নায়িকাদের বিয়ের পোশাকের দাম কত?

সিনেমার জন্য নায়িকাদের অসংখ্যবার বউ সাজতে হয়। একেক সিনেমায় তাঁরা বধূ বেশে হাজির হন একেকভাবে। কিন্তু আসল বিয়ের সঙ্গে আর পর্দার বিয়ের তুলনা হয়? নিজের বিয়েতে সবাই সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি পরতে চান। আর নায়িকারা যেহেতু ফ্যাশন দুনিয়ার মানুষ, তাঁদের বিয়ের পোশাকগুলো হয় দেখার মতো। মনের মতো পোশাক তৈরির জন্য লাখ লাখ রুপি খরচ করতে দ্বিধা করেন না তাঁরা। বলিউডের কয়েকজন নায়িকার বিয়ের পোশাকের দাম শুনলে চোখ কপালে উঠবে।

বিয়ের দিন শিল্পা শেঠি

শিল্পা শেঠি
বলিউড তারকা শিল্পা শেঠি অভিনয় করে তেমন পয়সাকড়ি আয় করতে পারেননি ঠিকই। কিন্তু ধনী ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রের সঙ্গে তাঁর বিয়ে বেশ ধুমধাম করে হয়েছে। বিয়ের দিন এই তারকা জনপ্রিয় ডিজাইনার তরুণ তেহলিয়ানির নকশা করা লাল শাড়ি পরেছিলেন। আট হাজার ক্রিস্টাল দিয়ে তৈরি এই শাড়ির দাম ৫০ লাখ রুপি। হবেই তো, শিল্পার বাগদানের আংটির দাম ছিল প্রায় তিন কোটি রুপি।

জেনেলিয়া ডি’সুজা ও রিতেশ দেশমুখের বিয়ের ছবি
জেনেলিয়া ডি’সুজা

বলিউড তারকা রিতেশ দেশমুখ ও জেনেলিয়া ডি’সুজা দীর্ঘদিন প্রেমের পর গাঁটছড়া বাঁধেন ২০১২ সালে। হিন্দু ও খ্রিষ্টান দুই মতেই তাঁর বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। মহারাষ্ট্রীয় রীতিতে বিয়ের সময় জেনেলিয়া পরেছিলেন নীতা লুলার নকশা করা একটি ভারী কাজের শাড়ি। শাড়িটির আনুমানিক দাম ছিল ১৭ লাখ রুপি।

এশা দেওলের এই শাড়ির দাম তিন লাখ রুপি
এশা দেওল
বলিউডের তারকা দম্পতি ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর বড় মেয়ে এশা দেওল নিজেও তারকা। ২০১২ সালে ভারত তাখতানিকে বিয়ে করেন এই ভারতীয় নায়িকা। বিয়ের দিন তিনিও পরেছিলেন নীতা লুলার নকশা করা একটি কাঞ্জিভরম। লাল টুকটুকে সেই কাঞ্জিভরমের দাম ছিল তিন লাখ রুপি।

কারিনা কাপুর খান পরেছিলেন শাশুড়ি শর্মিলা ঠাকুরের বিয়ের পোশাক
কারিনা কাপুর খান
২০১২ সালে কারিনা কাপুর খানও মিস থেকে মিসেস হয়েছেন। সাইফ আলী খানের সঙ্গে তাঁর বিয়ের আয়োজন ছিল অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ। বিয়ের সব অনুষ্ঠানেই দামি পোশাক পরেছিলেন এ অভিনেত্রী। বিয়ের দিন তাঁর পরনে ছিল শাশুড়ি শর্মিলা ঠাকুরের বিয়ের পোশাক। ডিজাইনারকে দিয়ে এই পোশাকে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছিল। ঐতিহ্যবাহী সেই পোশাকের দাম ১০ লাখ রুপির কাছাকাছি।

দিয়া মির্জার বিয়ের পোশাক তৈরি করতে খরচ হয়েছে ১৫ লাখ রুপি

দিয়া মির্জা
রিতু কুমারের নকশা করা একটি পোশাক পরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন নায়িকা দিয়া মির্জা। ২০১৪ সালে তাঁর বিয়ে হয় চলচ্চিত্র নির্মাতা সাহিল সংঘের সঙ্গে। মুঘল যুগের পোশাকের আদলে তৈরি এই পোশাকটি তৈরিতে খরচ হয়েছিল ১৫ লাখ রুপি। কথিত আছে, এই লেহেঙ্গার কিছু জায়গায় সোনা বসানো আছে। বলিউড শাদিস

