২০১৮ সালে যে স্বপ্নগুলো পূরণ করতে চান মেসি



আগামী জুনেই পর্দা উঠছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় আসর ফিফার ২১তম বিশ্বকাপ আসর। যা অনুষ্ঠিত হবে রাশিয়ায়। ১৪ই জুন পর্দা উঠবে এ আসরের এবং শেষ হবে ১৫ই জুলাই।

তবে এ আসরের টিকিট নিশ্চিত করতে অনেক ঝামেলায় পোহাতে হয়েছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে। আর এ বিশ্বকাপই হতে পারে আর্জেন্টাইন সুপারস্টার মেসির শেষ বিশ্বকাপ।

আর তাইতো এ রাশিয়া বিশ্বকাপকে শিরোপা জেতার শেষ সুযোগ হিসেবে দেখছেন মেসি। বলেন, ‘রাশিয়ায় যখন পা রাখব, দেখবেন আমরা তৈরি। কারণ, আমরা উন্নতির রাস্তা দিয়ে চলেছি।

হ্যাঁ, এটা ঠিক, যা যা ঘটেছে, তা প্রত্যাশা করিনি। আর এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার মতো দলও তো আমরা নই। কিন্তু তাও দেখতে হয়েছে দিনগুলো। ভেনেজুয়েলা, পেরুর বিরুদ্ধে সহজেই জিততে পারতাম। কিন্তু পারিনি। তাই কঠিন লড়াই লড়তে হয়েছে।

অন্যদিকে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের বাঁচা-মরার ম্যাচ ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে তিনি বলেন, ‘ওই ম্যাচটার গুরুত্বই ছিল আলাদা। কারণ, সেদিন হেরে গেলে বিশ্বকাপেই আমাদের খেলা হতো না।

আর সেই ধাক্কাটা মারাত্মক হতো দলের জন্য, দেশের জন্য, আমার জন্যও। জানি না, কী করতাম!‌ কীভাবে সেই সত্যিটা হজম করতাম!‌ জানি, একইরকম সমস্যায় পড়ত আর্জেন্টিনীয়রাও। রাশিয়ার টিকিটটা না পাওয়া, আমাদের দেশের কাছে সর্বকালের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ে হয়ে দেখা দিত। ‘

একইসঙ্গে ফুটবলের কাছে প্রত্যাশা প্রসঙ্গে একটু ঘুরিয়ে তিনি বলেন, ‘আশা করি, ফুটবল তার ঋণ মেটাবে। আমার প্রত্যাশা পূরণ করবে। ২০১৮ সালে লিওনেল মেসি হবে.‌.‌.‌। আর তখন না ভেবে রসিকতা করে মেসি বলেন, ‘মেসি হবে তৃতীয় সন্তানের বাবা। ‘

২০১৭ সালে লিওনেল মেসির ৫৪ গোল



২০১৭ সালে দুর্দান্ত সময় কেটেছে লিওনেল মেসির। ক্লাব এব জাতীয় দল মিলিয়ে বছরে ৫৪টি গোল করেছেন তিনি। এরমধ্যে শুধু ক্লাব বার্সালোনার হয়েই গোল করেছেন ৫০টি। বাকি চারটি গোল এসেছে জাতীয় দলের জার্সিতে। তার মধ্যে তিনটি গোলই আবার মহাগুরুত্বপূর্ন ইকুয়েডরের বিপক্ষে।

দুর্দান্ত মেসির নৈপুন্য দুর্দান্ত ভাবেই এগিয়ে চলছিল বার্সালোনা। লা লিগা এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে আছে শিরোপার লড়াইয়ে। লা লিগা তো এক রকম নিজেদের পকেটেই ঢুকিয়ে নিয়েছে বার্সালোনা। চিরপ্রতিদ্বদন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ থেকে এগিয়ে আছে ১৪ পয়েন্ট। লা লিগার ইতিহাসে এত পয়েন্ট ব্যবধান কমিয়ে কেউ শিরোপা জিততে পারেনি।

এছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগেও আছে ঠিক পথেই। শেষ ষোলতে উঠেছে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই। আর সব জায়গাতেই মেসির অবদান ছিল চোখে পড়ার মত। বার্সার হয়ে চলতি মৌসুমে গোল সবচয়ে বেশি এই মেসিরই। এমনকি আর্জেন্টিনার জার্সিতে যে ৪টি গোল করেছেন সেটাও জাতীয় দলে এই বছরে সর্বোচ্চ।

বার্সেলোনার বিরুদ্ধে বোমা ফাটালেন রোনালদো!



