কিভাবে ঘরোয়া ৩টি উপায়ে ত্বকের দাগ দূর করবেন

বকের রঙ যেমনই হোক না কেন ত্বক যদি পরিষ্কার থাকে তাহলেই আসল সৌন্দর্য ফুটে উঠে। রঙ ফর্সাকারী কেমিক্যাল যুক্ত ক্রিম, ফেসওয়াশ, মাস্ক ব্যবহার করে যদি শুধু ত্বকের রঙ ফর্সা করতে গিয়ে ত্বকে ব্রণের দাগ বা ছোপ ছোপ দাগ করে ফেলেন তাহলে কি তা দেখতে ভালো দেখাবে? মোটেই নয়। তাই রঙ ফর্সাকারী নয় বরং ত্বকের দাগ দূর করার দিকে নজর দিন।

আজকে জেনে নিন ব্রণের দাগ, রোদে পোড়া দাগ বা অন্যান্য সমস্যায় ত্বকে দাগ পড়ার যন্ত্রণা থেকে মুক্ত থাকার ঘরোয়া গোপন ৩ টি কৌশল।

ঘরোয়া ৩টি উপায়ে ত্বকের দাগ দূর করুন-
কিভাবে ঘরোয়া ৩টি উপায়ে ত্বকের দাগ দূর করবেন
কিভাবে ঘরোয়া ৩টি উপায়ে ত্বকের দাগ দূর করবেন
১) টমেটো ও বেসনের মাস্ক

বেসন ত্বকের দাগ দূর করতে অনেক আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ত্বকের নানা ধরণের দাগ দূর করতে এর জুড়ি নেই।
– ২ টেবিল চামচ বেসনের সাথে প্রয়োজন মতো টমেটো রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।

– এরপর এই পেস্টটি মুখ, ঘাড় ও গলায় ভালো করে লাগিয়ে নিন।

– ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

– সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করবেন এই মাস্কটি।
২) শসা ও লেবুর রসের মাস্ক

লেবুর রসের ব্লিচিং এজেন্ট ত্বকের দাগ ফিকে হয়ে আসতে সহায়তা করে এবং শসা প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজার হিসেবে ত্বকের যত্ন নেয়।

– ৩ টেবিল চামচ শসা ও ৩ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রন তৈরি করে নিন।

– এই মিশ্রণটি মুখ, ঘাড় ও গলায় লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট।

– এরপর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এই মাস্কটি প্রতিদিনই ব্যবহার করতে পারবেন।
৩) দুধ, মধু ও লেবুর রসের মাস্ক

প্রাচীনকাল থেকেই দুধ ও মধু রূপচর্চায় ব্যবহার হয়ে আসছে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিহীন উপাদান বলে এর কদর রয়েছে বেশ।

– ১ টেবিল চামচ দুধ, ১ টেবিল চামচ মধু ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন ভালো করে।

– এরপর মুখ, ঘাড় ও গলায় লাগিয়ে রাখুন মাত্র ১০ মিনিট।

– পানি দিয়ে ধুয়ে নিন ভালো করে এবং তোয়ালে আলতো চেপে মুখ শুকিয়ে ফেলুন।

– সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।

তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ফেসপ্যাক

রাতে ঘুম ভালো না হলে কিংবা আগের দিনটি ভালো না কাটলে পরিমিত ঘুম হলেও ত্বক অনেকটা মলিন দেখায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি মলিন কালচে ত্বক নজরে পড়ে তাহলে মনটাই খারাপ হয় যায়। দিনের শুরুটাই নষ্ট। আর যদি সেই দিন স্পেশাল কিছু থাকে তাহলে তো কথাই নেই, দিনটাই মাটি। অনেকেই ভাবেন তাৎক্ষণিকভাবে তো আর ত্বক উজ্জ্বল করা যাবে না এবং ত্বকের কালচে ভাবও দূর করা যাবে না, তাহলে কি করা যায়। চিন্তা করবেন না, তাৎক্ষণিক ভাবেই ত্বকের উজ্জলতা ফিরে পাওয়ার রয়েছে দারুণ কার্যকরী কৌশল। আজকে চলুন শিখে নেয়া যাক কৌশলটি।

তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ফেসপ্যাক-
তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ফেসপ্যাক
তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ফেসপ্যাক

যা যা লাগবে:
>৩ টেবিল চামচ চাল
>৩ টেবিল চামচ তিলবীজ
>১ কাপ পানি

পদ্ধতি:

প্রথমে চাল ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিন এরপর তিল ও পানি একসাথে মিশিয়ে ১ কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারারাত।
>সকালে পানি ঝড়িয়ে হামান দিস্তায় পিষে অথবা গ্রাইন্ডারে গ্রাইন্ড করে মিশ্রণ তৈরি করুন। একেবারে মিহি করে ফেলবেন না, আবার অনেক বড় দানাও রাখবেন না এভাবে পিষে নিন।
>এই মিশ্রণটি সকালে স্ক্রাবের মতো করে পুরো ত্বকে লাগিয়ে নিন এবং ২ মিনিট রেখে দিন।
>২ মিনিট পর আলতো করে ঘষে নিন এবং ঠাণ্ডা পানিতে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
>আপনি চাইলে এই স্ক্রাবটি দিয়ে পুরো দেহ স্ক্রাব করে নিতে পারেন দেহের ত্বকের তাৎক্ষণিক উজ্জলতার জন্য।
>একটি এয়ার টাইট কনটেইনারে ভরে ৭ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন এই স্ক্রাবটি। তবে ভালো ফলাফলের জন্য দুদিন পর পর নতুন করে মিশ্রণ বানিয়ে নিন।