নারী শরীর নিয়ে যে কয়টি ভুল ধারণা থাকে পুরুষদের

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : শিক্ষা-অশিক্ষা নিয়ে আমাদের চিন্তা ভাবনার শেষ নেই। কিন্তু আজও বহু পুরুষই বিশেষ ক্ষেত্রে কম জানে। কারণ বিশেষ মুহুর্তে তাদের সঠিক শিক্ষার অভাব। আজও আমাদের দেশে এর ঠিকঠাক চল নেই।

ফলে হয় বড়দের মুখে শুনে, নয়তো ভুল তথ্য সম্বলিত বই পড়ে পুরুষরা গোড়ায় তৈরি করে দৈহিক চাহিদার ধারণা। এই ধারণা তৈরির সময় নারীদেহ সম্পর্কে বহু ভুল কথা মনে গেঁথেই বেড়ে ওঠে পুরুষরা। পরে সে ভুল ভাঙে ঠিকই। কিন্তু তাতে দৈহিক শিক্ষার অভাবটা কোনওভাবেই অস্বীকার করা যায় না।

তা কোন কোন ভুল ধারণা পুরুষের মনে বাসা বেঁধে থাকে?

১) মহিলাদের শরীরে কোনও কেশ নেই। বহু পুরুষেরই প্রাথমিকভাবে এ ধারণা থাকে। হরমোনের কারণেই পুরুষ শরীর রোমশ। নারীশরীর সেভাবে রোমশ নয়। শরীরের যে অঙ্গগুলিতে রোম দেখা যেতে পারে, সেখান থেকে তা নির্মূল করারও আধুনিক পদ্ধতির দ্বারস্থ হন মহিলারা।

ফলত ধারণা গড়ে ওঠে যে, মহিলাদের শরীরে পিউবিক হেয়ার নেই। বস্তুত তা একেবারেই অর্থহীন। উলটে, দৈহিক তৃপ্তির ক্ষেত্রে এই কেশের গুরুত্ব আছে। ভুল ধারণার কারণে এই পুরো বিষয়টিতেই অন্ধকারে থাকে অধিকাংশ পুরুষ।

২) নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী তারা মেয়েদেরও এক ছাঁচে ফেলে দেন। কিন্তু সত্যিই সকল মেয়েরা এসব পছন্দ করে না। এতে তাদের নানা অসুবিধাও হয়। সে অসুবিধার কথা পুরুষরা জানেন না বলেই, বক্ষযুগল নিয়ে ভুল ধারণা তৈরি হয়। এই ধারণার বশবর্তী হয়ে পুরুষরা এমন অনেক কাজ করে ফেলেন, যাতে মহিলারা পরবর্তীকালে বিপাকে পড়েন।

৩) আবার অনেক পুরুষের ধারণা, প্রত্যেক মহিলারই বোধহয় যে কোনও সময় স্তনদুগ্ধ ক্ষরিত হয়। হরমোনাল চেঞ্জ, সন্তান হওয়ার পর যা যা নারীশরীরে সংঘটিত হয়, তা সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ধারণা থাকে না পুরুষদের। স্তনদুগ্ধ নিয়েও কোনও জ্ঞান তাদের সামনে তুলে ধরা হয় না। ফলে এই অস্বাভাবিক একটা ধারণা পুরুষদের মনে বাসা বেঁধে থাকে।

৫) নারীর ঋতুকালীন যন্ত্রণা নিয়েও পুরুষের বহু ভুল ধারণা থাকে। প্রথমত, সংস্কারের কারণে এটা নিয়ে কোনও আলোচনাই হয় না পুরুষদের সামনে। দক্ষিণ ভারতে তো প্রথা অনুযায়ী, এই সময় নারীরা পুরুষদের মুখদর্শন পর্যন্ত করেন না।