স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্ব ক্লাব ফুটবলের অন্যতম সেরা দল বার্সেলোনা। কোনো সন্দেহ নেই তাতে। যুগ যুগ ধরে ইতিহাসের সেরা সেরা ফুটবলাররাই খেলে এসেছেন কাতালান ক্লাবটিতে। বার্সার সৌজন্যে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলারদের দাপটও দেখার সুযোগ পেয়েছে ফুটবল দুনিয়া।

রোমারিও, রিভালদো, রোনালদো, রোনাল্দিনহোর পর নেইমারও যে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এই স্প্যানিশ জায়ান্টদের। অথচ, এই বার্সেলোনার বিরুদ্ধেই এবার বোমা ফাটালেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি রোনালদো!

হ্যাঁ, এক সাক্ষাৎকারে ব্রাজিলীয়ানদের কাছে বার্সেলোনাকে অপয়া বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই এমনটা জানালেন ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমে বার্সার হয়ে ৩৭ ম্যাচ খেলে ৩৪ গোল করা এই স্ট্রাইকার। রোনালদোর হঠাৎ এমন মন্তব্যের পেছনে কারণও রয়েছে। জানুয়ারির ট্রান্সফার উইন্ডোতে জোর গুঞ্জন ফিলিপে কোটিনহো যোগ দিতে পারেন ন্যু ক্যাম্পে। মূলত তাকে সতর্ক করেই এমন মন্তব্য করেছেন রোনালদো।

এ প্রসঙ্গে রোনালদো বলেন, ‘বার্সেলোনা কোনোদিনও ব্রাজিলিয়ানদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেনি। বহু উদাহরণ টানতে পারি। বার্সেলোনায় অনেক সাফল্য পাওয়ার পরও ফিরে যেতে হয়েছে। জ্বলন্ত উদাহরণ আমি নিজেই। তারপর রোমারিও, রোনাল্দিনহো, নেইমাররা রয়েছে। প্রত্যেকেই খারাপ অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে।’

কাতালান ক্লাবটিতে দুর্দান্ত একটা মৌসুম কাটানোর পর ১৯৯৭ সালে ইন্টার মিলানে যোগ দিয়েছিলেন রোনালদো। সিরি’এ লিগে দারুণ সময় কাটিয়ে ২০০২ সালে আবারও লা লিগায় ফেরেন তিনি। এবার বার্সার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে। বার্সার চেয়ে রিয়ালে অবশ্য ভালো ছিলেন বলে স্বীকার করেছেন রোনালদো, ‘বার্সেলোনাতে দারুণ একটা বছর কাটানোর পরও ক্লাব ছাড়তে হয়েছিল আমাকে। বরং রিয়াল মাদ্রিদে ভালো ছিলাম।’

২০০৯ সালে বার্সেলোনা ছেড়ে জুভেন্টাসে নতুন করে ঠিকানা গড়েন দানি আলভেজ। ন্যু ক্যাম্প ছাড়ার আগে বলে যান, ‘বার্সাতে আমি সুখের দিন কাটাইনি।’

তবে সর্বশেষ নেইমার ন্যু ক্যাম্প ছাড়ার সময় কিন্তু দেখা গেছে ব্যতিক্রম চিত্র। নেইমার পিএসজিতে যোগ দেওয়ার আগে বলেছেন, ‘বার্সেলোনা সবসময়ই আমার হৃদয়ে থাকবে।’
তার আগে বার্সেলোনা ছাড়ার আগে রোনাল্দিনহো বলেছিলেন, ‘বার্সেলোনায় আমার পাঁচ বছর ফুটবল জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ।’

মেসির হাতে আরও ব্যালন ডি’অর



স্পোর্টস ডেস্ক: টানা দুইবার দ্বিতীয় হতে হয়েছে লিওনেল মেসিকে। তাই বলে ব্যালন ডি’অরে মেসির দিন ফুরিয়ে যায়নি। ভবিষ্যতে বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডের হাতে আরও অনেক ‘সোনার বল’ দেখছেন রিভালদো।

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো এবারও জিতেছেন ‘ফ্রান্স ফুটবল’-এর দেওয়া পুরস্কারটি। যাতে পর্তুগিজ যুবরাজ পাঁচবার জিতে সংখ্যার দিক থেকে ধরে ফেলেছেন মেসিকে। টানা দুইবার খালি হাতে থাকলেও আর্জেন্টাইন অধিনায়কের সামনে আরও সুযোগ দেখছেন রিভালদো। বার্সেলোনা ও ব্রাজিলের এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার প্রশংসায় ভাসিয়েছেন মেসিকে। একই সঙ্গে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের হাতে দেখতে পাচ্ছেন আরও ব্যালন ডি’অর।