কার্যকারণ:
অনেকে ভাবতে পারেন এই প্যাকটি ব্যবহারের ফলে ঠিক কি কারণে ত্বকে তাৎক্ষণিকভাবে উজ্জ্বলতা আসবে। তাহলে জেনে নিন এর কার্যকারণ-
>চালের দানা ত্বকে স্ক্রাবের মতো ব্যবহৃত হয়, যার ফলে ত্বকের উপরের মরা চামড়া খুব ভালো করে দূর হয়ে যায়। সেই সাথে ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা ময়লা দূর করে ত্বকের আসল দীপ্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।
>তিলবীজ ত্বকের জন্য অনেক কাজকরি একটি উপাদান। তিলের তেল অনেক আগে থেকেই রূপচর্চার কাজে ব্যবহার হয়ে আসছে। এই মিশ্রণের পিষে নেয়া তিল ত্বককে নারিশ ও ময়েসচারাইজ করে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে তাৎক্ষণিকভাবেই।

কোন জিনিসটি সপ্তাহে ১বার ব্যবহার করলে যৌবন থাকবে আজীবন

সৌন্দর্যের দিক থেকে জাপানিজ নারীরা সবসময়েই অনবদ্য। বিশেষ করে তাঁদের ঝলমলে চুল এবং নিখুঁত ত্বকের কারণে। এমন অনেক জাপানিজ চিত্রনায়িকা ও মডেলরা আছেন যাঁদের সত্যিকারের বয়স অনেক বেশি, কিন্তু দেখলে মনে হয় এখনও ফুরফুরে যৌবন ধরা রয়েছে! বিশ্বজুড়েই জাপানিজ নারীদের এই চির যৌবনের একটা রহস্যের বিষয় বৈকি।মজার ব্যাপার হচ্ছে, তাঁদের এই চির যৌবনের পেছনে যে উপাদানটি সবচেয়ে বেশি কাজ করে তা হল ‘ভাত’। কি, অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, জাপানিজদের বয়স ধরে রাখে ভাতের তৈরি একটি ফেস প্যাক।

যৌবন

আসুন তাহলে জেনে নিই সেই জাদুকরী ফেসপ্যাকটির কথা,যে জিনিসটি সপ্তাহে ১বার ব্যবহার করলে থাকবে আজীবন যৌবন ধরে রাখার নিশ্চয়তা।

যৌবন ধরে রাখার উপকরণ:
৩ টেবিল চামচ ভাত
১ টেবিল চামচ মধু
১ টেবিল চামচ গরম দুধ

চাল সিদ্ধ করুন। অর্থাৎ ভাত রান্না করুন। এবার চাল থেকে পানি আলাদা করে ফেলুন বা মাড় ফেলে দিন।
-গরম ভাত চটকে নিন, নাহলে পরে শক্ত হয়ে যাবে। এর সাথে হালকা গরম বা উষ্ণ দুধ এবং মধু দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।

-প্রথমে মুখ ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সম্ভব হলে কোন হালকা ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
মুখ শুকিয়ে গেলে ভাতের প্যাকটি মুখ ও ঘাড়ে ভাল করে লাগান।
-প্যাকটি শুকিয়ে গেলে ভাত সিদ্ধ পানি বা মাড় দিয়ে মুখ ও ঘাড় ধুয়ে ফেলুন।
– যৌবন দরে রাখতে সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

যৌবন ধরে রাখার এই প্যাকটি যেভাবে কাজ করে
ভাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই যা ত্বককে ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষা করে থাকে ও তারুণ্য ধরে রাখে। তার সাথে সাথে সানবার্নও প্রতিরোধ করে। এছাড়া এতে লিনোলিক এসিড যা ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।

ভাতের মাড়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আছে যা ত্বকের পানির পরিমাণ বজায় রাখার পাশপাশি রক্ত চলাচল ঠিক রাখে।

ব্রণের দাগ দূর করার ৮টি সহজ উপায় জেনে নিন

ব্রন খুবই অস্বস্তিকর একটি সমস্যা। কম বেশি সবাই এ সমস্যায় ভোগেন। তবে মুখে ব্রন উঠে যতটা না অস্বস্তিতে ফেলে তার থেকে বেশি অস্বস্থি হয় যখন ব্রণের দাগ মুখে গেড়ে বসে। আর তখনই ভর করে দুশচিন্তার। যার কারনে ব্রনের প্রকপ আরও বেড়ে যায় এবং তার থেকে সৃষ্টি হয় দাগের। তাই ব্রন ও ব্রনের দাগের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য রয়েছে ব্রণের দাগ(Acne scars) দূর করার সহজ ৮ টি উপায়। চলুন জেনে নেই ব্রণের দাগ দুর করার উপায়গুলি –ব্রণের দাগ
ব্রণের দাগ দূর করার ৮টি সহজ উপায় জেনে নিন

১. ব্রণের দাগ দূর করতে মধু একটি কার্যকারি উপাদান। রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে মধু লাগান। সারারাত তা রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে তা ধুয়ে ফেলুন।

২. মধুর সাথে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে শুধুমাত্র দাগের উপর লাগিয়ে ১ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। চাইলে সারারাতও রাখতে পারেন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনার মুখের দাগ দূর হয়ে গোছে।

৩. ২-৩ টি এস্পিরিন ট্যাবলেট এর সাথে ২ চামচ মধু(Honey) ও ২-৩ ফোঁটা পানি মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। এস্পিরিন এর স্যালিসাইলিক এসিড ব্রণের দাগ দূরের জন্য খুবই সহায়ক।

৪. ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও সামান্য পানি একসাথে মিশিয়ে মুখে ২-৩ মিনিট ঘষুন এবং শুকানোর জন্য কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর মুখ ধুয়ে এর উপর কোনও ময়েশ্চারাইজার ক্রিম বা অলিভ অয়েল লাগান। সপ্তাহে অন্তত দু’দিন এটি ব্যাবহার করুন, ভালো ফল পাবেন।