ফলে এই বিষয়টি নিয়ে পুরুষরা রীতিমতো ধোঁয়াশায় থাকেন। অথচ পরবর্তীতে সন্তানের জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে এই চক্র সম্পর্কে নারীর পাশাপাশি পুরুষেরও সম্যক ওয়াকিবহাল থাক উচিত। সেই জায়গাতে অনেকটাই পিছিয়ে থাকেন পুরুষরা।

ঈদ আড্ডায় শাকিব বুবলি; সেখানে কল করে এ কি বললেন অপু!! (ভিডিও)

ঈদ আড্ডায় শাকিব বুবলি; সেখানে কল করে এ কি বললেন অপু!! (ভিডিও) ঈদ আড্ডায় শাকিব বুবলি; সেখানে কল করে এ কি বললেন অপু!! (ভিডিও)  ঈদ আড্ডায় শাকিব বুবলি; সেখানে কল করে এ কি বললেন অপু!! (ভিডিও)

ঈদ আড্ডায় শাকিব বুবলি; সেখানে কল করে এ কি বললেন অপু!! (ভিডিও) ঈদ আড্ডায় শাকিব বুবলি; সেখানে কল করে এ কি বললেন অপু!! (ভিডিও)  ঈদ আড্ডায় শাকিব বুবলি; সেখানে কল করে এ কি বললেন অপু!! (ভিডিও)

https://youtu.be/oPYM5k61BBo

ফেসিয়ালের পর ত্বকের যত্নে যা করবেন না

অনেক সময় ফেসিয়াল করার পর ত্বক নাজুক হয়ে পড়ে। জেনে নিন ফেসিয়াল করার পর কী নিয়ম মেনে চললে ত্বকের ক্ষতি হবে না। ত্বক থাকবে সতেজ, প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল। আসুন বিস্তারিত জেনে নিই।

ফেসিয়ালের পর ত্বকের যত্নে যা করবেন না

ফেসিয়ালের পর ত্বকের যত্নে যা করবেন না

ফেসিয়ালের পর ত্বকের যত্নে যা করবেন না-

স্টিম বাথ
অনেকেই স্টিম বাথ নেন; কিন্তু ফেসিয়াল করার পর পরই স্টিম বাথ করা যাবে না। কেননা ত্বকের উজ্জ্বলতা আনার জন্য অনেক ফেসিয়ালেই স্টিম ব্যবহার করা হয়। তাই আবার স্টিম বাথ নিলে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যেতে পারে।

ফেসওয়াশ বা সাবান
ফেসিয়াল করার সময় যদি ব্লিচ ক্রিম ব্যবহার করা হয়, তবে পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে সাবান বা ফেসওয়াশ মুখে ব্যবহার করা যাবে না। কারণ ব্লিচ ক্রিমের সঙ্গে সাবান বা ফেসওয়াশ মিশে ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। এ ছাড়া ব্লিচ ক্রিম মুখের লোমের রং পরিবর্তন করে; তাই সাবান ব্যবহার করলে রংটা লোমে বসবে না।

ম্যাসাজ
ত্বক যদি পাতলা ও গায়ের রং ফরসা হয়, তাহলে ফেসিয়ালের পর পরই ম্যাসাজ করলে ত্বকে অনেক সময় লালচে মতো দাগ পড়ার আশঙ্কা থাকে। ফেসিয়াল করার তিন দিনের মধ্যে কোনো ধরনের ম্যাসাজ করবেন না।

ঘরোয়া মাস্ক
সবজি বা ফলের খোসা (কমলালেবু) দিয়ে বানানো মাস্ক লাগাবেন না। অধিকাংশ খোসাতে থাকে আলফা হাইড্রক্সি এসিড, সঙ্গে ভিটামিন-এ, এই উপাদানগুলো ত্বকে লালচে ভাব আনে। তাই ফেসিয়াল করার পর দু-তিন দিন মাস্ক লাগাবেন না।

সূর্যের তাপ
ফেসিয়ালের পর ত্বক নাজুক থাকে, তাই সূর্যের তাপ থেকে ত্বককে রক্ষা করা জরুরি।
ফেসিয়াল করার সময় ব্যবহৃত স্ক্রাবারের মধ্যে দানা থাকে, যার ফলে ত্বকে এক ধরনের অরক্ষিত পর্দার সৃষ্টি হয়। এই পর্দা সূর্যের তাপে সহজে পুড়ে যায়।

