রাতারাতি ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ফর্সা ৭টি ঘরোয়া পদ্ধতিতে

রাতারাতি সুন্দর ত্বকের অধিকারী হতে চান? আপনার হাতের কাছেই আছে উপায়। উল্লেখ করা হল এমন ৭টি ঘরোয়া পদ্ধতির যার মাধ্যমে রাতারাতি ত্বক হয়ে উঠতে পারে উজ্জ্বল।

১। ত্বকের জন্য সবচেয়ে উপকারি হল দুধ। দুধের সঙ্গে টম্যাটো পিউরি মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে লাগাতে পারেন ত্বকে। এই মাস্কটি সারারাত লাগিয়ে সকালে ধুয়ে ফেলতে হবে। অবশ্যই ঠান্ডা জলে।

২। ব্ল্যাকহেডস-এর সমস্যে থেকে মুক্তি পেতে ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। ত্বকের যে অংশে ব্ল্যাক হেডস-এর বাড়বাড়ন্ত সেই সমস্ত জায়গাতে লাগিয়ে রাখুন। 30 মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।

৩। ত্বকের উজ্জ্বলতা brightness skin বাড়ানোর জন্য দু-চামচ টক দইয়ের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট বানান। পেস্টটি মাস্কের মতো করে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের উজ্জ্বলতা brightness skin বেড়ে যাবে।

৪। স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বকের জন্য হলুদের থেকে ভাল কিছু হতেই পারে না। বিশুদ্ধ গুঁড়ো হলুদের সঙ্গে নারকেল তেলের মিশ্রণে পেস্ট বানিয়ে তা মুখে এবং গলায় মাখিয়ে রাখুন। ৩০-৪০ মিনিট পরে হালকা গরম জলে তা ধুয়ে ফেলুন। এই প্রক্রিয়াটি সপ্তাহে ২-৩বার করুন।

৫। তৈলাক্ত ত্বক অনেক সময়ে কাঙ্ক্ষিত উজ্জ্বলতা brightness বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়। উপরন্তু অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা থাকে। এই ধরণের ত্বক থেকে মুক্তি পেতে হলুদের সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে প্রয়োগ করুন। অচিরেই ফল পাবেন।

৬। তারুণ্য ধরে রাখতে চাইলে অব্যর্থ হল কফি বা কোকো পাউডার। এই পাউডারের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে, গলায় মাসাজ করুন। মনে রাখবেন এই পেস্টটি সব সময়েই সাধারণ তাপমাত্রার জলে ধোবেন। কখনোই ঠান্ডা বা গরম জল ব্যবহার করবেন না।

৭। ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খুবই উপকারী হল দারচিনি। মধুর সঙ্গে দারচিনির গুঁড়ো দিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখের ক্ষতিগ্রস্থ অংশের উপরে প্রলেপ লাগান। ঘণ্টা দুই এই প্রলেপ রাখার পরে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে একদিন অন্তর করে প্রয়োগ করুন এই টোটকা।

রাতারাতি সুন্দর ত্বকের অধিকারী হতে চান? আপনার হাতের কাছেই আছে উপায়। উল্লেখ করা হল এমন ৭টি ঘরোয়া পদ্ধতির যার মাধ্যমে রাতারাতি ত্বক হয়ে উঠতে পারে উজ্জ্বল।

১। ত্বকের জন্য সবচেয়ে উপকারি হল দুধ। দুধের সঙ্গে টম্যাটো পিউরি মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে লাগাতে পারেন ত্বকে। এই মাস্কটি সারারাত লাগিয়ে সকালে ধুয়ে ফেলতে হবে। অবশ্যই ঠান্ডা জলে।

২। ব্ল্যাকহেডস-এর সমস্যে থেকে মুক্তি পেতে ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। ত্বকের যে অংশে ব্ল্যাক হেডস-এর বাড়বাড়ন্ত সেই সমস্ত জায়গাতে লাগিয়ে রাখুন। 30 মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।

৩। ত্বকের উজ্জ্বলতা brightness skin বাড়ানোর জন্য দু-চামচ টক দইয়ের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট বানান। পেস্টটি মাস্কের মতো করে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের উজ্জ্বলতা brightness skin বেড়ে যাবে।

৪। স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বকের জন্য হলুদের থেকে ভাল কিছু হতেই পারে না। বিশুদ্ধ গুঁড়ো হলুদের সঙ্গে নারকেল তেলের মিশ্রণে পেস্ট বানিয়ে তা মুখে এবং গলায় মাখিয়ে রাখুন। ৩০-৪০ মিনিট পরে হালকা গরম জলে তা ধুয়ে ফেলুন। এই প্রক্রিয়াটি সপ্তাহে ২-৩বার করুন।

৫। তৈলাক্ত ত্বক অনেক সময়ে কাঙ্ক্ষিত উজ্জ্বলতা brightness বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়। উপরন্তু অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা থাকে। এই ধরণের ত্বক থেকে মুক্তি পেতে হলুদের সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে প্রয়োগ করুন। অচিরেই ফল পাবেন।