স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোনালদোর সঙ্গে মেসির পার্থক্য বুঝিয়েছেন রিভালদো এভাবে, ‘লিওর গুণমান ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো থেকে আলাদা। বলের সঙ্গে এই আর্জেন্টাইনের পারফরম্যান্স অন্য পর্যায়ের। ক্রিস্তিয়ানোও খুব ভালো ও ভীষণ পেশাদারি।’

এই রোনালদোই জিতেছেন এবারের ব্যালন ডি’অর। তবে ‘সোনার বল’-এর লড়াইয়ে রিভালদোর পছন্দ মেসিই। যা বোঝা গেল তার এই কথায়, ‘আরও অনেক সোনার বল জেতার জন্য মেসির সবকিছুই আছে। আমার মতে ও আরও অনেক শিরোপা জিততে পারবে, কারণ আরও অন্তত তিন-চার বছর নিজের সেরা পর্যায়ে খেলতে পারবে ও।’ গোল ডটকম

বদলে গেছে আর্জেন্টিনার পুরো দলই!



স্পোর্টস ডেস্ক: চার বছর আগে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের দুঃসহ স্মৃতি ভুলে ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে দক্ষিণ আমেরিকার শীর্ষ দল হিসেবেই মাঠে নামবে ব্রাজিল। তবে ইউরোপীয়ান পরাশক্তিদের ভিড়ে সেলেসাওরা নিজেদের কতটা এগিয়ে নিতে পারে তা নিয়ে এখন থেকেই জল্পনা কল্পনা শুরু হয়ে গেছে।

ব্রাজিলের মাটিতে স্বাগতিকদের ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করে ব্রাজিলকে কেবল সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় করেনি জার্মানী, ফাইনালে শিরোপা ঘরে তুলে আজেন্টাইনদেরও হতাশ করেছিল। বড় আসরে বরাবরই স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা জার্মানরা চলতি বছর রাশিয়ায় কনফেডারেশন্সক কাপ জয় করে নিজেদের আবারো প্রমাণ করেছে। রাশিয়ায় সাম্প্রতীক এই সাফল্য ১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পরে প্রথম দল হিসেবে জার্মানদের বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নে বিভোর করে তুলেছে।

রাশিয়া বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে জার্মান দলের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত সাবেক স্ট্রাইকার অলিভার বিয়েরহফ বলেছেন, ‘ফাইনালের আগ পর্যন্ত আমরা পুরো টুর্নামেন্টে কিভাকে নিজেদের এগিয়ে নিব সে ব্যাপারে এখন থেকেই প্রস্তত হচ্ছি। আমাদের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে আবারো বিশ্বকাপের শিরোপা নিয়ে ঘরে ফেরা।’

এবারের আসরে শিরোপা জিততে পারলে তা হবে জার্মানদের পঞ্চম শিরোপা। আর সে কারণেই জার্মান খেলোয়াড়দের জন্য মোটা অঙ্কের বোনাসও ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ঠ ফেডারেশরন। এটা শুধুমাত্র দেশের সম্মানই নয়, এখানে খেলোয়াড়দের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারও অনেকাংশেই নির্ভর করছে। শিরোপা ধরে রাখতে পারলে তাই দলের প্রতিটি সদস্যের জন্য সাড়ে তিন লাখ ইউরোর ঘোষণা এসেছে।

পঞ্চমবারের মত শিরোপা ঘরে তুলতে পারলে বিশ্বকাপ অর্জনের দিক থেকে তা হবে ব্রাজিলিয়ানের সমান। কিন্তু ব্রাজিলের সামনে মূল চ্যালেঞ্জ ছিল জার্মানদের কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার পরে নিজেদের নতুনভাবে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। নতুন কোচ তিতের অধীনে নিজেদের লড়াইয়ে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে অনেকটা সফলও হয়েছে ব্রাজিল। তাইতো এবারের ব্রাজিল দলটিকে নিয়ে অনেকেই আশার আলো দেখছে। বিশেষ করে নেইমারের নেতৃত্বে তরুণ দলটি যখন রিও গেমসে ফাইনালে জার্মানীকে পেনাল্টিতে পরাজিত করে প্রথমবারের মত স্বর্ণ জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছিল তখন অনেকেই একে প্রতিশোধের চেয়ে সেলেসাওদের ফিরে আসার ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচনা করেছিল।

এরপরই তিতে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ব্রাজিলের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। আর তার অধীনে এখন পর্যন্ত ব্রাজিল কোনো প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ম্যাচে পরাজিত হয়নি। ১২ ম্যাচে তিতে ব্রাজিলকে ১০টি জয় ও দুটি ড্র উপহার দিয়েছেন।