মেকআপ
ফেসিয়াল করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মেকআপ ব্যবহার না করাই ভালো। মেকআপের কারণে চুলকানি বা প্রদাহ দেখা দিতে পারে। যেসব প্রসাধনীতে কৃত্রিম রং বা সুগন্ধি দেওয়া থাকে সেগুলো ফেসিয়ালের পর একদমই ব্যবহার করা উচিত নয়।

ব্রণ
অনেকের ত্বকে ফেসিয়াল করার পর পরই ব্রণ দেখা দেয়। এ সময় ত্বক অনেক সতেজ থাকে। ফলে ব্রণ খুঁটলে দাগ বসে যায়। যদি ব্রণ উঠেই যায়, তাহলে খুঁটবেন না, দ্রুত সেরে যাবে।

হাত ধোয়া
ফেসিয়ালের পর ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল থাকে। তাই যখনই মুখে হাত দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে, হাত ভালো করে ধুয়ে নিন।

টিপস
* সুন্দর ত্বকের জন্য পানির কোনো বিকল্প নেই। শুধু ফেসিয়ালের পর নয়, সব সময়ই পানি পান করুন। এতে শরীর থেকে টক্সিন-জাতীয় পদার্থ বের হয়ে যাবে এবং ত্বক উজ্জ্বল হবে। ফেসিয়াল করার পরের ২৪ ঘণ্টা শুধু ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
* মুখের ত্বকে কোনো কিছু ব্যবহার করতে চাইলে ভালো ব্র্যান্ডের ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ব্যবহার করুন।
* ত্বক ভালো রাখতে মাসে একবার ফেসিয়াল করতে পারেন।

কেন পোশাকের রঙয়ের কথা মাথায় রাখবেন

ফ্যাশনে বা স্টাইলে রঙ অনেক জরুরি বিষয়। তাই আমাদের হাল ফ্যাশনে কি ধরণের পোশাক পরছেন তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল পোশাকের রঙ। একজন ব্যক্তি ফ্যাশনের ক্ষেত্রে কতটা সচেতন তা কিন্তু তার পোশাকের রঙের উপরেই নির্ভর করে। আপনার ব্যক্তিত্ব বহন করে আপনার পোশাকের রঙ। তাই জেনে নিন কোন অনুষ্ঠানে কি রঙের জামা আপনাকে বেশি মানাবে।

কেন পোশাকের রঙয়ের কথা মাথায় রাখবেন
কেন পোশাকের রঙয়ের কথা মাথায় রাখবেন
কেন পোশাকের রঙয়ের কথা মাথায় রাখবেন-

১. ফ্যামিলি পার্টিতে একটু তুলনামূলক উজ্জ্বল রঙের পোশাকই আপনাকে বেশি ভাল মানাবে। গ্রীষ্ম কালে রাতে অনুষ্ঠান থাকলে হালকা রঙের পোশাক আপনারে বেশি ভাল মানাবে। এক্ষেত্রে হালকা মেরুণ, গাঢ় আকাশী, ম্যাজেন্ডা, সিলভার, বটল গ্রিন, ডিপ পিঙ্ক রঙের পোশাক এক্ষেত্রে পরতে পারেন।

২. বাইরে বেড়াতে গেলে সাধারণত সেখানে অবশ্যই বেশ কিছুদিন কাটাবেন। তাই এক্ষেত্রে একেবারে হালকা রঙের পোষাকই সবচেয়ে উপযোগী। এছাড়াও বাইরে ঘুরতে বেড়িয়ে যদি হালকা রঙের পোশাক পরেন তবে এতে আপনাকে অনেক সতেজ ও প্রাণবন্ত বলে মনে হবে।

৩. অফিস যাওয়া মানেই যাতায়ের ঝক্কি। তাই এক্ষেত্রেও হালকা রঙের পোশাকই ভাল। কারণ গরম আবহাওয়া আপনাকে বিধ্বস্ত করে তুলতে পারে৷ সেক্ষেত্রে সাদা, আকাশী, ঘিরে, হালকা গোলাপী, ইত্যাদি রঙকে বেশি প্রাধান্য দিন৷ অফিসে ফরমাল পোশাক পরতে হলেও সেক্ষেত্রেও এই রংগুলো হতে পারে আইডিয়াল।