৬। তারুণ্য ধরে রাখতে চাইলে অব্যর্থ হল কফি বা কোকো পাউডার। এই পাউডারের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে, গলায় মাসাজ করুন। মনে রাখবেন এই পেস্টটি সব সময়েই সাধারণ তাপমাত্রার জলে ধোবেন। কখনোই ঠান্ডা বা গরম জল ব্যবহার করবেন না।

৭। ব্রণের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খুবই উপকারী হল দারচিনি। মধুর সঙ্গে দারচিনির গুঁড়ো দিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখের ক্ষতিগ্রস্থ অংশের উপরে প্রলেপ লাগান। ঘণ্টা দুই এই প্রলেপ রাখার পরে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে একদিন অন্তর করে প্রয়োগ করুন এই টোটকা।

ভিডিওটি একটি বার দেখুন প্লীজ , নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারবেননা (ভিডিও)

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

আরোও পড়ুন-

দাম্পত্য জীবনে একে অপরের সবচেয়ে মূল্যবান সঙ্গী। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের সুখ-দুঃখেরও সঙ্গী তারা। পাশাপাশি থাকা, পাশাপাশি চলা এবং একে অপরের মানসিক ভরসাও তারা। তাই একজন নারীর জীবনে স্বামী যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি পুরুষের জীবনে স্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ। স্ত্রী কাছে থাকলে তেমন কিছু মনেই হয় না। চোখের আড়াল হলে প্রাণ কেঁদে ওঠে। তবে এতোকিছুর পেছনের কথা হল- একজন সঙ্গীনি যেমন সুন্দর জীবন উপহার দিতে পারেন, তেমনি আবার বিশৃঙ্খলাও সৃষ্টি করতে পারেন। তাই জীবনে সুখী হতে স্ত্রীকে অনেককিছুই বলা যাবে না।

যেমন –

বয়স নিয়ে তাকে কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা ঠিক হবে না। এটি তাদের কাছে খুব স্পর্শকাতর বিষয়। সবসময় মনে রাখবেন, তিনি আপনার কাছে চিরযুবতি হয়েই থাকতে চান। বরং তাকে সুন্দর থাকার নানা ধরনের টিপস দিতে পারেন।

স্ত্রীকে খাবার বানানোর জন্য কর্কশভাবে হুকুম করা ঠিক হবে না। তার মাঝে আপনার প্রয়োজন বোঝার মতো মানসিকতার বিকাশ ঘটান। সে নিজে থেকেই আপনার জন্য তৃপ্তিদায়ক খাবার তৈরি করবে। মাঝেমধ্যে আপনিও তাকে রান্নাঘরের কাজে সাহায্য করতে পারেন। এতে সম্পর্ক ভালো ছাড়া খারাপ হবে না।

নিজের মা বা অন্য কারো সঙ্গে তুলনা টেনে কোনও কথা তাকে বলতে যাবেন না। এটাও কিন্তু স্ত্রীর মনে খুব আঘাত আনে। মনে রাখবেন, মা মায়ের জায়গায়। স্ত্রী স্ত্রীয়ের জায়গায়।

নিজের পরিবার সম্পর্কে গোপণ কোনো কথা আবেগের বসে তাকে শেয়ার না করাই ভালো। এমনকি নিজের ব্যাপারেও অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো অতীত শেয়ার না করা ভালো। তবে নিজেদের বর্তমান সম্পর্কে শ্রদ্ধাশীল থেকে নমনীয় আচরণ করা উচিৎ। এতে তার মনেও কোনো ধরণের প্রশ্ন জন্মাবে না।

পরস্ত্রীর রূপের প্রশংসা তার সামনে একেবারেই করবেন না। কখনও বলবেন না, অমুকের স্ত্রী সুন্দরী, তমুকের প্রেমিকা দারুণ। নিজেকে স্ত্রীর স্থানে বসিয়ে বিচার করে দেখুন এটা কতোটা বিব্রতকর। দেখবেন আপনিও স্ত্রীর মুখে পরপুরুষের প্রশংসা সহ্য করতে পারছেন না।

স্ত্রী হঠাৎ রেগে গেলে বুদ্ধিমানের মতো কাজ হবে তখন চুপ থাকা। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আলোচনা করতে পারেন। নিজের খারাপ লাগাগুলো তখনই বলুন। কিন্তু স্ত্রীর মাথা গরমের সময় দুটো বাড়তি কথা বলে আগুনে কর্পূর ছিটিয়ে দেবেন না। মাথা ঠাণ্ডা হলে তার ভালো মন্দের বিচার বোধ জাগিয়ে তুলতে আপনার অবস্থানে থেকে বুঝিয়ে বলুন। মনে রাখবেন, সুখী দাম্পত্য চাইলে স্ত্রীকে ঠাণ্ডা রাখাই হল আসল।

বেপরোয়া মজা নেয়ার এক ভয়াবহ করুণ পরিণতি!

