটরা অলিম্পিকে অংশ গ্রহণের আগে প্রচুর পরিমাণ মধু সেবন করত শক্তি বাড়ানোর জন্য। তাদের ধারণা ছিল, মধু খেলে তাদের পারফরমেন্সের উন্নতি হবে। কারণ মধুতে রয়েছে উচ্চমাত্রার ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ যা যকৃতে গ্রাইকোজেনের রিজার্ভ (যে ফর্মে গ্লুকোজ লিভারে সঞ্চিত হয়) গড়ে তোলে।

আপনার যে বদঅভ্যাস চেহারায় এনে দিচ্ছে বয়সের ছাপ সহ নানা সমস্যা!

আপনি হয়তো বিস্মিত হতে পারেন এই কথা ভেবে যে, ঠিক কোন বদঅভ্যাসটির জন্যে চেহারার মাঝে দ্রুত বয়সের ছাপ চলে আসা সহ নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে! সঠিক খাদ্যাভাসের সমস্যা, পানি কম খাওয়ার সমস্যা, নাকি ঘুম কম হবার সমস্যা? এই সকল কারণ অবশ্যই চেহারার লাবণ্য নষ্ট করার জন্য এবং মুখের ত্বকের নানান রকম সমস্যা তৈরির জন্যে দায়ী। তবে আজকে যে বদঅভ্যাস নিয়ে কথা বলা হবে সেটি হলো- মুখের মেকআপ একেবারেই না তুলে অথবা ঠিকভাবে না তুলে রাতে ঘুমিয়ে যাওয়া!
বাইরে থেকে এসে ক্লান্তি অথবা অলসতার জন্যে সময় নিয়ে ভালোভাবে মুখের মেকআপ না তুলেই ঘুমিয়ে পড়ার মতো ঘটনা নিশ্চয় অনেকবারই হয়েছে । কিন্তু, সামান্য এই একটি বাজে অভ্যাসের জন্যেই চেহারার মাঝে খুব দ্রুত বয়সের ছাপ চলে আসবে এবং মুখের ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দেওয়া শুরু করবে খুব কম বয়সেই। জেনে নিন মুখে মেকআপ থাকা অবস্থাতেই রাতে ঘুমিয়ে পড়ার ফলে মুখের ত্বকে কি ধরণের সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে।
# ত্বকে নতুন করে ব্রণের উৎপত্তি দেখা দেয় 
মুখের ত্বকের উপর পুরু মেকআপের আস্তরণ থাকার ফলে মুখের পোরস বা রোমগ্রন্থি বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে ত্বকে ব্রণ এবং প্রদাহের সৃষ্টি হয়।
# চেহারার মাঝে দ্রুত বয়সের ছাপ চলে আসে
এটা কোন ভুল ধারণা হয় এবং গবেষণা থেকেই প্রমাণিত যে, প্রতিদিন রাতে মুখের ত্বক নতুনভাবে তৈরি হয়! কিন্তু এই মুখের ত্বক যদি ভালোভাবে পরিষ্কার না থাকে তবে মুখের ত্বকে বয়সের ছাপ চলে আসে খুব দ্রুত। এতে করে চেহারায় কোঁচকানো ভাব এবং দাগ পড়ে যায়।
# ত্বকের পুষ্টি যোগানোর মাত্রা কমে যায় 
যেহেতু এটা প্রমাণিত যে রাতের বেলা ত্বকের চামড়া নতুনভাবে তৈরি হয়, সেহেতু রাতেই ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সবচেয়ে বেশী সাহায্য করে থাকে। রাতে যদি মুখে মেকআপ এর আস্তরণ নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তবে এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় ব্যঘাত ঘটে থাকে, যার ফলাফল চেহারার মাঝে লাবণ্য এবং কোমলতা একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। তাই রাতে মুখের মেকআপ ভালো মত তুলে কোন ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম দিয়ে হবে পুরো মুখে।
# এলার্জির প্রকোপ দেখা দিতে পারে 
আপনার হয়তো বা ত্বকের সুপ্ত এলার্জির সমস্যা রয়েছে যার লক্ষণ প্রকাশিত নয়। রাতের ঘুমের সময় মেকআপ মুখে নিয়ে ঘুমিয়ে যাবার ফলে এই সুপ্ত এলার্জির সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে ফেলতে পারে, যা থেকে একজিমার মত চর্মরোগও হতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ত্বকের সমস্যার লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় দেরি করে। প্রাথমিক ক্ষেত্রে ত্বকে লালচে ভাব, জ্বালাপোড়া এবং চুলকানির উপদ্রব দেখা দিতে থাকে।
 