৪. কলেজ ক্যামপাস মানেই ছাত্র ছাত্রীদের ফরমাল পোশাক পরতে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্যাম্পাসে সময় থাকে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত। তাই হালকা রঙের পোশাক পরলে এক্ষত্রে আপনাকে যেমন মানাবে তেমনই আপনি আরামও বোধ করবেন। এক্ষেত্রে হালকা সবুজ,সাদা, ছাই, গোলাপী, ঘিরে রঙের পোশাক পড়তে পারেন৷ হালকা রঙের পোশাক পরলে গরম আবহাওয়া হলেও আপনার গরমে অস্বস্তি কম অনুভব হবে।

৫. তরুণ প্রজন্মের কাছে আড্ডা মারা মানেই একটি উৎসবের মত। কিন্তু আড্ডা মূলত সন্ধ্যাবেলাতেই জমে। তাই সেক্ষেত্রে একটু উজ্জ্বল রঙের পোশাক পরা যেতেই পারে। তবে সাদা বা ক্রিম রঙও হতে পারে আইডিয়াল। এছাড়াও তুতে, হলুদ, হালকা সবুজ, বাদামী রঙের পোশাক বেশ ভাল মানায়।

অন্যান্য টিপস:

১. গায়ের রং, উচ্চতা ও ওজনের সঙ্গে মানানসই পোশাক পরুন।

২. অনেকের থাই মোটা হতে পারে সেক্ষেত্রে টাইট সেলোয়ার না পরে পাতিয়ালা ব্যবহার করতে পারেন৷ লেগিংস এড়িয়ে চলতে পারেন।

৩. যাদের হাত মোটা তারা হাতা লং বা থ্রি কোয়ার্টার স্লিভ জামা পড়ুন। স্লিভ লেস বা ছোট হাতা একেবারেই পরবেন না।

৪. আপনার শরীরের গড়ন মোটা হলে শাড়িতে কুঁচি কম দিয়ে আঁচল বড় রাখুন। চেহারা স্লিম হলে শাড়িতে সরু করে অনেকগুলো কুঁচি দিয়ে পরুন।

৫. যারা মোটা তারা ব্লাউজের ক্ষেত্রে ছোট প্রিন্ট বা স্ট্রেট চেক কাটের থ্রি-কোয়ার্টার ব্লাউজ পরুন।

৬. যাদের কাঁধ চওড়া তারা ব্লাউজ বা চুড়িদারে ভি শেপের গলা দিতে পারেন। এতে আপনাকে বেশি মোটা বলে মনে হবে না।

নিজেই বানান ঘরোয়া লিপবাম

লিপবাম মনের মতো খুঁজে পাচ্ছেন না। একেবারে রঙবিহীন লিপবামও চাচ্ছেন না, আবার পছন্দের রঙটাও মেলাতে পারছেন না বাজারের লিপবামগুলোতে। তবে বানিয়ে নেয়ার কথা ভাবছেন না কেনো? আবার হয়তো লিপস্টিক জমে আছে প্রসাধনীর টেবিলে। দেয়া হয় না তেমন একটা। বরং লিপবামে স্বস্তি পান আপনি। সেক্ষেত্রে লিপস্টিকের জায়গায় লিপবাম বানিয়ে নেয়াটা কেমন হয়, ভাবুন তো?

খুব সহজেই নিজের হাতে বানিয়ে নেয়া যায়, এমন একটি জিনিষ হলো এই লিপবাম এবং বাড়তি কোন ঝামেলাও নেয়া লাগবে না এর জন্য। হয়তো যা যা প্রয়োজন তার সবকিছু আপনার ঘরে আগে থেকেই রয়েছে। কেবল একটুখানি সময় বরাদ্দ করুন এই কাজে, আর হাত-পা ঝেড়ে কাজে লেগে পড়ুন!