এক রাশিয়ান নারী চলমান গাড়ি থেকে জানালার বাইরে শরীর বের করে বেশ মজা করছিলেন। ওইসময় তিনি টপলেস অবস্থায় ছিলেন।

হঠাৎ করে চলমান গাড়িটি রাস্তার একটি খাম্বার পাশে এসে পড়ে। তিনি বিষয়টি খেয়াল করেননি। খাম্বায় প্রচণ্ড আঘাত খেয়ে পড়ে যান। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি।

রুশ মিডিয়ার খবরে বলা হয়, গত মাসের এ ঘটনায় পুলিশি তদন্তে গাড়িতে থাকা তার বন্ধুর কাছ থেকে একটি ভিডিও ক্লিপ উদ্ধার করা হয়। ২২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ির সামনের সিটে বসা নাতালিয়া বোরিসোভনা বোরোডিনা নামের ৩৫ বছর বয়সী ওই নারী শুধু নিম্নাঙ্গের অন্তর্বাস পরিহিত ছিলেন। তিনি গাড়ির জানালা দিয়ে উদোম শরীরে বাইরে বের করে তার সঙ্গীর দিকে তাকিয়ে মজা করছিলেন যিনি এই দৃশ্য ভিডিও করছিলেন। এসময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে যায়।

মারাত্মক আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে বাঁচাতে পারেননি।

ডেলি মেল জানায়, মস্কোর বাসিন্দা এক সন্তানের জননী নাতালিয়া ডোমিনিকান রিপাবলিকে ছুটি খাটাতে গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন বান্ধবী ইভানা বোইরাচুক যিনি মৌজমাস্তির ভিডিও করছিলেন।

পিতা-পুত্রের একসঙ্গে ইভটিজিংঃ ছাত্রীদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ধরে টানাহেঁচড়া!

কুদ্দুস মিয়ার বয়স পঞ্চাশ। তার ছেলে শফিকুল ইসলামের বয়স ২২ বছর। বাপ-বেটা ছাড়াও ঘটনার সঙ্গী সাথী হিসেবে কুদ্দুসের শ্যালক আরজ মিয়া (২৫), গ্রামের লায়েছ মিয়া (২২) ও দানিছ মিয়ার (২২) নাম রয়েছে। স্কুলে যাওয়ার পথে ৪ ছাত্রীর পথরোধ করে এরা। ছাত্রীদের হাত ধরে বলে- ‘তোদের অভিভাবকগণ আমাদের বিরুদ্ধে নালিশ করিয়াছে, তোরা জানস না আমরা তোদের ছাড়া বাচিব না, তোরা আমাদের জানের জান প্রাণের প্রাণ’। এই কথা বলে আসামিরা তাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ধরে টানাহেঁচড়া করে।

এ সময় ছাত্রীরা চিৎকার করে নিজের ইজ্জত রক্ষায় দৌড় দেয়। ছাত্রীদের হুমকি দিয়ে তারা আরো বলে বিবাহ বা অবৈধ মেলামেশায় রাজি না হলে এসিড দিয়ে মুখ ঝলসে দেয়া হবে। এই অভিযোগ তুলে ধরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দেয়া হয় ওই ৫ জনের বিরুদ্ধে। ১৫ই নভেম্বর নাসিরনগর থানায় এই মামলা রেকর্ড হওয়ার আগেই কুদ্দুস মিয়াকে আটক করে চাতলপাড় তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে কুদ্দুস মিয়ার বয়স ৫০ বছর হলেও মামলায় তার বয়স ১০ বছর কম দেখানো হয়।

চাতলপাড় ওয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী মোছাম্মৎ তাসলিমা আক্তার (১৪) ও ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী মোছাম্মৎ আছমা বেগমের (১২) বড় ভাই পতইর গ্রামের আলমগীর হোসেন এই মামলার বাদী। তার দু-বোনসহ একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মোসাম্মৎ সুগেরা খাতুন (১৪) এবং ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস (১২) ঘটনার শিকার বলে মামলার এজাহারে বলা হয়।

তারা ৪ জন বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে বিভিন্ন সময় আসামিরা খারাপ অঙ্গভঙ্গি করে ও শিস দেয়। ২৬শে অক্টোবর ও ১৪ই নভেম্বর একই ঘটনা ঘটায় বলে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ কোনো তদন্ত ছাড়াই মামলাটি রেকর্ড করে নাসিরনগর থানা। এমন মামলার খবরে তাজ্জব এলাকার মানুষ। সরজমিনে সেখানে গিয়ে জানা যায় এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি গ্রামে। স্কুল থেকেও বিষয়টির তদন্ত করা হয়েছে। কিন্তু সত্যতা মিলেনি।