# মেছতার সমস্যা দেখা দেওয়া 
ত্বকের অন্যতম বিব্রতকর একটি সমস্যার নাম হলো মেছতা। অনেক সময় এই মেছতা এত বেশী হয় যে, ভালোমতো মেকআপ ব্যবহার করলেও মেছতার কালো দাগ দেখা দিতে থাকে। রোদের আলো অথবা বয়সের জন্যেই মেছতার সমস্যা দেখা দিতে থাকে সেটা কিন্তু নয়। মেকআপ সঠিকভাবে পরিষ্কার না করার ফলে দীর্ঘসময় ব্যাপী এলার্জির সমস্যা থেকেও মেছতার সমস্যা তৈরি হতে পারে।
# ঠোঁটের চামড়া শুকিয়ে ফেলে 
ঠোঁটে লিপগ্লস কিংবা লিপস্টিক দিয়ে ঘুমিয়ে গেলে ঠোঁটের চামড়ার আর্দ্রতা অনেক বেশি কমে যায়। যার ফলে ঠোঁটের চামড়া একদম শুকিয়ে যায় এবং ঠোঁট ফেটে যায়।
# চোখের নীচে ফোলাভাব তৈরি করে 
রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ও চোখের মেকআপ ভালোভাবে না তুললে চোখের নীচে শুধুই যে কালো দাগ (ডার্ক সার্কেল) এর সৃষ্টি হয় তাই কিন্তু নয়, চোখের নীচে ফুলেও যায়।
# চোখের পাপড়ি পড়ে যেতে থাকে 
চোখের সাজের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো মাশকারা ব্যবহার করা। কিন্তু মাশকারা চোখের পাপড়িতে থাকা অবস্থাতেই যদি রাতে ঘুমিয়ে পড়ে কেউ, তবে মাশকারা অনেক বেশী শুকিয়ে যায়। যার ফলে চোখের পাপড়ি ঝরে পড়ে অনেক বেশী। মাশকারা চোখের পাপড়ি থেকে তোলার জন্য তুলার বলের সাহায্যে চোখের নীচের দিকে টেনে এরপর মাশকারা তুলতে হয়। এলোপাথাড়ি ভাবে ঘষে নয়।
নিজের চেহারাকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে চাইলে মেকআপ অবশ্যই খুব দারুণ একটা ব্যাপার। তবে সবার আগে নিজের ত্বকের প্রতি হতে হবে অনেক বেশী যত্নশীল। যে কারণে, অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের মেকআপ ব্যবহার করতে হবে এবং রাতে ঘুমাতে যাবার আগে পুরো মুখের মেকআপ ভালোভাবে তুলে এরপর ঘুমাতে হবে।
সূত্র: Bright Side
অনুবাদ: প্রিয়.কম

কুঁচকে যাওয়া ত্বক টানটান করে তুলতে ৩টি জাদুকরী কৌশল

বয়সের ছাপ সবার আগে আমাদের ত্বকেই পড়ে। মুখ থেকে শুরু করে স্তন, বাহু, পেট ইত্যাদি শরীরের সকল স্পর্শ কাতর অঙ্গে আগে দেখা যায় বয়সের ছাপ। ভাবছেন বয়স্কে রুখে দেয়ার কোন উপায় নেই? আছে বৈকি! বয়স হয়েছে বলেই চেহারায় ও শরীরে সেই ছাপ বহন করতে হবে এমন কোন কথা নেই। আপনি চাইলে ঘরে বসে খুব সহজ কিছু উপায়েই আপনার কুঁচকে ও ঝুলে যাওয়া ত্বককে করে ফেলতে পারেন অনেকটাই টান টান ও যৌবন দীপ্ত। কীভাবে? চলুন, জেনে নিই তিনটি জাদুকরী কৌশল।
কুঁচকে যাওয়া ত্বক টানটান করে তুলতে ৩টি জাদুকরী কৌশল
কুঁচকে যাওয়া ত্বক টানটান করে তুলতে ৩টি জাদুকরী কৌশল