নিজেই বানান ঘরোয়া লিপবাম-

নিজেই বানান ঘরোয়া লিপবাম
নিজেই বানান ঘরোয়া লিপবাম
যা যা লাগছে-

ব্যবহৃত রঙ হিসেবে লিপস্টিক বা কালারড চ্যাপস্টিক
ভ্যাসলিন
নারকেল/জলপাই/আমন্ড তেল
সংরক্ষণের কৌটো
মিশ্রণ গলানোর উপযোগী পাত্র
এবার জেনে নেয়া যাক কী করে বানাবেন আপনার লিপবাম-

লিপবামে রঙ কেমন চাচ্ছেন, হালকা না গাঢ় তা আপনার পছন্দ মতো ঠিক করে নিন। কেননা রঙ সে অনুপাতে মেশাতে হবে। কোন লিপস্টিকের পুরোটাই মিলিয়ে দেবেন নাকি খানিকটা নেবেন, তা আপনার পছন্দ মতন হবে অবশ্যই।

যতোটুক তৈরি করতে চাচ্ছেন সেই পরিমাণে ভ্যাসলিন নিন। নারকেল বা জলপাই তেল ইচ্ছে হলে মিশিয়ে নিন ভ্যাসলিনের সাথে। ঠোঁটের যত্নে উপকারী, তাই খানিকটা তেল থাকতেই পারে আপনার লিপবামে।

লিপস্টিক কেটে নিন যতোটা লাগবে লিপবামে। বলাই বাহুল্য, লিপবামের রঙ হালকা হলে অল্প পরিমাণে লিপস্টিক নেবেন আর রঙ গাঢ় করতে চাইলে লিপস্টিক বেশি নেবেন।

যে পাত্রে নিয়ে চুলায় গলতে দেবেন মিশ্রণটা তাতে সবকিছুই একেবারে দিয়ে দিন। এবারে ভালো মতন অল্প আঁচে গলিয়ে নিন লিপবাম।

গলানো হয়ে গেলে কৌটোয় ঢেলে রাখুন। ঠান্ডা হবার জন্য একটু সময় দিন। তারপর দিন দুয়েক ফ্রিজে রাখুন কৌটোটা যাতে বাম ভালো করে জমতে পারে। আপনার নিজের বানানো লিপবাম ব্যবহারের জন্য পুরো তৈরি এবার!

দৈনন্দিন রূপচর্চায় কার্যকরী কিছু টিপস

প্রতিদিন কাজে বাইরে গেলে অথবা বাসায় বিভিন্ন কাজে আমরা ব্যস্ত থাকি। আর এইসব কাজের মধ্যেই আমাদের অনেক রকমের সমস্যা হতে পারে যা আমরা অনেক সময় সহজে প্রতিকার করতে পারি।

আবার রূপচর্চার কিছু ছোট ছোট সমস্যার সমাধান অনেক কম সময়ে করতে পারি। ব্যস্ততায় নিজের শরীর স্বাস্থ্যের খেয়াল আমরা নিয়মিত রাখতে পারিনা বলে অনেক সমস্যাই হয়। এসবের সমাধানও আমরা চাইলে অল্প কিছু টিপস ফলো করলে প্রতিকার পেতে পারি।

দৈনন্দিন রূপচর্চায় কার্যকরী কিছু টিপস-

দৈনন্দিন রূপচর্চায় কার্যকরী কিছু টিপস
দৈনন্দিন রূপচর্চায় কার্যকরী কিছু টিপস
নিচে এমন কিছু টিপস দেয়া হলো-