৫. দিনে দুইবার অ্যালোভেরা(Alovers) জেল মুখে লাগান এবং ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি শুধুমাত্র ব্রণের দাগই দূর করবে না, বরং আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে এবং টানটান হবে।

৬. একটি লাল টমেটোর কিছু অংশ নিয়ে তার রস নিন। এরপর তা শশার রসের সাথে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার এই প্যাকটি লাগান। ব্রণের দাগ দূর তো হবেই সেই সাথে রোদে পোড়া দাগ দূর হয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

৭. লেবু একটি প্রাকৃতিক ব্লিচ। লেবুর রসের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে একটি তুলার বলের সাহায্যে তা মুখে ৩-৪ মিনিট ঘষুন। যদি সেনসিটিভ স্কিন হয় তাহলে এর সাথে গোলাপ জল(rose water) মিশিয়ে নিবেন। সম্ভব হলে ১ চামচ লেবুর রসের সাথে ২ চামচ ই ক্যাপসুল মিশিয়ে ত্বকে লাগাতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

৮. ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ আমন্ড তেল(Amand oil), ২ টেবিল চামচ দুধ একসাথে মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। একটানা ৭-১০ দিন এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্রণ থাকা অবস্থায় দুধ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।-সূত্র: উইমেন্স মেকওভার।

ব্রন খুবই অস্বস্তিকর একটি সমস্যা। কম বেশি সবাই এ সমস্যায় ভোগেন। তবে মুখে ব্রন উঠে যতটা না অস্বস্তিতে ফেলে তার থেকে বেশি অস্বস্থি হয় যখন ব্রণের দাগ মুখে গেড়ে বসে। আর তখনই ভর করে দুশচিন্তার। যার কারনে ব্রনের প্রকপ আরও বেড়ে যায় এবং তার থেকে সৃষ্টি হয় দাগের। তাই ব্রন ও ব্রনের দাগের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য রয়েছে ব্রণের দাগ(Acne scars) দূর করার সহজ ৮ টি উপায়। চলুন জেনে নেই ব্রণের দাগ দুর করার উপায়গুলি –ব্রণের দাগ
ব্রণের দাগ দূর করার ৮টি সহজ উপায় জেনে নিন

১. ব্রণের দাগ দূর করতে মধু একটি কার্যকারি উপাদান। রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে মধু লাগান। সারারাত তা রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে তা ধুয়ে ফেলুন।

২. মধুর সাথে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে শুধুমাত্র দাগের উপর লাগিয়ে ১ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। চাইলে সারারাতও রাখতে পারেন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনার মুখের দাগ দূর হয়ে গোছে।

৩. ২-৩ টি এস্পিরিন ট্যাবলেট এর সাথে ২ চামচ মধু(Honey) ও ২-৩ ফোঁটা পানি মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। এস্পিরিন এর স্যালিসাইলিক এসিড ব্রণের দাগ দূরের জন্য খুবই সহায়ক।

৪. ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও সামান্য পানি একসাথে মিশিয়ে মুখে ২-৩ মিনিট ঘষুন এবং শুকানোর জন্য কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর মুখ ধুয়ে এর উপর কোনও ময়েশ্চারাইজার ক্রিম বা অলিভ অয়েল লাগান। সপ্তাহে অন্তত দু’দিন এটি ব্যাবহার করুন, ভালো ফল পাবেন।

৫. দিনে দুইবার অ্যালোভেরা(Alovers) জেল মুখে লাগান এবং ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি শুধুমাত্র ব্রণের দাগই দূর করবে না, বরং আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে এবং টানটান হবে।

৬. একটি লাল টমেটোর কিছু অংশ নিয়ে তার রস নিন। এরপর তা শশার রসের সাথে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার এই প্যাকটি লাগান। ব্রণের দাগ দূর তো হবেই সেই সাথে রোদে পোড়া দাগ দূর হয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

৭. লেবু একটি প্রাকৃতিক ব্লিচ। লেবুর রসের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে একটি তুলার বলের সাহায্যে তা মুখে ৩-৪ মিনিট ঘষুন। যদি সেনসিটিভ স্কিন হয় তাহলে এর সাথে গোলাপ জল(rose water) মিশিয়ে নিবেন। সম্ভব হলে ১ চামচ লেবুর রসের সাথে ২ চামচ ই ক্যাপসুল মিশিয়ে ত্বকে লাগাতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

৮. ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ আমন্ড তেল(Amand oil), ২ টেবিল চামচ দুধ একসাথে মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। একটানা ৭-১০ দিন এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্রণ থাকা অবস্থায় দুধ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।-সূত্র: উইমেন্স মেকওভার।

ত্বকের যত্নে মসুর ডালের ফেসপ্যাক

মসুর ডালে থাকা প্রোটিন এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান যখন স্কিনে প্রবেশ করে, তখন স্কিন টোন বদলে যেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ত্বকের উজ্জলতা বাড়তে থাকে।। তাই আজ মসুর ডাল(Lentils) লাগিয়ে কিভাবে নানা ধরনের ফেসপ্যাক বানাতে হয়, সে সম্পর্কে জেনে নিন। মসুর ডাল দিয়ে ফেসপ্যাক বানাতে গেলে প্রথমে ডালটি গুঁড়ো করে পাউডার বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই পাইডারের সঙ্গে মেলাতে হবে অন্যান্য উপাদান।ত্বকের
ত্বকের যত্নে মসুর ডালের ফেসপ্যাক

১. মসুর ডাল এবং মধু:
আপনার ত্বক কি খুব ড্রাই। সেই সঙ্গে বলি রেখাও দেখা দিতে শুরু করেছে নাকি? তাহলে আর সময় নষ্ট না করে মসুর ডালের পাউডারের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে নিয়ে নিয়মিত মুখে লাগাতে শুরু করুন। তাহলেই দেখবেন ধীরে ধীরে বলি রেখা কমতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ত্বকের (Skin) ড্রাইনেসও কমে যাবে। এক্ষেত্রে প্রথমে ১ চা চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মেশাতে হবে। এরপর ভাল করে দুটি উপাদান মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রনটি মুখে লাগাতে হবে। ১৫ মিনিট পেস্টটি মুখে ঘষার পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখটা দুয়ে নিলেই দেখুন ত্বকের জেল্লা!