কুঁচকে যাওয়া ত্বক টানটান করে তুলতে ৩টি জাদুকরী কৌশল-

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরা আমাদের অসংখ্য ত্বকের সমস্যার জন্য একটি চমৎকার উপাদান। অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার কুঁচকে ও ঝুলে যাওয়া ত্বকের বলিরেখা দূর করে একে করে তোলে টান টান। আপনি মুখ থেকে শুরু করে স্তন, বাহু, পেট বা শরীরের যে কোন স্থানে ব্যবহার করতে পারবেন এই অ্যালোভেরা জেল। তাজা অ্যালোভেরা জেল মাখুন শরীরের সমস্যা আক্রান্ত এলাকায়। আলতো হাতে ম্যাসাজ করুন। আপনি চাইলে সম্পূর্ণ শরীরই এই জেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। ম্যাসাজ করা হলে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। বাজারের প্যাকেটজাত অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। তবে সদ্য গাছ থেকে সংগ্রহ করা জেল হলে ফল পাবেন খুবই দ্রুত। আর হ্যাঁ, রোজ ব্যবহার করবেন।

গোলাপ জল

অসাধারণ এই উপাদানটি আপনার সৌন্দর্যের বন্ধু। গোলাপ জল আপনার ত্বককে টানটান করে ও বলিরেখা ও রোমকূপকে অদৃশ্য রেখে আপনাকে করে তোলে লাবণ্যময়। রাতের বেলা শরীরের প্রয়োজনীয় স্থানে তুলো দিয়ে গোলাপ জল লাগান। চাইলে গোলাপ জল দিয়ে স্থানটি ধুয়েও নিতে পারেন। তারপর স্থানবতি শুকিয়ে গেলে এভাবেই রাখুন সারা রাত। সকালে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। তবে এক্ষেত্রে ১০০ ভাগ বিশুদ্ধ গোলাপ জল হতে হবে। চিন্তা নেই, সাধারণ এই জিনিসটি আপনি তৈরি করতে পারবেন বাড়িতেই!

ডিমের সাদা অংশ

দুটি ডিমের সাদা অংশ নিন, একে ভালো করে বিট করে ফোম করে নিন। তারপর মুখ সহ অন্যান্য স্থানে মাখুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩/৪ বার নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে টান টান।

কীভাবে কাজ করে?

এখানে যেসব উপাদান আমরা ব্যবহার করবো, সেগুলো সবই প্রাকৃতিক গুনাবলীতে পরিপূর্ণ। এই উপাদানগুলো আপনার ত্বকের ইলাসটিন ও কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি করে, ফলে প্রাকৃতিকভাবেই ত্বক হয়ে ওঠে টান টান। এই তিনটি উপায় থেকে যে কোন দুটি বা তিনটিই নিয়মিত ব্যবহার করুন। আর ফিরে পান নিজের হারানো যৌবন!

কোন জিনিসের গন্ধ শোঁকা মাত্রই নারীদের কাম উত্তেজনা তৎক্ষনাৎ বেড়ে যায়!

আজকের কথা নয়। সেই আদিম যুগ থেকেই ভেষজ উদ্ভিদ মানুষের যৌন উত্তেজনায় একটি বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করেছে। প্রাচীন মানুষরা বিভিন্ন ভেষজ পদার্থের মাধ্যমেই নারীদের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করতেন।

জল হ্যালিডে এবং নোয়া সোল নামে দুই বিজ্ঞানী এই বিশেষ ছত্রাকটি আবিষ্কার করেন।তাঁরা জানিয়েছেন, এই বিশেষ ছত্রাকের গন্ধ কোনও মহিলার নাকে যাওয়া মাত্রই তিনি প্রচণ্ডভাবে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এই মর্মে তারা একটি পরীক্ষাও চালিয়েছিলেন।

সেখানেই দেখা গেছে, ১৬ জনের মধ্যে ছ’জন মহিলাই এই চটদলদি যৌন উত্তেজনার শিকার হয়েছেন। বাকি ১০ জনের উত্তেজনা তৎক্ষনাৎ না বাড়লেও হৃদস্পন্দন অনেকটাই বেড়ে গেছিল। তবে এই একই পরীক্ষা পুরুষদের উপর চালানো হলেও, কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি তাই বাস্তবতার প্রেক্ষিতে শেখার প্রয়োজন রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ মেডিসিনাল মাশরুম পত্রিকাতেও একথা দাবি করা হয়েছে যে এই বিশেষ ছত্রাকে একধরনের গন্ধ থাকে যা থেকেই মহিলাদের চটদলদি যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।