জানা গেছে, হাজেরা নামে গ্রামের পশ্চিমপাড়ার এক মহিলার সঙ্গে ঝগড়া হয় দক্ষিণপাড়ার স্কুলছাত্রী তাসলিমার। এর জের ধরে পরদিন তাসলিমা স্কুলে যাওয়ার পথে হাজেরা তার ওপর চড়াও হয়। ওয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির ৪ সদস্য ঘটনার একটি তদন্ত করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির নির্দেশে। তারা সরেজমিন এবং গোপনে বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হন ঘটনার ব্যাপারে।

ওয়াজ উদ্দিন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. তবারক ভূঁইয়া বলেন- ইভটিজিং বলতে কোনো কিছু না। পরীক্ষা (জেএসসি) চলাকালীন সময়ে ঘটনাটি ঘটলে মেয়ের পক্ষ থেকে আমাদেরকে ফোন করা হয়। আমি ওইদিন ছিলাম এলাকার বাইরে। হেডমাস্টার সাহেবকে বিষয়টি জানালে তিনি তাৎক্ষণিক পুলিশ নিয়ে সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে স্কুলে নিয়ে আসেন। এরপর প্রকৃত ঘটনা খুঁজে বের করতে আমরা তদন্ত কমিটি করে দিই।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আয়ুব খান, সহকারী শিক্ষক মোশাররফ হোসেন এবং পরিচালনা কমিটির দুই সদস্য বায়তুল আলম ভূঁইয়া ও এনামুল হক তদন্ত করে আমাকে জানান ঘটনার সঙ্গে কোনো পুরুষ লোকের সংশ্লিষ্টতা তারা পাননি।

প্রধান শিক্ষক মো. আয়ুব খান বলেন- ছাত্রীটি কেদে আমাকে ফোন দেয়। তারে মারপিট করেছে এবং তার এডমিট কার্ড নিয়ে যেতে চাইছিল বলে আমাকে জানায়। এরপর মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুত সেখানে যাই। পাশাপাশি পুলিশকেও খবর দেয়। গিয়ে দেখি ছাত্রীর স্কুল ড্রেসের ওপর কাদা লেগে রয়েছে। আমি তাকে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে আসি। ওই সময় জানতে পারি হাজেরা নামের এক মহিলা তাকে মারধর করেছে।

বায়তুল আলম ভূঁইয়া বলেন- এ ঘটনায় পুরুষের কোনো সংশ্লিষ্টতা আমরা পাইনি। তারা যে ৩ ছেলের নাম বলেছে এর মধ্যে দানিছ আর লায়েছ ওইদিন এলাকাতেই ছিল না। এনামুল হক বলেন- আমরা সেখানে যাওয়ার পর দু-পক্ষই গ্রামের জামাল মিয়া (৭০) ও মস্তু মিয়া (৫০)কে সাক্ষী হিসেবে হাজির করে আমাদের কাছে।

আমরা এ দু-জনের কাছে জানতে চাইলে তারা আমাদেরকে বলেন- ঘটনার সঙ্গে পুরুষ কোনো লোক জড়িত নয়। তাছাড়া ছাত্রীর মামি এসেও সাক্ষী দেয় ঘটনার সঙ্গে হাজেরাই জড়িত বলে। স্কুলশিক্ষক মোশাররফ হোসেন বলেন- ঘটনার পর আমরা সেখানে গিয়ে কারো কাছ থেকেই আরজ মিয়ার নাম শুনিনি। এখন শুনছি সেও মামলার আসামি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জাফর বলেন আমরা বিষয়টি ভালোভাবে তদন্ত করে দেখবো। চাতলপাড় তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর কাজী মো. মাহফুজ হাসান সিদ্দিকীর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন জানান- পতইর গ্রামের কুতুব উদ্দিন ও রুবেল মেম্বারের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। রুবেল মেম্বারের পক্ষ কুতুব মিয়ার পক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে নানা ঘটনায় এ পর্যন্ত ৮/১০টি মামলা দিয়েছে।-মানবজমিন

গবেষণায় বলছে, এই ৫ খাবারে কমে দৈহিক শক্তি এবং কমে যায় যৌন মিলনের আকাঙ্ক্ষাও

খাদ্যাভ্যাস ও দৈহিক শক্তির মাঝে একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কখনো এটি শরীরকে চাঙ্গা করে তোলে। আবার এমন কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে হিতে বিপরীত হয়। সম্প্রতি দেখা গেছে, অধিকাংশ পুরুষই যৌন মিলনের আকাঙ্ক্ষা কম হওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন। খাদ্যাভাসের মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাবের কারণেই পুরুষরা এ ধরনের সমস্যায় ভুগেন বলে দাবি করছে সাম্প্রতিক গবেষণা।

গবেষণায় দেখা যায়, খাদ্যাভাস লিবিডোতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যখন বয়স বাড়তে থাকে তখন এই ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই যেসব খাবার দৈহিক শক্তি কমিয়ে দেয় বা এই ক্ষমতা নষ্ট করে সেগুলো খাবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই ভালো। জেনে নিন এমন পাঁচটি খাবারের নাম-