ফিফাডটকম’এ নেইমার বলেছেন, ‘বিশ্বকাপের পরে গত তিন থেকে চার বছর আগে দলের প্রতি খেলোয়াড়দের যা শ্রদ্ধা ছিল তা একেবারেই পরিবর্তন হয়ে গেছে। সবাই আমাদের মধ্যে ইতোমধ্যেই পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছে।’

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তিতে শুধুমাত্র দলের মধ্যে জয়ের মানসিকতাই ফিরিয়ে আনেনি, হলুদ জার্সিধারীদের প্রথাগত ‘জোগা বোনিতো’ এ্যাটাকিং স্টাইলও ফিরিয়ে এনেছেন। সাম্প্রতীক সময়ে দুঙ্গা, লুইস ফিলিপ স্কলারির অধীনে যা একেবারেই হারিয়ে গিয়েছিল। নেইমারও এই দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত হয়েই বলেছেন, যে ব্রাজিলকে সবাই পছন্দ করতো সেই ধারা দলে আবারো ফিরে এসেছে। এই দলটি ফুটবলকে উপভোগ করতে শিখেছে। সমর্থক ও দেশের ফুটবল মানসিকতাই পরিবর্তন হয়ে গেছে। বিশ্বকাপের আগে সবাই আত্মবিশ্বাসী ও খুশি। এটা কোনো মূল্য দিয়ে কেনা যায় না।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ই-গ্রুপ থেকে নেইমারের ব্রাজিল মোকাবেলা করবে সুইজারল্যান্ড, সার্বিয়া ও কোস্টারিকার।
টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনেই বিগ ম্যাচে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালের মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন। যদিও স্প্যানিশ ফুটবলে সাম্প্রতীক কিছু ঘটনায় রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে স্পেনকে বাদ দেয়ার একটি গুজব শোনা যাচ্ছে। স্প্যানিশ ফেডারেশনের সভাপতি পদে নির্বাচনে সরকারী হস্তক্ষেপের জেরে রাশিয়া থেকে স্পেনকে বাদ দেয়ার হুমকি দেয় ফিফা। সভাপতি অ্যাঞ্জেল মারিয়া ভিলার দুর্নীতির দায়ে পদ থেকে সড়ে দাঁড়াতে বাধ্য হলে সভাপতি পদটি শূন্য হয়ে পড়ে। যদিও এসব নিয়ে মোটেই চিন্তিত নয় স্প্যানিশরা।

অধিনায়ক সার্জিও রামোস বলেছেন, ‘আমার মনে হয় না মাঠে আমরা যা অর্জন করেছি তার থেকে স্পেনকে বঞ্চিত করা হবে।’

গ্রুপ-বি’তে মরক্কো, ইরান ও পর্তুগালকে পিছনে ফেলে নক আউট পর্বে যাবার জন্য দুইবারের ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নরাই যে ফেবারিট তা স্পেন ইতোমধ্যেই নিজেদের যোগ্যতা দিয়েই প্রমাণ করেছে।

তবে অন্যান্য দলগুলোর তুলনায় কাগজে কলমে আর্জেন্টিনাকে যে গ্রুপ পর্বে শক্ত প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হচ্ছে তা সহজেই অনুমেয়। গ্রুপ-ডি’ থেকে তাদের সামনে এগিয়ে যেতে হলে ইউরো ২০১৬ এর বিস্ময়কর দল আইসল্যান্ড, রিয়াল মাদ্রিদের তারকা লুকা মোদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া ও আফ্রিকান জায়ান্ট নাইজেরিয়াকে পিছনে ফেলতে হবে।

বাছাইপর্বে ইকুয়েডরের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে রাশিয়ার টিকিট উপহার দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। যদিও পাঁচবারের বর্ষসেরা খেলোয়াড় মেসি বলেছেন, ইকুয়েডরের ম্যাচটির সাথে সাথে আমরা বাছাইপর্ব পিছনে ফেলে এসেছি, এখন পুরো দলই বদলে গেছে। ওই ম্যাচে সব ভয় ও টেনশন শেষ হয়ে গেছে। এখন আমাদের মূল লক্ষ্যই নিজেদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

আলবিসেলেস্তেদের হয়ে মাত্র চারটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন নতুন কোচ জর্জ সাম্পাওলি। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন বিশ্বকাপে নিজের ফর্ম দিয়েই ঋণ শোধ করার একটি সুযোগ এসেছে মেসির সামনে। মেসি নিজেও সেটাই বিশ্বাস করেন। সাম্পাওলি নিজেও মেসিকে এই কথা জানিয়েছেন বলে এই সুপারস্টার স্বীকার করেছেন।