হ্যালিডে জানিয়েছেন, এই ছত্রাকে একটি বিশেষ হরমোনের যৌগ রয়েছে যা সরাসরি মহিলাদের স্নায়ুতে গিয়ে আঘাত করে। আর এই আঘাতের ফলে যৌন উত্তেজনার সময় মহিলাদের যে স্নায়বিক অনুভুতি হয়, সেই একই অনুভূতি এই ছত্রাকের গন্ধেও হয়।
ভিডিওটি এইখানে, নিচের ছবিতে ক্লিক করে ফ্রি দেখুন ভিডিওটি… পোস্টটি সেয়ার করবেন। আপনার একটি সেয়ারেই বেঁচে যাবে হাজারো মানুষের প্রান।

সহবাসে স্ত্রীকে হার মানাতে চান তবে জেনে নিন কিছু গুরুত্ব পূর্ন কৌশল!

পুরুষদের শারীরিক এধরনের সমস্যা আজকাল অধিকাংশ পুরুষ দীর্ঘক্ষণ যৌন মিলন করা তো দুরের কথা যেটুকু সময় তার স্ত্রীকে আনন্দ দিতে প্রয়োজন সে সময়টুকুও তারা মিলনে স্থায়ী করতে পারেন না।

যদিও এর পেছনে রয়েছে বহুবিধ কারণ। তবে যৌন মিলন নিয়ে যারা মানসিক ভাবে দুর্বলতায় ভুগেন তারা নিম্নলিখিত টিপসগুলো অনুসরন করে লাভবান হতে পারেন যদি অন্য কোন যৌন সমস্যায় আক্রান্ত না হয়ে থাকেন।

সহবাস বা যৌন মিলনের আগে করণীয় :-
যৌন মিলন শুরু করার আগে মন শান্ত করতে হবে৷ মনে কোন প্রকার নেগেটিভ ভাবনা আনা যাবে না৷ একটি বিষয় অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটে
স্বল্পস্থায়ী যৌনতার একমাত্র কারণ হল তাদের শারীরিক ও মানসিক অস্থিরতা৷

নিজেকে শারীরিক মিলেনর জন্য শারীরিক এবং মানসিক ভাবে তৈরি করুন৷ সকল প্রকার মানসিক চাপ, উদ্বেগ কমিয়ে আনুন৷
স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে যৌন মিলন থেকে বিরত থাকুন৷ স্ত্রী সাথে আপনার মনের ভাবনা গুলি শেয়ার করুন৷
কনডম ব্যবহার করতে পারেন৷ তবে অনেক পুরুষরাই অভিযোগ করছেন যে কনডম ব্যবহারের ফলে তাদের যৌন আকাঙ্খা হ্রাস হচ্ছে৷ তবে এটি মনের ভুল ছাড়া আর কিছুই নয়৷

তামাক, মদ ও অন্যান্য ওষুধের অতিরিক্ত সেবন দীর্ঘস্থায়ী যৌনতার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে৷ এইগুলি পরিহার করে চলা উচিত।
সহবাস বা যৌনমিলনের সময় করণীয় :-

যৌনমিলনের আগে কোন মতেই ফোর প্লে বাদ দেবেন না৷দরকার হলে অধিক সময় নিয়ে ফোর প্লে করুন।
আসন পরিবর্তন করুন৷ নতুন কিছু আপনার মনোযোগকে আরও রোমাঞ্চিত করে তুলতে পারে৷ সঙ্গীর চাহিদার দিকেও নজর দিন৷
সহবাসের সময় সঙ্গীর আধিপত্যে লজ্জাবোধ করার কোন কারণ নেই৷
ধীরে ধীরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিলে পরিশ্রম কম অনুভব হবে ফলে শরীর দীর্ঘক্ষণ যৌনমিলনের জন্য উপযুক্ত থাকবে৷

ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন ? জেনে নিন, ব্রণ থেকে বাঁচার সহজ উপায়

অনেকেই ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন। এবার জেনে নিন ব্রণ থেকে বাঁচার সহজ ১২টি উপায় । ব্রণে কখনও হাত দেবেন না। নখ একেবারেই লাগাবেন না। এর ফলে বিপদ বাড়ে। নখ দিয়ে খোটাখুটি করলে দাগ পড়ে যায়। আপেল সিডার ভিনিগার ব্যাকটেরিয়া মারতে সাহায্য করে। তাই দ্রুত ব্রণ সারাতে পারে। জলের সঙ্গে মিশিয়ে লাগান।