ত্বকের রং আরও ফর্সা করার জন্য টক দই লাগান মুখে। যাদের ত্বক শুষ্ক তাঁরা মধু ও দই মিশিয়ে নিন। মিনিট বিশেক রাখুন মুখে, তারপরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এরকম লাগাতে হবে।
প্রাণখোলা হাসি শারীরিক চাপ এবং স্ট্রেস মুক্ত হতে সাহায্য করে। একটি ভালো হাসির পরে ৪০ মিনিট পর্যন্ত শরীরের পেশী শিথিল থাকে।
কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে কয়েকদিন ঠোটে ঘষুন ,কালো দাগ উঠে যাবে।
রসুন, পিয়াজ, আমলকী আর কোকোনাট অয়েল একসাথে মিশিয়ে হাল্কা গরম করে মাথায় দিয়ে শ্যাম্পু করুন। এটি চুল বৃদ্ধি করবে আর চুল পরা বন্ধ করবে।
একটি হট ওয়াটার ব্যাগে গরম পানি ভরে আপনার কপালে ও ঘাড়ে লাগান। এর ফলে ওই স্থানের মাসেলগুলো রিলেক্স হবে এবং মাথা ব্যথা ও টেনশন কমবে।
কয়েকটি পেয়ারা পাতা নিন। তারপর এক গ্লাস পানিতে সিদ্ধ করুন। এবার ওই পানি দিয়ে কুলকুচি করুন। দাঁত ব্যাথা কমে যাবে।
তরমুজের বীচি বেটে ত্বকে লাগালে ত্বক ভালো থাকে। এ ছাড়া ত্বকে সরাসরি তরমুজের বীচির তেল লাগালে ব্রণের সমস্যা দূর হয়ে যায়।
খালি পেটে ফলের রস পান করা, কিংবা ফল খাওয়া ডায়াবেটিস রোধে খুবই কার্যকর। তবে দেখা গেছে, স্বাদে তিতা ফলের রস খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে করোল্লা বা উচ্ছা জাতীয় খাবার সাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এগুলো জুস বা ভাঁজি করে খাওয়া যেতে পারে। এজন্য অবশ্য আপনার নিয়মিত খাবারের তালিকা পরিবর্তনের দরকার হবে না।
ঘাড়, গলায় ও মুখে পাউডার লাগানোর সময় হালকা ভেজা স্পঞ্জ ব্যবহার করুন। কমপ্যাক্ট পাউডার সহজে সেট করবে এবং বেশিক্ষণ মেকআপটিকে থাকবে।
নিয়মিত সাইকেল চালালে ওজন কমে। সাইকেল চালালে ক্যালোরি খরচ বৃদ্ধি পায় এবং মেটাবলিজম বা বিপাকের হার বৃদ্ধি করে, যার ফলে ওজন কমতে সাহায্য করে।
নেল পলিশ ব্যবহারের আগে স্বচ্ছ নেল পলিশ লাগান। এতে নখ হলুদ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
অনেক সময় কোক, পেপসির বোতল ফ্রিজে রেখে দিলেও ঠাণ্ডা হতে সময় নেয়। এক টুকরো ভেজা তোয়ালে দিয়ে বোতলটি পেঁচিয়ে রাখুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যে কোকের বোতল ঠান্ডা হয়ে গেছে।
ছিঁড়ে যাওয়া ব্যাগের বেল্ট আপাতত আটকাতে সেফটিপিন ব্যাবহার করুন।
গরম পানি শরীরের বিপাক ক্রিয়া খুব ভালোভাবে সম্পন্ন করে। যার ফলে বাড়তি মেদ কমবে। তবে আরো বেশি কাজ দিবে যদি সকালে খালি পেটে গরম পানির সাথে লেবু মিশ্রিত করে পান করেন। এটা বডি ফ্যাট ভাঙতে সাহায্য করবে।
চুল বড় হোক কিংবা ছোট, খুশকি থেকে বাঁচতে চাইলে তা কখনোই ভেজা অবস্থায় আঁচড়ানো যাবে না।
টুথ পেস্ট আর লবণ মিশিয়ে নাকে লাগিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। তারপর ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন নাকে কোন ব্ল্যাকহেডস এবং হোয়াইটহেডস নেই।
যদি মুখে কালো দাগ হয়ে যায় তাহলে শশা, পেঁপে আর টমেটোর রস সম পরিমাণে মিশিয়ে মুখে লাগান৷ এই লেপটা যখন শুকিয়ে যাবে তখন দ্বিতীয় বার আবার এই লেপটা লাগান৷ এইভাবে তিন-চার বার এই লেপটা লাগান৷ ২০মিনিট লেপটা লাগিয়ে রাখার পরে মুখটা ভালো করে উষ্ণ জল দিয়ে ধুয়ে নিন৷
মধু ও দুধ একসঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহারে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে।
রোদে পোড়া দাগ দূর করতেচিনি ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসেজ করা যেতে পারে। একটি লেবুর অর্ধেকটা রস করে গোসলের পানিতে বা বাথটবে মিশিয়ে নিলে তা ত্বক ও হাত সুন্দর নরম করবে৷ হাতের নখে হলুদ দাগ থাকলে তার ওপর তাজা লেবুর রস কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে, সেই দাগও একেবারে উঠে যাবে এবং নখও শক্ত হবে।
কয়েক ফোটা বাদাম বা নারকেল তেল হাতে নিয়ে আস্তে আস্তে চুলের আগায় লাগিয়ে নিন৷ এতে চুলের আগা ফাটা বন্ধ হয়ে চুলকে করবে মসৃণ, সুন্দর৷
তক সুস্থ রাখতে রাতে শোবার আগে ভালোভাবে মুখ ধুয়ে নিবেন। মুখে মেকাপ থাকলে ভালোভাবে তুলে ফেলতে হবে।
শুষ্ক তকের জন্য ৩ ৪ চামচ গরম দুধের মধ্যে ১ চামচ মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিন। এই প্যাকটা ময়শ্চারাইজারের কাজ করবে৷ এই প্যাকটা ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্বলতা বাড়বে।
আমলকীর তৈরি তেল চুলের জন্য অনেক বেশি উপকারী। এটি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে চুল পরা কমে, চুলের বাদামী ভাব দূর হয়, চুল দ্রুত বড় হয়, খুশকি মুক্ত থাকে, চুল ঘন হয়।
সময় অল্প হলেও নিজের প্রতি খেয়াল রাখাটা কিন্তু জরুরি।এসব টিপস ফলো করলে আশা করি অনেক ভাল ফল পাবেন।নিজের শরীর স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখুন,ভালো থাকুন।