অ্যালকোহল : অ্যালকোহল স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। শরীর দুর্বল করে, চেহারা-সুরতেও ফেলে বাজে ছাপ। এছাড়া দৈহিক শক্তিতেও মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। আর তাছাড়া অ্যালকোহল আর রিচ ফুড সবসময় আপনাকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করে রাখে, ফলে আপনি মিলনের ব্যাপারে আর উৎসাহ বোধ করেন না।

সয়া: সয়াবিন থেকে তৈরি বেশিরভাগ পণ্যই সাইটোয়েস্ট্রোজেন নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এটি পুরুষ ও নারীর দেহে হরমোনের ভারসাম্যে বিরূপ প্রভাব ফেলে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী যারা সয়া পণ্য ভোগ করে তাদের মধ্যে মিলনের আগ্রহ কম। তাই যেসব পুরুষ সন্তান গ্রহণের কথা ভাবছেন তারা খাদ্য তালিকা থেকে সয়া একদম বাদ দিয়ে দিন। কারণ সয়া শুক্রাণুর পরিমাণও কমিয়ে দেয়।

পুদিনা পাতা: সুগন্ধির জন্য পুদিনা পাতা অনেক বেশি জনপ্রিয়। কিন্তু এটি মোটেও ভালো নয়। এটি শরীরিক উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী হরমোন টেসটোসটের মাত্রা কমিয়ে দেয় যা শরীরকে ঠাণ্ডা করে দেয় এবং আগ্রহ কমিয়ে দেয়। তাই সুগন্ধির জন্য পুদিনা বাদ দিয়ে আদা খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। আদা অনেক ভালো।

কফি : কফি আপনার শরীরিক সম্পর্কের ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মুড কার্যকর রাখে। তবে অতিমাত্রায় কফি খেলে হতে পারে বিপত্তি! এটি মূত্রথলির ক্ষতি করে এবং যৌন ও থাইরয়েড হরমোন ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে।

পনির: গরুর দুধ থেকে তৈরি পনির এখন সুপার মার্কেটে খুবই সহজলভ্য। পনির ছাড়া অনেকের নাশতাই যেন জমে না। পনিরকে হরমোন ও অ্যান্টিবডি তৈরির কৃত্রিম উৎসও মনে করা হয়। তবে বেশি মাত্রায় পনির খেলে শরীরে এস্ট্রোজেন-জাতীয় পদার্থের নিঃসরণ হয়, যা মানুষের যৌন আকর্ষণ কমিয়ে দেয়। এমনকি এর প্রভাবে দৈহিক শক্তি লোপ পেতেও পারে।

বড় পর্দায় নগ্ন হয়ে অভিনয় করেছেন যেসব ভারতীয় অভিনেত্রীরা…

প্রিয়ঙ্কা বোস (‘গাঙ্গোর’, ২০১০): বাংলা, সাঁওতালি ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত এই ছবির পরিচালক ছিলেন ইতালীয় পরিচালক ইতালো স্পিনেলি। একসাঁওতালি মহিলা তাঁর শিশুকে যখন স্তন্যপান করাচ্ছে, তখন তার ছবি তোলে এক চিত্রসাংবাদিক। সেই ছবিকে ঘিরে আবর্তিত হয় ফিল্মের কাহিনি। সেই স্তন্যদানের দৃশ্যে সাঁওতালি মা-এর ভূমিকায় অভিনয় করেন প্রিয়ঙ্কা বোস। এই দৃশ্যের প্রয়োজনে ক্যামেরার সামনে ঊর্ধ্বাঙ্গ উন্মোচন করেছিলেন তিনি।

স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় (‘ডিটেকটিভ ব্যোমকেশ বক্সি’, ২০১৫): ‘ডিটেকটিভ ব্যোমকেশ বক্সি’ ছবিতে প্রায় নগ্ন হয়ে অভিনয় করেছিলেন স্বস্তিকা।

শুভ্রা বসু (‘পরম্পর’, ২০০৩):আর্ট কলেজে ন্যুড মডেল হিসেবে এক সময়ে কাজ করেছিলেন অমলিনা। বয়সকালে অর্থাভাবে নিজের পুত্রবধূ বুলিকেও একই পেশার দিকে ঠেলে দেন তিনি। এই ঘটনা নিয়েই গড়ে উঠেছে প্রণবকুমার দাশ পরিচালিত এই ছবি। বুলির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শুভ্রা বসু। ফিল্মের প্রয়োজনে একটি দৃশ্যে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েছিলেন শুভ্রা।

পাওলি দাম (‘ছত্রাক’, ২০১১): এই ফিল্মের দৃশ্যটি ইতিমধ্যেই ইন্টারনেটের দৌলতে অনেকেরই দেখা হয়ে গিয়েছে। এই দৃশ্যেও পাওলির সঙ্গী ছিলেন অনুব্রত। শ্রীলঙ্কান পরিচালক বিমুক্তি জয়সুন্দর পরিচালিত ফিল্মটির সেই বিখ্যাত দৃশ্যটিতে পাওলির সম্মুখ-নগ্নতা ধরা পড়েছিল।