► আপেল সিডার ভিনিগার ব্যাকটেরিয়া মারতে সাহায্য করে। তাই দ্রুত ব্রণ সারাতে পারে। জলের সঙ্গে মিশিয়ে লাগান।

► ১ চামচ লো ফ্যাট বা জিরো ফ্যাট দুধ বা দইয়ের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে ব্রণের চারিদিকে লাগান।

► ২ চামচ মধুর সঙ্গে ১ চামচ দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ব্রণতে লাগান। কিছুক্ষণ বাদেই ধুয়ে নিন। লাগানোর আগেও মুখ ধুয়ে মুছে নেবেন।

► ২-৩ টি ডিমের সাদা অংশ নিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিন যাতে ফুলে তা ক্রিমের মতো হয়ে যায়। মুখ ধুয়ে মিশ্রণটা মুখে ৩-৪ টি পরত লাগান। ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন।

► পাকা পেঁপে ভাল করে চটকে মুখে মেখে নিন। শুকিয়ে এলে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন।

► একটি কমলা লেবুর খোসা একটু পানি দিয়ে ভাল কওে বেটে নিন। বেশি পাতলা করবেন না। এটা ব্রণর জায়গায় লাগান। ২০-২৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

► ৩ টি স্ট্রবেরি ও ২ চামচ মধু ভাল করে মেখে মুখে লাগান। ২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।

► কলার খোসা খুবই উপকারী। কলার খোসা মিক্সিতে পেস্ট করে নিয়ে লাগান। ১৫-২০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

► লেবুর রস ব্রণ সারাতে খুব কার্যকরি। লেবুর রস নিয়মিত লাগালে খুব ভাল কাজ দেয়।

► গরম জলের বাষ্প মুখের ময়লা দূর করে। তাই পারলে ভাল করে গরম জলের ভেপার নিন। ব্রণ থেকে মুক্তি পাবেন।

► অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ২-৩টি রসুন থেঁতো করে মিশিয়ে দিন। এটি ব্রণতে লাগান। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

ফেইসবুকে প্রেম, অতঃপর ফ্ল্যাটে! (ভিডিও)

রাতের অন্ধকারে পরিচিত শহরটা কতটা অচেনা হতে পারে। হতে পারে কতটা ভয়ঙ্কর। সেটা যারা এই খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন তারাই কেবল বোঝোন। রাতের অন্ধকার ছাড়াও আরও নানা ধরনের কৌশল অবলম্বন করে প্রতারণা চক্র। তেমনি ফেইসবুকে প্রেম প্রতারকদের নিয়ে আজকের এই আয়োজন।

গ্রাম থেকে আসা এক তরুণীর নাম দোলা আক্তার। চাকরির সন্ধানে দূর সম্পর্কের খালা সালমার হাত ধরে ঢাকায় আসেন আরো তিন বছর আগে। থাকেন মিরপুরে পাইক পাড়ায় খালার ভাড়া বাড়িতে। দোলার খালা তাকে কোন চাকরি দিতে পারেন নি। তবে টাকা উপার্জন করার একটা পথ দেখিয়েছেন তিনি। যে পথে হেটে খুব অল্প সময়েই দোলা উপার্জন করেছেন কাড়ি কাড়ি টাকা।

আসলে একটা মধুচক্রে জড়িয়ে পরেন দোলা। এই চক্রে কাজ করেন ১০/১২ জন সদস্য। প্রথম ধাপে কাজ করেন ২ জন। তাদের কাজ বড় বড় ব্যবসায়ী অথবা চাকুরিজীবির মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল দ্বিতীয় ধাপ। যেটা করে থাকেন দোলা নিজেই। তার কাজ টার্গেট করা ব্যবসায়ী অথবা চাকুরিজীবীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ফ্ল্যাটে নিয়ে আসা।

তৃতীয় এবং শেষ ধাপে কাজ করেন বাকি সদস্যরা। তাদের কাজ ব্লাকমেইলিং করা। ডিবি পুলিশ এবং সাংবাদিকের ছদ্মবেশে সেই ব্যবসায়ীকে ব্লাকমেইলিং করা। এরপর তার কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া।