বদলে গেছে আর্জেন্টিনার পুরো দলই! অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে অসম্ভব প্রতিভাসম্পন্ন ফ্রেঞ্চ দলে রয়েছেন পল পগবা, এন্টোনিও গ্রিজম্যান ও কাইলিয়ান এমবাপ্পের মত তারকারা। যদিও গ্রুপে পেরু, ডেনমার্ক ও অস্ট্রেলিয়াকে পিছনে ফেলে ফ্রান্সের সামনে এগিয়ে যাওয়া যে মোটেই সহজ হবে না তা দলগুলোর সাম্প্রতীক পারফমেন্সেই প্রমাণ।

এদিকে বেলজিয়ামের স্বর্ণযুগের দলটির সামনে সুযোগ এসেছে গ্রুপ-এইচ থেকে ইংল্যান্ড, তিউনিশিয়া ও টুর্নামেন্টের নতুন দল পানামাকে পিছনে ফেলার। তারকা সমৃদ্ধ দলটির খেলোয়াড়রা জাতীয় দলের জার্সি গায়ে নিজেদের কতটুকু প্রমাণ করতে পারে সেদিকে তাকিয়ে আছে পুরো ফুটবল বিশ্ব।

স্বাগতিক রাশিয়া টুর্নামেন্টের সবচেয়ে নিচু র‌্যাঙ্কিংয়ের দল হিসেবে অংশ নিচ্ছে। কিন্তু সৌদি আরব, উরুগুয়ে ও মিসরের বিপক্ষে গ্রুপের ম্যাচগুলোতে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েই শেষ ১৬’তে যেতে চায় রাশিয়া। মস্কোর লুজিনকি স্টেডিয়ামে আগামী ১৪ জুন সৌদি আরবের সাথে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টের সূচনা করবে স্বাগতিকরা। ১৫ জুলাই লুজিনকিতে ফাইনাল ম্যাচটি ফিরে আসার আগে ১১টি শহরের ১২টি ভেন্যুতে সর্বমোট ৬৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

রিয়াল ভক্তদের জন্য দু:সংবাদ



স্পোর্টস ডেস্ক: মাদ্রিদ ভক্তের জন্য বিরাট দু:সংবাদ। রিয়াল মাদ্রিদের সবচেয়ে বড় তারকা রোনালদো পেরেজের কাছে তার বিক্রয় মুল্য নির্ধারনের জন্য বলেছে। আগামী গ্রীষ্মেই রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়তে চান রিয়ালের এই সবচেয়ে বড় তারকা। এমনটাই জানিয়েছে দ্যা সান।

যদি রিয়াল মাদ্রিদ তারকার জন্য কোন মুল্য নির্ধারন করা হয় তাহলে আগামী গ্রীষ্মেই অন্য কোন ক্লাবে পাড়ি জমাবে রোনালদো। আর সেই অন্য কোন ক্লাব হতে পারে ম্যানইউ কিংবা পিএসজি।

বর্তমানে রোনালদোর সাথে রিয়াল মাদ্রিদের চুক্তি আছে ২০২১ সাল পর্যন্ত এবং তার রিলিজক্লজ ৮৮৭ মিলিয়ন ইউরো। দ্যা সানের রিপোর্টের বলা হয়, রোনালদোর এজেন্ট রিয়াল সভাপতির সাথে দেখা করে তাকে বিক্রির জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেছে। সেজন্য তার মুল্য নির্ধারন করার জন্য বলেছে।

রিপোর্টে বলা হয়, রোনালদো ও পেরেজের সাম্প্রতিক সম্পর্কে টানাটানি চলছে। তাই এই বিষয়ে ক্লাব সভাপতির কাছে সরাসরি কিছু বলতে আগ্রহী নয় রোনালদো। এর আগে বেতন বাড়ানোর কথা বলা হলেও সেটাতে কর্নপাত করেনি পেরেজ। মুলত সেখান থেকেই ঝামেলার শুরু।

এরপর রিয়াল সভাপতির নেইমারের প্রতি আগ্রহ পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে করে দিয়েছে। বিভিন্ন দৈনিকের খবর, রোনালদোর রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে নেইমারকে চায় পেরেজ। সেজন্য আগামী গ্রীষ্মেই নেইমারকে দলে চায় তারা। অন্যদিকে রোনালদো থাকলে নেইমার আসবে না সেটাও জানা কথা।