ঋ (‘গান্ডু’, ২০১০):তালিকায় দ্বিতীয় নামটি বাঙালি অভিনেত্রী ঋ-এর। কিউ পরিচালিত এই ছবিতে সহ-অভিনেতা অনুব্রতর সঙ্গে একটি শয্যাদৃশ্যে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়েছিলেন ঋ। তাঁর গোপনতম অঙ্গও ধরা পড়েছিল ক্যামেরায়। এর পরে ‘কসমিক সেক্স’ নামের আর একটি ফিল্মেও নগ্ন হয়ে অভিনয় করেছিলেন ঋ।

সীমা রহমানি (‘সিনস’, ২০০৫): বিনোদ পাণ্ডে পরিচালিত ‘সিনস’ নামের ছবিটি এক ক্যাথলিক পাদ্রির কাহিনি, যিনি একটি অল্পবয়সি মেয়ের সঙ্গে প্রণয়-সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে পড়েন। ফিল্মের একটি অংশে শাইনি আহুজার সঙ্গে ভালবাসার দৃশ্যে সীমা রহমানি সম্পূর্ণ নগ্ন হন। তাঁর শরীরের সামনের অংশও সম্পূর্ণ ধরা পড়ে ক্যামেরায়। ক্যাথলিক সমাজ এই ফিল্মের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

দীপা শাহি (‘মায়া মেমসাব’, ১৯৯৩): কেতন মেহতা পরিচালিত এই ছবির একটি শয্যাদৃশ্যে শাহরুখ খানের সঙ্গে নগ্ন হয়েছিলেন দীপা। ছবিটি ছিল ‘মাদাম বোভারি’র একটি অক্ষম ভারতীয় সংস্করণ।

সিমি গ্রেবাল (‘সিদ্ধার্থ’, ১৯৭০): হারম্যান হেসের উপন্যাস অবলম্বনে কনরাড রুকস পরিচালনা করেন ইংরেজি ভাষার এই ছবি। এর একটি দৃশ্যে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে অভিনয় করেছিলেন সিমি। সঙ্গে ছিলেন শশি কপুর। দৃশ্যটি স্বভাবতই যথেষ্ট বিতর্ক তৈরি করে।

রাধিকা আপ্তে (‘পার্চড’, ২০১৬): সাম্প্রতিক ছবি লীনা যাদব পরিচালিত ‘পার্চড’ ছবিতে তাঁকে নগ্ন অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। ছবিতে তাঁর অভিনয় যথেষ্ট প্রশংসনীয়।

মেয়েদের স্বপ্নদোষ হলে কি ফরজ গোসল করতে হবে? জেনে নিন ইসলাম কি বলে ?

পুরুষদের মতো যদি কোনো নারীর স্বপ্নদোষ হয় তাহলে সেই নারীর ওপরও কি কোনো কিছু ফরজ হবে? অর্থাৎ তারও কি ফরজ গোসল করতে হবে? রাসূল (সাঃ) বললেন, হ্যাঁ, যদি সে বীর্যের পানি দেখতে পায়, তবে অবশ্যই যেনো সে গোসল করে নেয়।

ইমাম আবু ঈসা তিরমিজি [রহঃ] বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহিহ। বিখ্যাত হাদিসবেত্তা তাবেয়ী ইবনে আবু ওমর [রহঃ] হাদিস বর্ণনা করেছেন, হজরত উম্মে সালমা থেকে বর্ণিত আছে যে, উম্মে সুলাইম বিনতে মিলহান একদিন রাসূল [সাঃ] এর কাছে এসে আরজ করলো- হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ), আল্লাহ তো সত্যের ব্যাপারে কোনো লজ্জা করেন না। পুরুষদের মতো যদি কোনো নারীর স্বপ্নদোষ হয় তাহলে সেই নারীর ওপরও কি কোনো কিছু ফরজ হবে?অর্থাৎ তারও কি ফরজ গোসল করতে হবে? রাসূল [সাঃ] বললেন, হ্যাঁ, যদি সে বীর্যের পানি দেখতে পায়, তবে অবশ্যই যেনো সে গোসল করে নেয়। ইমাম আবু ঈসা তিরমিজি [রহঃ] বলেন, এই হাদিসটি হাসান সহিহ।

সাধারণভাবে সকল ফকিহ ও ইসলামি আইনজ্ঞের অভিমত হলো, কোনো নারীর যদি পুরুষেদের মতো স্বপ্নদোষ হয় এবং তাতে বীর্যপাত হয়, তাহলে তাকে অবশ্যই গোসল করতে হবে। [তিরমিজি, হাদিস-১২২] [মাওলানা মনযূরুল হক]