২. মসুর ডাল, বেসন এবং দই:
ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে বেসন এবং দইয়ের কোনোও বিকল্প নেই বললেই চলে। তার ওপর যদি এই মিশ্রনে অল্প করে মসুর ডাল মিশিয়ে দিতে পারেন, তাহলে তে কথাই নেই! কারণ এই তিনটি উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে বানানো পেস্টটি এত মাত্রায় পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর হয় যে ত্বক সুন্দর হয়ে উঠতে সময়ই লাগে না। এই পেস্টটি বানাতে প্রথমে ১ চা চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে সম পরিমাণ বেসন(Beans) এবং দই মেশাতে হবে। সঙ্গে যোগ করতে পারেন অল্প করে হলুদও। এবার সবকটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে মুখে লাগাতে হবে। কিছু সময় অপেক্ষা করার পর মুখ ধুয়ে নিতে হবে।

৩. মসুর ডাল এবং গাঁদা ফুল:
পরিমাণ মতো মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে সম পরিমাণ গাঁদা ফুল মিশিয়ে ভাল করে বেটে নিয়ে এই পেস্টটি বানাতে হবে। তারপর সেটি কম করে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর ধুয়ে ফেলতে হবে। প্রসঙ্গত, ড্রাই স্কিনের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ব্রণর প্রকোপ কমাতে এবং ত্বককে নরম তুলতুলে করে তুলতেও এই ফেস মাস্কটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪. মসুর ডাল আর দুধ:
ত্বকের উপরিঅংশে জমে থাকা মৃত কোষের স্থর সরিয়ে স্কিনকে প্রাণবন্ত করে তুলতে এই ফেসপ্যাকটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে সপ্তাহে দুবার পরিমাণ মতো মসুর ডালের পাউডারের সঙ্গে অল্প করে দুধ মিশিয়ে যদি মুখে লাগানো যায়, তাহলে ত্বকের সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলা বা স্কিন বুড়িয়ে যাওয়ার মতো দুশ্চিন্তা একেবারে দূরে পালায়।

৫. মুখের চুল পরিষ্কার করে:
অনেক নারীই আছেন যাদের মুখে অযাচিত চুল থাকে। এমন সমস্যা থেকে নিস্তার পেতে ১ চামচ মসুর ডাল পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ চালের পাউডার মিশিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। সঙ্গে যোগ করতে হবে ১ চামচ দুধ এবং বাদাম তেল(Almond oil)। সবকটি উপাদান মেশানোর পর মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে।

বয়স লুকানোর ১৭ টি কার্যকরী টিপস

সকলেই চায় অন্যের কাছে নিজেকে একটু স্মার্ট ভাবে তুলে ধরতে। চায় তার বয়সটাকে একটু কমাতে। কিন্তু সেটাতো আর সম্ভব নয়। তার পরও চেহারার মসৃনতা ধরে রাখতে আপনাদের সামনে কিছু টিপষ তুলে ধরা হল। এ গুলো অনুসরন করলে আসাকরি ভালো ফল পাবেন।

বয়স লুকানোর ১৭ টি কার্যকরী টিপস
বয়স লুকানোর ১৭ টি কার্যকরী টিপস

১. প্রতিদিন কম পক্ষে ৩-৪ লিটার পানি পান করুন।

২. সবুজ শাক-সবজি জাতিয় খাবার বেশি করে খাবেন।

৩. স্বাস্হ্যের ক্ষতি হয় এমন খাবার থেকে দূরে থাকুন।

৪. অনিয়মিত কোন কিছুই ভালোনা। সময় মত খাওয়া দাওয়া ও নিয়মিত ঘুম পড়ুন।

৫. খাটি মধু সংগ্রহ করুন এবং রাত্রে ঘুমানোর আগে একটু করে মধু খাবেন। আর পারলে মুখে মেখে একটু পরে ধুয়ে
ফেলুন।

৬. প্রতিদিন নিয়মিত ব্যয়াম করুন।

৭. সব কাজ আত্মবিশ্বাসের সাথে করুন।

৮. মনকে সব সময় আনন্দে রাখার চেষ্টা করুন। সময় পেলে নাচ গান আবৃতি করুন।

৯. প্রতিদিন নাপারলেও মাঝে মাঝে জীবন সঙ্গীরসাথেিআপনাদের পছন্দের স্হান থেকে ঘুরে আসুন।

১০. প্রকৃতিক সৈন্দর্যকে ভালোবাসুন যেমন আকাশ-বাতাস পাহাড়-পর্বত নদ-নদী ইত্যাদি।

১১. আতিরিক্ত প্রসাধনি ব্যবহার থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।

১২. নিজেকে ধৈর্যশীল করার চেষ্টা করুন।

১৩. সব সময় হাসি খুসি থাকার চেষ্টা করুন।

১৪. মাঝে মাঝে প্ররিশ্রম করুন।

১৫. খওয়ার পর পর বিছানায় গা এলিয়ে দিবেন না। কম পক্ষে খাওয়র ৩০ মিনিট পর শুবেন।

১৬. কারো সাথে ছলনা করবেন না। বিশেষ করে আপনার ভালোবাসায় ছলনা করবেন না।

১৭. প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে শিরদাঁড়া সোজা রেখে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস করুন।

আপনার জন্য আরো কিছু পোষ্ট:
চুলে শ্যাম্পু করার কিছু টিপস।না দেখলে লস করবেন

কীভাবে মাত্র দুই সপ্তাহে গায়ের রঙ ফর্সা করবেন?
আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ
Share this:

সকলেই চায় অন্যের কাছে নিজেকে একটু স্মার্ট ভাবে তুলে ধরতে। চায় তার বয়সটাকে একটু কমাতে। কিন্তু সেটাতো আর সম্ভব নয়। তার পরও চেহারার মসৃনতা ধরে রাখতে আপনাদের সামনে কিছু টিপষ তুলে ধরা হল। এ গুলো অনুসরন করলে আসাকরি ভালো ফল পাবেন।

বয়স লুকানোর ১৭ টি কার্যকরী টিপস
বয়স লুকানোর ১৭ টি কার্যকরী টিপস

১. প্রতিদিন কম পক্ষে ৩-৪ লিটার পানি পান করুন।

২. সবুজ শাক-সবজি জাতিয় খাবার বেশি করে খাবেন।

৩. স্বাস্হ্যের ক্ষতি হয় এমন খাবার থেকে দূরে থাকুন।

৪. অনিয়মিত কোন কিছুই ভালোনা। সময় মত খাওয়া দাওয়া ও নিয়মিত ঘুম পড়ুন।

৫. খাটি মধু সংগ্রহ করুন এবং রাত্রে ঘুমানোর আগে একটু করে মধু খাবেন। আর পারলে মুখে মেখে একটু পরে ধুয়ে
ফেলুন।

৬. প্রতিদিন নিয়মিত ব্যয়াম করুন।

৭. সব কাজ আত্মবিশ্বাসের সাথে করুন।

৮. মনকে সব সময় আনন্দে রাখার চেষ্টা করুন। সময় পেলে নাচ গান আবৃতি করুন।

৯. প্রতিদিন নাপারলেও মাঝে মাঝে জীবন সঙ্গীরসাথেিআপনাদের পছন্দের স্হান থেকে ঘুরে আসুন।

১০. প্রকৃতিক সৈন্দর্যকে ভালোবাসুন যেমন আকাশ-বাতাস পাহাড়-পর্বত নদ-নদী ইত্যাদি।

১১. আতিরিক্ত প্রসাধনি ব্যবহার থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।

১২. নিজেকে ধৈর্যশীল করার চেষ্টা করুন।

১৩. সব সময় হাসি খুসি থাকার চেষ্টা করুন।

১৪. মাঝে মাঝে প্ররিশ্রম করুন।

১৫. খওয়ার পর পর বিছানায় গা এলিয়ে দিবেন না। কম পক্ষে খাওয়র ৩০ মিনিট পর শুবেন।

১৬. কারো সাথে ছলনা করবেন না। বিশেষ করে আপনার ভালোবাসায় ছলনা করবেন না।

১৭. প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে শিরদাঁড়া সোজা রেখে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস করুন।

আপনার জন্য আরো কিছু পোষ্ট:
চুলে শ্যাম্পু করার কিছু টিপস।না দেখলে লস করবেন

কীভাবে মাত্র দুই সপ্তাহে গায়ের রঙ ফর্সা করবেন?
আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য এখানে কমেন্ট করে জানান।তাছাড়া অপনারা কোন ধরণের পোষ্ট চান তাও জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ
Share this:

মেয়েদের সেফ পিরিয়ড কখন হয়? এই সময়ে কী সেক্স করা যায়?

সেফ পিরিয়ড মানে যে সময় কোন প্রতিরোধক (কনডম বা এ জাতীয়) ছাড়াই দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেন, এক্সিডেন্টালী প্রেগন্যান্ট হওয়ার ভয় থাকবে না। জেনে নিন কিভাবে সেক্স করলে গার্লফ্রেন্ড প্রেগন্যান্ট হবেনা?

সেফ পিরিয়ড

সেফ পিরিয়ড বা উর্বর সময়

ধরলাম কোন মেয়ের পিরিয়ড হয় ৩০ দিন পর পর (কম বেশিও হতে পারে) এবং এই মাসে তার পিরিয়ড শুরু হয়েছিলো ১ তারিখে। তার আগের মাসেও ১ তারিখে। এটাকে এক সাইকেল বলা হয়। নরম্যালি ওভুলেশন হয় সাইকেলের মাঝামাঝি সময়ে, ধরলাম ১৪ দিনে। তাহলে ১৪ তারিখে ওভুলেশন হচ্চে। এই ওভুলেশনের হওয়ার আগের এক সপ্তাহ ও পরের এক সপ্তাহ ফার্টাইল বা উর্বর সময়। এসময়ে প্রোটেকশন না নিলে প্রেগন্যান্ট হবেই। তাহলে মাসের ৭ তারিখ থেকে ২১ তারিখ প্রটেকশন ছাড়া এগোনো যাবে না। বাকী সময় সেফ, থিওরিটিক্যালী কোন প্রটেকশনের দরকার নেই তহলে সেফ পিরিয়ড কি বিষয়টা পরিষ্কার হলো।এটা ন্যাচারাল পদ্ধতি, তবে সমস্যা হলো পিরিয়ড এর ডেট বিয়ের পর বদল হতে দেখা যায়। এবং অনেকের ক্ষেত্রে সাইকেলটাও স্ট্যাবল থাকে না। পিরিয়ড বিষয়ে আরো পোষ্ট পড়ু এখানে

সেফ পিরিয়ড মানে যে সময় কোন প্রতিরোধক (কনডম বা এ জাতীয়) ছাড়াই দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেন, এক্সিডেন্টালী প্রেগন্যান্ট হওয়ার ভয় থাকবে না। জেনে নিন কিভাবে সেক্স করলে গার্লফ্রেন্ড প্রেগন্যান্ট হবেনা?