এই চক্রের সর্বশেষ শিকার সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ী আব্দুর রশীদ। সেই ব্যবসায়ী কিভাবে দোলার ফাঁদে পরেছিলেন শুনুন দোলার মুখ থেকেই। দোলা ছাড়াও আরো অনেক চক্র আছে যারা বিভিন্ন ভাবে মানুষের সাথে প্রতারণা করে। বাকিটা দেখুন ভিডিওতে।

এই অনুষ্ঠানটি দেশের বেসরকারি একটি টেলিভিশন যমুনার অনুসন্ধানমূলক অনুষ্ঠান। পাঠকদের জন্য ইনভেস্টিগেশন ৩৬০ ডিগ্রি অনুষ্ঠানের একটি পর্ব এখানে তুলে ধরা হলা।

স্বামীকে আঁচলে বেঁধে রাখতে চান? দেখুন এই যৌনকর্মীর দেওয়া পাঁচটি টিপস

তার সঙ্গে নয়, স্বামী রাত কাটায় কল গার্লের সঙ্গে৷ এর চেয়ে একজন স্ত্রীর কাছে দুঃখের কি বা হতে পারে৷ কিন্তু শুধু তো দুঃখ পেলেই হবে না৷ স্বামীকে কেমন ভাবে নিজের আঁচলের সঙ্গে বেঁধে রাখবেন সেই পন্থাও তো জানতে হবে৷ স্ত্রীদের জন্য সেই পন্থাই বলে দিলেন অষ্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত কল গার্ল সামান্থা এক্স৷

১। অনেক বেশি সংবেদনশীল হন: ছেলেরা সাধারণত মেয়েদের থেকে অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকেন। যৌন জীবনে আপনি যদি সন্তুষ্ট না হয়ে থাকেন তাহলে তার জন্য নিজেদেরকেই দায়ী করে থাকেন হয়তো। যা স্বামীকে মানসিকভাবে ভেঙে ফেলতে পারে। নিজের মনের মধ্যে কথা চেপে না রেখে তাকে বোঝান আপনি কতটা সুখী।

২। পরামর্শ দিন: কাজের চাপে যেগুলো ভুলে যান সেগুলোকে মনে করিয়ে দিন। যেমন ধরুন তাকে এটা মনে করিয়ে দিলেন, ফোনে মায়ের খোঁজ-খবর নেয়া উচিত। কিংবা তার পোর্ট ফোলিওতে এ বার একটু বদল আনা দরকার। তাকে জানান, কোন কোন কোম্পানিতে তিনি ইন্টারভিউ দিতে পারেন।

৩। ঘরের কাজেও স্বামীকে দায়িত্ব দিন: শুধু অফিস আর বাইরের কাজ নয়, সপ্তাহে অন্তত এক দিন তার ওপরই ঘরের বেশির ভাগ কাজটা ছেড়ে দিন। যেমন ধরুন দুপুরে কী খাবেন তার সিদ্ধান্ত আপনি নিন। কিন্তু রান্নার দায়িত্ব সম্পূর্ণ স্বামীকে দিন। তেমনই ঘর পরিষ্কার এবং গুছানোর কাজটাও না হয় একদিন তার ওপরই ছেড়ে দিলেন। তবে অবশ্যই তদারকি করতে ভুলবেন না।

৪। স্বামীর যৌনানুভূতির খেয়াল রাখুন: কথায় আছে,মন পড়তে মেয়েদের জুরি মেলা ভার! সেই গুণটা কাজে লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চট করে স্বামীর মন পড়ে ফেলুন। জানুন তাঁর যৌন আকাঙ্খা৷ সে কী চায়? তার ভাল লাগা, খারাপ লাগা বুঝে নিন। অফিস থেকে ফেরার পরে স্বামীর সামনে এমন ভাবে নিজেকে তুলে ধরুন যাতে আপনার মধ্যেই যেন মজে থাকে তিনি৷ রাতেও আপনাকে ছাড়া কোন দিকে যেন না তাকায় স্বামী৷

৫৷ সম্মান করুন: আগেই বলেছি, সারাদিন স্বামীর ওপরে খিট খিট করা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। স্বামীকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নিজেকে তার দ্বিগুণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। খিটখিট, ভুল করলে চোখ রাঙানো বা কড়া কথা তো চলতেই থাকবে। এটা ভাবার কোনো কারণ নেই যে, আপনার সব কথা কলুর বলদের মতো স্বামী মেনে চলবেন। দিনের শেষে কিন্তু স্বামীকে এটা বোঝানো হবে যে, আপনি তাকে কতটা সম্মানের চোখে দেখেন।