ত্বক ফর্সা ও উজ্জল করার সবচেয়ে কার্যকরি উপায়

হ্যাঁ, আপনি চাইলে কিন্তু মাত্র এক রাতেই আপনার ত্বককে আগের চাইতে অনেক উজ্জ্বল ও ফর্সা করে ফেলতে পারবেন। আগামীকাল কোথাও বেড়াতে যাবেন বা প্রিয় মানুষটির সাথে দেখা হবে, এদিকে আপনাকে দেখাচ্ছে কালচে আর মলিন? একদম চিন্তা করবেন না। আজ রাতেই সেরে ফেলুন ছোট্ট এই রূপচর্চা আর সকাল উঠে দেখুন কেমন ফর্সা, উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত দেখাচ্ছে আপনাকে। একই সাথে ত্বক হয়ে উঠেছে একদম শিশুদের মতই নরম ও কোমল!

ত্বক ফর্সা ও উজ্জল করার সবচেয়ে কার্যকরি উপায়-

ত্বক ফর্সা ও উজ্জল করার সবচেয়ে কার্যকরি উপায়
ত্বক ফর্সা ও উজ্জল করার সবচেয়ে কার্যকরি উপায়
যা যা লাগবে
খাঁটি গোলাপ জল (ঘরেও তৈরি করে নিতে পারেন)
গরুর খাঁটি দুধ (কাঁচা)

যা করবেন
-প্রথমেই মুখটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। তুলোতে ক্লিনজিং মিল্ক মেখে তোকে বুলিয়ে নিন। তারপর হালকা কুসুম গরম পানি ও ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। ভালো করে পানির ঝাপটা দেবেন। ত্বক পরিষ্কার না হলে উপায়টি ভালো কাজ করবে না।
-তোয়ালে দিয়ে আলতো করে মুখ মুছে নিন। এরপর বাতাসে শুকিয়ে যেতে দিন।
-মুখে এখন আর কিছু মাখবেন না। পানি শুকিয়ে যেতে যেতে প্যাকটি তৈরি করে নিন।
-সম পরিমাণ গোলাপ জল ও কাঁচা দুধ একত্রে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি পরিষ্কার হাত দিয়ে মুখে মাখুন।
-অপেক্ষা করুন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। তারপর মুখ না ধুয়েই ঘুমিয়ে পড়ুন।
-বালিশে মুখ চেপে ঘুমাবেন না, এতে প্যাকটি মুছে যাবে। একটু সাবধানে ঘুমালেই ভালো।
-সকালে উঠে স্বাভাবিক পানি দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন। আর নিজেকে দেখুন আয়নায়। লাগছে না আগের চাইতে অনেক বেশি ফর্সা ও উজ্জ্বল?