সেফ পিরিয়ড

সেফ পিরিয়ড বা উর্বর সময়

ধরলাম কোন মেয়ের পিরিয়ড হয় ৩০ দিন পর পর (কম বেশিও হতে পারে) এবং এই মাসে তার পিরিয়ড শুরু হয়েছিলো ১ তারিখে। তার আগের মাসেও ১ তারিখে। এটাকে এক সাইকেল বলা হয়। নরম্যালি ওভুলেশন হয় সাইকেলের মাঝামাঝি সময়ে, ধরলাম ১৪ দিনে। তাহলে ১৪ তারিখে ওভুলেশন হচ্চে। এই ওভুলেশনের হওয়ার আগের এক সপ্তাহ ও পরের এক সপ্তাহ ফার্টাইল বা উর্বর সময়। এসময়ে প্রোটেকশন না নিলে প্রেগন্যান্ট হবেই। তাহলে মাসের ৭ তারিখ থেকে ২১ তারিখ প্রটেকশন ছাড়া এগোনো যাবে না। বাকী সময় সেফ, থিওরিটিক্যালী কোন প্রটেকশনের দরকার নেই তহলে সেফ পিরিয়ড কি বিষয়টা পরিষ্কার হলো।এটা ন্যাচারাল পদ্ধতি, তবে সমস্যা হলো পিরিয়ড এর ডেট বিয়ের পর বদল হতে দেখা যায়। এবং অনেকের ক্ষেত্রে সাইকেলটাও স্ট্যাবল থাকে না। পিরিয়ড বিষয়ে আরো পোষ্ট পড়ু এখানে

সেফ পিরিয়ড মানে যে সময় কোন প্রতিরোধক (কনডম বা এ জাতীয়) ছাড়াই দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেন, এক্সিডেন্টালী প্রেগন্যান্ট হওয়ার ভয় থাকবে না। জেনে নিন কিভাবে সেক্স করলে গার্লফ্রেন্ড প্রেগন্যান্ট হবেনা?

সেফ পিরিয়ড

সেফ পিরিয়ড বা উর্বর সময়

ধরলাম কোন মেয়ের পিরিয়ড হয় ৩০ দিন পর পর (কম বেশিও হতে পারে) এবং এই মাসে তার পিরিয়ড শুরু হয়েছিলো ১ তারিখে। তার আগের মাসেও ১ তারিখে। এটাকে এক সাইকেল বলা হয়। নরম্যালি ওভুলেশন হয় সাইকেলের মাঝামাঝি সময়ে, ধরলাম ১৪ দিনে। তাহলে ১৪ তারিখে ওভুলেশন হচ্চে। এই ওভুলেশনের হওয়ার আগের এক সপ্তাহ ও পরের এক সপ্তাহ ফার্টাইল বা উর্বর সময়। এসময়ে প্রোটেকশন না নিলে প্রেগন্যান্ট হবেই। তাহলে মাসের ৭ তারিখ থেকে ২১ তারিখ প্রটেকশন ছাড়া এগোনো যাবে না। বাকী সময় সেফ, থিওরিটিক্যালী কোন প্রটেকশনের দরকার নেই তহলে সেফ পিরিয়ড কি বিষয়টা পরিষ্কার হলো।এটা ন্যাচারাল পদ্ধতি, তবে সমস্যা হলো পিরিয়ড এর ডেট বিয়ের পর বদল হতে দেখা যায়। এবং অনেকের ক্ষেত্রে সাইকেলটাও স্ট্যাবল থাকে না। পিরিয়ড বিষয়ে আরো পোষ্ট পড়ু এখানে

সেফ পিরিয়ড মানে যে সময় কোন প্রতিরোধক (কনডম বা এ জাতীয়) ছাড়াই দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেন, এক্সিডেন্টালী প্রেগন্যান্ট হওয়ার ভয় থাকবে না। জেনে নিন কিভাবে সেক্স করলে গার্লফ্রেন্ড প্রেগন্যান্ট হবেনা?

সেফ পিরিয়ড

সেফ পিরিয়ড বা উর্বর সময়

ধরলাম কোন মেয়ের পিরিয়ড হয় ৩০ দিন পর পর (কম বেশিও হতে পারে) এবং এই মাসে তার পিরিয়ড শুরু হয়েছিলো ১ তারিখে। তার আগের মাসেও ১ তারিখে। এটাকে এক সাইকেল বলা হয়। নরম্যালি ওভুলেশন হয় সাইকেলের মাঝামাঝি সময়ে, ধরলাম ১৪ দিনে। তাহলে ১৪ তারিখে ওভুলেশন হচ্চে। এই ওভুলেশনের হওয়ার আগের এক সপ্তাহ ও পরের এক সপ্তাহ ফার্টাইল বা উর্বর সময়। এসময়ে প্রোটেকশন না নিলে প্রেগন্যান্ট হবেই। তাহলে মাসের ৭ তারিখ থেকে ২১ তারিখ প্রটেকশন ছাড়া এগোনো যাবে না। বাকী সময় সেফ, থিওরিটিক্যালী কোন প্রটেকশনের দরকার নেই তহলে সেফ পিরিয়ড কি বিষয়টা পরিষ্কার হলো।এটা ন্যাচারাল পদ্ধতি, তবে সমস্যা হলো পিরিয়ড এর ডেট বিয়ের পর বদল হতে দেখা যায়। এবং অনেকের ক্ষেত্রে সাইকেলটাও স্ট্যাবল থাকে না। পিরিয়ড বিষয়ে আরো পোষ্ট পড়ু এখানে

যৌন মিলনের সময় আপনার সঙ্গিনী কি ব্যাথা পাচ্ছেন? জেনে নিন সমাধান

যৌন মিলনে ব্যথা একটি সচরাচর বিষয়। এমন অনেক বিবাহিত যুগল আছেন যারা যৌন মিলন / শাররীক মিলন করতে পারেন না, কারন স্ত্রী মিলনকালে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন।

যৌন
ব্যথাযুক্ত যৌনমিলনকে ডিসপারিউনিয়া (dyspareunia) ও বলা হয়।
সেক্সের পূর্বে যৌন শক্তি বাড়াবার ঔষধ সেবন কি আদেও উচিত ?