আর নেইমার চলে আসলে সে জায়গা পূরনে রোনালদোকেই চায় পিএসজি। অন্যদিকে পাখির চোখের মত তাকিয়ে আছে ম্যানইউ। এবার দেখার বিষয় সর্বশেষ কি হয়।

মেসি-মাশ্চেরানোর পর এবার আরেক আর্জেন্টাইনের প্রতি লোভ বার্সেলোনার



আর্জেন্টাইনদের প্রতি বার্সার বিশ্বাস এনে দিয়েছিলেন মেসি-মাসচেরানো। তাদের দুইজনের বার্সাতে যে পারফর্ম তাত করেই আর্জেন্টাইনের প্রতি বিশ্বাস রাখতে পারে স্প্যানিশ জায়েন্ট। আর সেই হিসেবেই এবার আরেক আর্জেন্টাইন ডি মারিয়ার প্রতি আগ্রহী বার্সা।

বার্সেলোনা থেকে নেইমার ও কিলিয়ান এমবাপ্পে পিএসজিতে আসার পর থেকেই ডি মারিয়া দলে অনিয়মিত। ফরাসি লিগে ওয়ানে পিএসজির ১৯ ম্যাচের মাত্র ৯টিতে খেলার সুযোগ পেয়েছেন। তাই বার্সেলোনাও এ সুযোগটাই নিতে চায়_

ফ্রান্সের ওয়েবসাইট ‘প্যারিসফ্যানস’ জানিয়েছে, ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ডি মারিয়াকে দলে টানতে পিএসজির সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বার্সা। পিএসজি এই উইঙ্গারকে গত দল বদলের মৌসুমেও কেনার চেষ্টা করেছিল কাতালানরা। তখন তাকে ট্রান্সফার ফি ৪ কোটি ৫০ লাখ ইউরো বলা হয়েছিল, এবারও সেই একই দাম হাঁকানোর সঙ্গে আরও দেড় কোটি ইউরো দেয়ার প্রস্তাব করেছে বার্সা।

তবে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘স্পোর্ত’ জানিয়েছে, বার্সা ডি মারিয়ার জন্য ছুটছে আসলে একটি বিকল্প পথ খোলা রাখার অভিপ্রায় নিয়ে। ফিলিপ কুতিনহোকে কিনতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে লা লিগা টেবিলে শীর্ষস্থানীয় দলটি

ব্রাজিলিয়ানদের জন্য বার্সেলোনা খুব খারাপ!



স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বের যে কয়টি ফুটবল ক্লাব দাপট দেখিয়ে চলে তাদের অন্যতম একটি ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা। কিন্তু কালেভদ্রে বিভিন্ন সময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে এ ক্লাবটি। বিশ্বের সব উদীয়মান ফুটবলারদেরই স্বপ্ন থাকে বার্সেলোনার হয়ে মাঠ মাতাবে। কিন্তু ব্রাজিলিয়ানদের জন্য এমন স্বপ্ন দেখাই যেন পাপ। কি পাঠক অবাক হলেন? এমন অবাক করা তথ্যই দিলেন বিশ্বকাপ জয়ী সাবেক বার্সা তারকা রোনাল্ডো।

গ্রীষ্মের ট্রান্সফার মৌসুমে রেকর্ড গড়ে বার্সা ছেড়েছিলেন নেইমার জুনিয়র। ক্লাব ছেড়েই বার্সা সভাপতির বিরুদ্ধাচারণ করতে থাকেন তিনি। এর আগে ব্রাজিলিয়ান তারকাদের মধ্যে রোনালদো, রিভালদো, দানি আলভেস, রোনালদিনহোর মত তারকা খেলোয়াড়রা ক্লাব মাড়িয়ে গেছেন। যদিও এখন পর্যন্ত বার্সেলোনার সঙ্গে যুক্ত আছেন রোনালদিনহো। বাকি খেলোয়াড়দের সঙ্গে তিক্ততাই রয়েছে ক্লাবের।

ব্রাজিলিয়ানদের জন্য বার্সেলোনায় খেলার স্বপ্ন দেখাটা ভুল! এটা আমার কথা নয়। ব্রাজিলের ইতিহাসের ফুটবল কিংবদন্তী রোনাল্ডোর কথার অর্থ অন্তত সে রকমই। ব্রাজিলিয়ান এই কিংবদন্তি স্পষ্টই বললেন, বার্সেলোনা ব্রাজিলিয়ানদের জন্য খুব খারাপ! কাতালন ক্লাবটি ব্রাজিলিয়ানদের যথাযথ মূল্যায়ন করে না, মর্যাদা দেয় না!