যৌবন থাকবে আজীবন যদি সপ্তাহে মাত্র ১ বার ব্যবহার করেন

সৌন্দর্যের দিক থেকে জাপানিজ নারীরা সবসময়েই অনবদ্য। বিশেষ করে তাঁদের ঝলমলে চুল এবং নিখুঁত ত্বকের কারণে। এমন অনেক জাপানিজ চিত্রনায়িকা ও মডেলরা আছেন যাঁদের সত্যিকারের বয়স অনেক বেশি, কিন্তু।

দেখলে মনে হয় এখনও তরুণী! বিশ্বজুড়েই জাপানিজ নারীদের এই চিরতারুণ্য একটা রহস্যের বিষয় বৈকি।মজার ব্যাপার হচ্ছে, তাঁদের এই তারুণ্যের পেছনে যে উপাদানটি সবচেয়ে বেশি কাজ করে তা হল ‘ভাত’। কি, অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, জাপানিজদের বয়স ধরে রাখে ভাতের তৈরি একটি ফেস প্যাক।

আসুন তাহলে জেনে নিই সেই জাদুকরী ফেসপ্যাকটির কথা,যে জিনিসটি সপ্তাহে ১বার ব্যবহার করলে থাকবে আজীবন যৌবনের নিশ্চয়তা।

উপকরণ:
৩ টেবিল চামচ ভাত
১ টেবিল চামচ মধু
১ টেবিল চামচ গরম দুধ

চাল সিদ্ধ করুন। অর্থাৎ ভাত রান্না করুন। এবার চাল থেকে পানি আলাদা করে ফেলুন বা মাড় ফেলে দিন।

গরম ভাত চটকে নিন, নাহলে পরে শক্ত হয়ে যাবে। এর সাথে হালকা গরম বা উষ্ণ দুধ এবং মধু দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।

যৌবন কি !?

অনেকেই ভেবে থাকেন যৌবন হচ্ছে মৌবন, কাঁটাবন, সুন্দরবন ইত্যাদির মত একধরণের বন-জঙ্গল । আসলেই কি তাই ?
এ বিষয়ে আসলে নানা মুনি – ঋষীর নানা মত –
* মহামতি মমতাজের অভিমত , ‘যৌবন একটি গোল্ডিফ সিগারেট’….
* বিশিষ্ট বলিউড স্পেশালিষ্ট জেমসের মতে , যৌবন এমন একটা জিনিস যা নূরজাহানের আঁচলের তলায় থাকে ,যেটাকে আবার উঠানে শুকানো যায় … তাই তিনি উদাত্ত গলায় গেয়েছিলেন –

“প্রেমের কাব্য লিখে সূচ সূতায়
আচলের যৌবন উঠানে শুকায় …
হারাগাছের নুর জাহান ,
গাঙের জলে করে স্নান “….
*হেলাল হাফিজের মতে ,যৌবন মানবজীবনের একটা সুনির্দিষ্ট সময় ,যে সময়ে যুদ্ধে যাইতে হয় …
*নচিকেতার মতে , আজ যৌবন যার নাম – কাল সে তো বুড়ো ভাম……
* কড়া দার্শনিকদের মতে ,যৌবন হচ্ছে মানবজীবনের একটা বিশেষ সময়কাল ,যে কালটা স্রেফ সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই না !

দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখা যায় কিভাবে? দীর্ঘদিন চেহারায় তারুন্য থাকবে কি করলে?

দীর্ঘ দিন তারন্য দরে রাখা অসম্ভব কিছুই নয়।

চেষ্টা করেই দেখুন:

• খাবারের তালিকায় টমেটো রাখুন। নিয়মিত টমেটো খাওয়ার অভ্যাস বর্তমান বয়স থেকে কম বয়সী দেখায়

• সঙ্গীর সঙ্গে শারীরিক এবং মানসিক সুসম্পর্ক থাকলে বয়স অনেক কম দেখায়

• প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন

• চকলেট পছন্দ করেন? প্রতিদিন চকলেট খেলে বয়স কম দেখাবে

• মন খুলে হাসতে পারলে আয়ু বাড়ে

• প্রতিদিন ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন

• প্রচুর পানি পান করতে হবে

• সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন

• ভিটামিন জাতীয় খাবার প্রচুর পরিমাণে খেলে বয়স কম দেথায়

• সুন্দর হাসির জন্য প্রয়োজন সুস্থ দাঁত। দাঁতের সঠিক যত্ন নিলে বয়স কম দেখাবে

• সকালে নিয়মিত সকালের নাস্তা খান • রাতে খুব ভালো ঘুম আয়ু বাড়িয়ে দিতে পারে

• নিয়মিত যে কোনো ধরনের বাদাম আমাদের ত্বক সজীব রাখে

• দুশ্চিন্তা এবং হতাশা আমাদের জীবনী শক্তি কমিয়ে দেয়। আর বয়সের তুলনায় আমাদের বুড়ো দেখায়।

সকালে মাত্র ১০ মিনিটের ১টি কাজে ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও ঝলমলে!

সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি ত্বকে তেলতেল ভাবের আধিক্য সেইসাথে ছোপ ছোপ দাগ দেখতে পান তাহলে নিশ্চয়ই ভালো লাগে না। এছাড়াও সারারাত ঘুমানোর পর চোখের নিচের ফোলা ভাব কিংবা রাতে ভালো ঘুম না হলে চোখের নিচে কালো দাগ পরা খুব স্বাভাবিক। যদি দিনের বেলায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রোগ্রাম থাকে তাহলে কি এভাবে কাটাতে ভালো লাগবে? মোটেই নয়। তাই সকালে মাত্র ১০ মিনিট বের করে মাত্র ১ টি কাজ করে দেখুন। দেখবেন পুরোদিনই ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও ঝলমলে।

যা যা লাগবেঃ

– ৬-৭ চা চামচ চা পাতা
– ১০-১২ ফোঁটা লেবুর রস
– ১ লিটার পানি

পদ্ধতি ও ব্যবহার বিধিঃ

– ১ লিটার পানি চুলায় ফুটতে দিয়ে এতে চা পাতা দিয়ে জ্বাল দিয়ে লিকার করে নিন। লিকার মাঝারি ধরণের গাঢ় হবে।

– এরপর লিকার ঠাণ্ডা করতে দিন। ঠাণ্ডা হয়ে এলে এতে লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন এবং বরফের ট্রে তে মিশ্রণটি ঢেলে বরফ জমতে দিন। সবচাইতে ভালো হয় যদি এই কাজটুকু রাতে করে রাখেন। পুরো রাতে বরফ জমে যাবে।

– এরপর সকালে উঠে প্রথমে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। চাইতে প্রাকৃতিক একটি স্ক্রাবার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। চালের গুঁড়ো এবং দুধ মিশিয়ে তা দিয়ে ত্বক স্ক্রাব করে নিন।

– তারপর বানিয়ে রাখা বরফের মাত্র ২ টি খণ্ড নিয়ে একটি সুতি পাতলা কাপড়ে পেঁচিয়ে নিয়ে তা দিয়ে বরফ না গলা পর্যন্ত আলতো করে ঘষে নিন পুরো ত্বকে।

– চোখের নিচের দিকে ভালো ভাবে সতর্কতার সাথে ঘষে নিন। এতে চোখের নিচের ফোলা ভাব ও কালো দাগ অনেকাংশে দূর হয়ে যাবে।

– এরপর মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন এবং ভালো করে ময়েসচারাইজার ও সানস্ক্রিন লাগান। এরপর অন্যান্য প্রসাধনী ব্যবহার করে নিন।

উপকারিতাঃ

– এই কাজটি করার ফলে চায়ের অ্যান্টিএইজিং উপাদান ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

– লেবুর ব্লিচিং এজেন্ট ত্বকের নানা রকম দাগ ফিকে করে ফেলতে সহায়তা করে। ২ তেলতেলে ভাব দূর করতে সহায়তা করে।

– অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বক হলে বরফ জমানোর আগে মিশ্রনে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন।

দিন-দুপুরে মেয়েটির ভঙ্গি দেখে অবাক সবাই! (ভিডিওসহ)

দিন-দুপুরে মেয়েটি যা করল দেখলে আপনিও টাস্কি খাবেন! দিন-দুপুরে মেয়েটি যা করল দেখলে আপনিও টাস্কি খাবেন! দিন-দুপুরে মেয়েটি যা করল দেখলে আপনিও টাস্কি খাবেন!

দিন-দুপুরে মেয়েটির ভঙ্গি দেখে অবাক সবাই! (ভিডিওসহ) দিন-দুপুরে মেয়েটির ভঙ্গি দেখে অবাক সবাই! (ভিডিওসহ) দিন-দুপুরে মেয়েটির ভঙ্গি দেখে অবাক সবাই! (ভিডিওসহ) দিন-দুপুরে মেয়েটির ভঙ্গি দেখে অবাক সবাই! (ভিডিওসহ) দিন-দুপুরে মেয়েটির ভঙ্গি দেখে অবাক সবাই! (ভিডিওসহ)

দিন-দুপুরে মেয়েটির ভঙ্গি দেখে অবাক সবাই! (ভিডিওসহ) দিন-দুপুরে মেয়েটির ভঙ্গি দেখে অবাক সবাই! (ভিডিওসহ) দিন-দুপুরে মেয়েটির ভঙ্গি দেখে অবাক সবাই! (ভিডিওসহ) দিন-দুপুরে মেয়েটির ভঙ্গি দেখে অবাক সবাই! (ভিডিওসহ) দিন-দুপুরে মেয়েটির ভঙ্গি দেখে অবাক সবাই! (ভিডিওসহ)

দিন-দুপুরে মেয়েটি যা করল দেখলে আপনিও টাস্কি খাবেন! দিন-দুপুরে মেয়েটি যা করল দেখলে আপনিও টাস্কি খাবেন! দিন-দুপুরে মেয়েটি যা করল দেখলে আপনিও টাস্কি খাবেন!