যৌন মিলনে বা শাররীক মিলন যে সকল কারনে যন্ত্রনাদায়ক হতে পারেঃ
নারী প্রয়োজনীয় মাত্রায় যৌন উত্তেজিত না হওয়ায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শাররীক মিলনে যন্ত্রনার সৃষ্টি করে। নারীর মনে যৌন চিন্তা/উত্তেজনা আসার ফলে তার গোপনাঙ্গে এক প্রকার পিচ্ছিল আঠালো তরল নিঃস্বরিত হয়ে যোনীকে ভিজিয়ে তোলে, যা সর্বপ্রকার ঘর্ষণ মসৃন করে এবং ব্যথাহীন ভাবে পুরুষাঙ্গের যাতায়ত নিশ্চিত করে।

যদি আপনি সম্পুর্ন উত্তেজিত হওয়া সত্বেও যৌনমিলনে ব্যথা অনুভব করছেন তাহলে একজন ডাক্তারের নিরিক্ষনে যেনে নিন আপনি নিন্মলিখিত কোন সমস্যায় ভুগছেন কিনা?
ডাক্তার আপনাকে নিচের প্রশ্নগুলো সহ আরো কিছু আনুষাঙ্গিক বিষয় জিজ্ঞেস করবেন –
ব্যথা কি যোনীমুখ ও তার আশপাশে নাকি অনেক ভিতরে/গভীরে?
ব্যথা কি ডান কিংবা বাম পাশে নাকি উভয় পাশে?
আপনার কি মেরুদন্ড কিংবা পিঠে কোন ব্যথা আছে?

ব্যথাটি কি রকম অনুভত হয়: গভীর বেদনা / ক্ষতের মত যন্ত্রনা / জ্বালাপোড়া / তীক্ষ এবং ছুরি দিয়ে খোঁচানোর মত?
আপনি কি শুধু শাররীক মিলনকালে ব্যথা অনুভব করেন নাকি মিলনের আগে পরেও ব্যথা থাকে?
ব্যথা কি একেক সময় একেক প্রকার এবং যৌন আসন পরিবর্তনের ফলে পরিবর্তিত হয়?
যদি আপনার যৌন উত্তেজনা/উত্তাপের ঘাটতি অন্য কোন শাররীক কিংবা স্বাস্থ্যগত কারনে না হয় তাহলে নিন্মলিখিত টিপস্ গুলো ব্যবহার করে শাররীক মিলনকালে যন্ত্রনা থেকে মুক্ত থাকতে পারেন –
* প্রশান্ত থাকুনঃ

যৌনকর্ম শুরু করার পুর্বে, গভীর ভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিন এবং মানসিক প্রশান্তি অর্জনে স্থির থাকুন। শাররীক মিলনের প্রাক্কালে গরমকালে ঠান্ডা এবং শীতকালে ঈষৎ উষ্ণ পানিতে গোসল করে নিন। হালকা রিলাক্সেশান মিউজিক চালিয়ে রাখতে পারেন।

* সম্পর্কের বৈরি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করুনঃ
আপনার সঙ্গীর কোন বিশেষ বিষয়ে আপনার যদি কোন অপছন্দ থাকে তাহলে হয়তো শাররীক মিলন তত একটা মজাদার বিষয় হয়না। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে আন্তরিক সম্পর্ক না থাকলে যৌনমিলনে মানসিক প্রশান্তি আসবে না। কোন খাবার এর প্রতি অরুচি থাকলে যেমন তা স্বাদহীন মনে হয় তেমনি সম্পর্কের বৈরিতা শাররীক মিলনকে যন্ত্রনাদায়ক করে তোলে। তাই ব্যথাহীন মিলনের জন্য সম্পর্কের উন্নতী জরুরী।

* পিলভিক ফ্লোর পেশী শক্তিশালী করুনঃ
কিগ্যাল এক্সেরসাইজের মাধ্যমে (কিগ্যাল এক্সেরসাইজের পদ্ধতি পুর্বে বর্ননা করা হয়েছে) আপনার পিলভিক ফ্লোর পেশি শক্তিশালী করুন। পিলভিক এক্সেরসাইজের ফলে যৌনাঙ্গে রক্তসঞ্চালন প্রক্রিয়া জোরলো হয়, ফলে যৌনউত্তেজনায় যৌনাঙ্গ পুর্নমাত্রায় মিলনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে যা মিলনকালে ব্যথামুক্তিতে সহায়তা করে।

* ব্যথার বিষয়টি আপনার স্বামীকে বলুনঃ
আমাদের দেশের অনেক নারী লজ্জার কারনে অনেক সময় ব্যথা সহ্য করে যান। কিন্তু শাররীক মিলনে ব্যথা অনুভুত হলে তা অবশ্যই আপনার স্বামীকে বলতে হবে। কারন দুই জনের মানসিক এবং শাররীক প্রশান্তির নিশ্চয়তাই সুখি দাম্পত্য জীবনের প্রধান হাতিয়ার।

* ভিন্ন আসন চেষ্টা করুনঃ
শরীরের নির্দিষ্ট কোন অংশে চাপ পড়ার কারনেও যৌনমিলনে ব্যথার কারন হতে পারে। আসন ভঙ্গীর কারনে হয়তো কোন হাড়-জোড়ে ব্যথার সৃষ্টি করছে অথবা কোন নির্দিষ্ট কৌনিক অবস্থানে লিঙ্গ প্রতিস্থাপনের ফলে মিলনে ব্যথা অনুভুত হচ্ছে। আসন পরিবর্তন করে দেখুন – হয়তো ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে।

যৌন মিলনে ব্যথা একটি সচরাচর বিষয়। এমন অনেক বিবাহিত যুগল আছেন যারা যৌন মিলন / শাররীক মিলন করতে পারেন না, কারন স্ত্রী মিলনকালে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন।

যৌন
ব্যথাযুক্ত যৌনমিলনকে ডিসপারিউনিয়া (dyspareunia) ও বলা হয়।
সেক্সের পূর্বে যৌন শক্তি বাড়াবার ঔষধ সেবন কি আদেও উচিত ?