না, কারো কান পড়া শুনে ন্যু-ক্যাম্পের প্রতি এই বৈরাগ্য নয় তিনবারের ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার রোনাল্ডোর। নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বদেশি বন্ধুদের অভিজ্ঞতা থেকেই ৪১ বছর বয়সী রোনাল্ডো এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন, বার্সেলোনা ব্রাজিলিয়ানদের জন্য নয়। বরং বার্সেলোনার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদই হলো ব্রাজিলিয়ানদের জন্য আদর্শ ঠিকানা!

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে রোনাল্ডো একটা মৌসুম কাটিয়েছেন বার্সেলোনায়। ফরাসি ক্লাব পিএসজি থেকে ১৯৯৬ সালে যোগ দিয়েছিলেন বার্সেলোনায়। কিন্তু ন্যু ক্যাম্পে তার অভিজ্ঞতাটা খুব সুখকর হয়নি। না, মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না।

বরং বার্সার জার্সি গায়ে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সই ছিল রোনাল্ডোর। ৩৭ ম্যাচেই করেছিলেন ৩৪ গোল। কিন্তু ক্লাব কর্তারা যথাযথ মূল্যায়ন না করায় সম্পর্কটা রূপ নেয় তিক্ততায়। ১৯৯৭ সালেই তাই বার্সা ছেড়ে যোগ দেন ইন্টার মিলানে। ইতালিয়ান ক্লাবটিতে ৫ বছর কাটিয়ে ২০০২ সালে যোগ দেন রিয়াল মাদ্রিদে।

ন্যু ক্যাম্পে টিকতে না পারলেও বার্নাব্যুতে বেশ সুখেই কাটিয়ে দেন ৫টি বছর। নিজেকে এখনো রিয়ালের একজন সমর্থক হিসেবেই দাবি করেন। বার্সেলোনার প্রতি তার মনোভাবটা ঠিক এর উল্টো। শুধু তার সঙ্গেই নয়। তার দুই স্বদেশি বন্ধু কিংবদন্তি রিভালদো এবং রোনালদিনহোর ক্ষেত্রেও বার্সেলোনা অধ্যায়ের শেষটা ছিল তিক্ততার।

রিভালদো এবং রোনালদিনহো, দুজনেই ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সুবর্ণ সময়টা পার করেছেন বার্সেলোনায়। ন্যু-ক্যাম্পে থাকতেই তারা পেয়েছেন ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। কিন্তু দুজনকেই শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনা ছাড়তে হয় তিক্ততা নিয়ে। ঠিকই একই ঘটনা ঘটেছে দানি আলভেস এবং নেইমারের ক্ষেত্রেও।

দীর্ঘ ৮ বছরে ন্যু ক্যাম্পকে আপন ঘর বানিয়ে ফেলেছিলেন দানি আলভেস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে সেই আপন ঘর থেকে বিদায় নিতে হয় নিরবে চোখের জল ফেলে। দল বদলাতে গিয়ে নেইমারকে তো বার্সেলোনার বিপক্ষে আইনী লড়াই করতে হচ্ছে।

ন্যু ক্যাম্পে নিজের এবং স্বদেশিদের এই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই ব্রাজিলিয়ান টিভি চ্যানেল এস্পোর্তে ইন্টারাতিভোকে রোনাল্ডো বলেছেন, বার্সেলোনায় দুর্দান্ত একটা বছরই কেটেছে আমার। তবে ন্যু ক্যাম্পের চেয়ে রিয়াল মাদ্রিদে অনেক বেশি সুখী এবং স্বাচ্ছন্দবোধ করেছি আমি।

রোনালদিনহো, রিভালদো ও নিজের উদাহরণ টেনে বলেছেন, শেষ পর্যন্ত আমার বার্সা অধ্যায়ের শেষটা ছিল খুবই বাজে। ঠিক নেইমারের মতো। বার্সেলোনা সব সময়ই ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়দের জন্য সমস্যা। নেইমার, রোনালদিনহো, রিভালদোর এবং আমি সবার ক্ষেত্রেই সমস্যা হয়েছে। সর্বোচ্চ অবদান এবং নিবেদন সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ক্লাব আমাদের সবার সঙ্গেই বাজে ব্যবহার করেছে।

গত গ্রীষ্মে নেইমার পিএসজিতে পাড়ি জমানোর পর ব্রাজিলিয়ান শূন্যই হয়ে পড়েছিল বার্সেলোনা। তবে কদিন পরই পাওলিনহোকে দলে ভেড়ায় বার্সা। ন্যু ক্যাম্পে এখনো পর্যন্ত সুখেই আছেন পাওলিনহো। এই অবস্থায়, নেইমারের বিকল্প হিসেবে আরও একজন ব্রাজিলিয়ানকে নিতে চাইছে বার্সেলোনা। কাতালন ক্লাবটির রাডারে আছে লিভারপুলের ফিলিপ কুতিনহো, ব্রাজিলিয়ান ক্লাব গ্রেমিও’র আর্থার এবং চীনা ক্লাব সাংহাই শেনহুয়ার অস্কার।

কিন্তু রোনাল্ডোর মতো একজন কিংবদন্তির মুখে এমন কথা শোনার পর তারা কেউ ন্যু ক্যাম্পে ঠিকানা গড়তে রাজি হবেন কিনা সেটাই দেখার বিষয়।

এই পাঁচজনকে চায় মেসির বার্সা



স্পোর্টস ডেস্ক: গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ন্যু ক্যাম্প ছেড়ে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইতে নতুন করে ঠিকানা গড়েন নেইমার। তখনই স্পেনের জায়ান্ট ক্লাব বার্সেলোনার ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিল অনেকে। তবে সেই নেইমারকে হারানোর প্রভাব মোটেও বুঝতে দেননি মেসি-সুয়ারেজরা।

বরং নেইমারকে ছাড়াই নতুন মৌসুমের শুরু থেকে দুর্দান্ত খেলছে কাতালান ক্লাবটি। স্প্যানিশ লা লিগা কিংবা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বার্সেলোনা সর্বত্রই উড়ছে। ইউরোপ সেরার টুর্নামেন্টের শেষ ষোল’র টিকিট কাটা বার্সেলোনা লা লিগাতেও দুর্বার।

এই মুহূর্তেও দুইয়ে থাকা দলটির সঙ্গে মেসি-সুয়ারেজদের পয়েন্ট ব্যবধান নয়! অর্থাৎ শিরোপা পুনরুদ্ধারে অনেকটাই এগিয়ে গেছে কাতালান ক্লাবটি। মৌসুমের শুরুতে স্প্যানিশ সুপার কাপে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হারার পর থেকে এখন পর্যন্ত অপরাজিত দল বার্সেলোনা।

২০১৭-১৮ মৌসুমেও আর্নেস্তো ভালভার্দের মূল ভরসা লিওনেল মেসি। তারপরও নিজেদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার লক্ষ্যে জানুয়ারির ট্রান্সফার উইন্ডোতে বেশ কয়েকজন তারকা খেলোয়াড়কে দলে ভেড়াতে চায় কাতালান ক্লাবটি।

স্প্যানিশ দৈনিক মার্কার মতে, এই তালিকায় সবার উপরে রয়েছেন আর্সেনালের জার্মান মিডফিল্ডার মেসুত ওজিল। এই মৌসুমের শেষে গানারদের সঙ্গে ওজিলের চুক্তির মেয়াদও শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চায় বার্সা।

কাতালানদের নজরে রয়েছেন শালকের দুই তারকা ম্যাক্স মেয়ার এবং লিওন গোরেতজকা। এছাড়াও ট্র্যান্সফার উইন্ডোতে আর্নেস্তো ভালভার্দে চোখ রাখছেন সিএসকেএ মসোকর ফরোয়ার্ড আলেকসান্দর গোলোভিন এবং লিওর নাবিল ফেকির।-মার্কা

কৌতিনহোকে বার্সায় যেতে সরাসরি মানা করলেন রোনালদো



নেইমার জুনিয়র চলে যাওয়ার পরেই বার্সা খোঁজা শুরু করে মেসি-সুয়ারেজদের জন্য আরেকজন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের। সেই তালিকায় সবার আগে ছিলো কোতিনহোর নাম। এর আগের সিজনে তো বার্সা কোতিনহোকে রাজীই করে ফেলেছিলো। কিন্তু লিভারপুলের অনড় অবস্থানের জনয আর যাওয়া হয়নি কোতিনহোর।

আর সেই কোতিনহোকে বার্সায় যাওয়ার জন্য সরাসরি মানা করে দিলেন আরেক ব্রাজিলিয়ান রোনালদো। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ন্যু-ক্যাম্পে ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়দের ঠিকমতো মূল্যায়ন না করার উদাহরণ তুলে ধরেন রোনাল্ডো। বার্সার চেয়ে বরং রিয়াল মাদ্রিদকে ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়দের ‘হোম’ মনে করেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী নায়ক।

রোনাল্ডো বলেন, ‘আমি (বার্সেলোনার চেয়ে) রিয়াল মাদ্রিদে বেশি স্বস্তি বোধ করি এবং তাদের সাথে থাকতে পছন্দ করি। যদিও বার্সেলোনায় আমি অসাধারণ একটি বছর কাটিয়েছি। ‘