যৌন মিলনে বা শাররীক মিলন যে সকল কারনে যন্ত্রনাদায়ক হতে পারেঃ
নারী প্রয়োজনীয় মাত্রায় যৌন উত্তেজিত না হওয়ায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শাররীক মিলনে যন্ত্রনার সৃষ্টি করে। নারীর মনে যৌন চিন্তা/উত্তেজনা আসার ফলে তার গোপনাঙ্গে এক প্রকার পিচ্ছিল আঠালো তরল নিঃস্বরিত হয়ে যোনীকে ভিজিয়ে তোলে, যা সর্বপ্রকার ঘর্ষণ মসৃন করে এবং ব্যথাহীন ভাবে পুরুষাঙ্গের যাতায়ত নিশ্চিত করে।

যদি আপনি সম্পুর্ন উত্তেজিত হওয়া সত্বেও যৌনমিলনে ব্যথা অনুভব করছেন তাহলে একজন ডাক্তারের নিরিক্ষনে যেনে নিন আপনি নিন্মলিখিত কোন সমস্যায় ভুগছেন কিনা?
ডাক্তার আপনাকে নিচের প্রশ্নগুলো সহ আরো কিছু আনুষাঙ্গিক বিষয় জিজ্ঞেস করবেন –
ব্যথা কি যোনীমুখ ও তার আশপাশে নাকি অনেক ভিতরে/গভীরে?
ব্যথা কি ডান কিংবা বাম পাশে নাকি উভয় পাশে?
আপনার কি মেরুদন্ড কিংবা পিঠে কোন ব্যথা আছে?

ব্যথাটি কি রকম অনুভত হয়: গভীর বেদনা / ক্ষতের মত যন্ত্রনা / জ্বালাপোড়া / তীক্ষ এবং ছুরি দিয়ে খোঁচানোর মত?
আপনি কি শুধু শাররীক মিলনকালে ব্যথা অনুভব করেন নাকি মিলনের আগে পরেও ব্যথা থাকে?
ব্যথা কি একেক সময় একেক প্রকার এবং যৌন আসন পরিবর্তনের ফলে পরিবর্তিত হয়?
যদি আপনার যৌন উত্তেজনা/উত্তাপের ঘাটতি অন্য কোন শাররীক কিংবা স্বাস্থ্যগত কারনে না হয় তাহলে নিন্মলিখিত টিপস্ গুলো ব্যবহার করে শাররীক মিলনকালে যন্ত্রনা থেকে মুক্ত থাকতে পারেন –
* প্রশান্ত থাকুনঃ

যৌনকর্ম শুরু করার পুর্বে, গভীর ভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিন এবং মানসিক প্রশান্তি অর্জনে স্থির থাকুন। শাররীক মিলনের প্রাক্কালে গরমকালে ঠান্ডা এবং শীতকালে ঈষৎ উষ্ণ পানিতে গোসল করে নিন। হালকা রিলাক্সেশান মিউজিক চালিয়ে রাখতে পারেন।

* সম্পর্কের বৈরি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করুনঃ
আপনার সঙ্গীর কোন বিশেষ বিষয়ে আপনার যদি কোন অপছন্দ থাকে তাহলে হয়তো শাররীক মিলন তত একটা মজাদার বিষয় হয়না। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে আন্তরিক সম্পর্ক না থাকলে যৌনমিলনে মানসিক প্রশান্তি আসবে না। কোন খাবার এর প্রতি অরুচি থাকলে যেমন তা স্বাদহীন মনে হয় তেমনি সম্পর্কের বৈরিতা শাররীক মিলনকে যন্ত্রনাদায়ক করে তোলে। তাই ব্যথাহীন মিলনের জন্য সম্পর্কের উন্নতী জরুরী।

* পিলভিক ফ্লোর পেশী শক্তিশালী করুনঃ
কিগ্যাল এক্সেরসাইজের মাধ্যমে (কিগ্যাল এক্সেরসাইজের পদ্ধতি পুর্বে বর্ননা করা হয়েছে) আপনার পিলভিক ফ্লোর পেশি শক্তিশালী করুন। পিলভিক এক্সেরসাইজের ফলে যৌনাঙ্গে রক্তসঞ্চালন প্রক্রিয়া জোরলো হয়, ফলে যৌনউত্তেজনায় যৌনাঙ্গ পুর্নমাত্রায় মিলনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে যা মিলনকালে ব্যথামুক্তিতে সহায়তা করে।

* ব্যথার বিষয়টি আপনার স্বামীকে বলুনঃ
আমাদের দেশের অনেক নারী লজ্জার কারনে অনেক সময় ব্যথা সহ্য করে যান। কিন্তু শাররীক মিলনে ব্যথা অনুভুত হলে তা অবশ্যই আপনার স্বামীকে বলতে হবে। কারন দুই জনের মানসিক এবং শাররীক প্রশান্তির নিশ্চয়তাই সুখি দাম্পত্য জীবনের প্রধান হাতিয়ার।

* ভিন্ন আসন চেষ্টা করুনঃ
শরীরের নির্দিষ্ট কোন অংশে চাপ পড়ার কারনেও যৌনমিলনে ব্যথার কারন হতে পারে। আসন ভঙ্গীর কারনে হয়তো কোন হাড়-জোড়ে ব্যথার সৃষ্টি করছে অথবা কোন নির্দিষ্ট কৌনিক অবস্থানে লিঙ্গ প্রতিস্থাপনের ফলে মিলনে ব্যথা অনুভুত হচ্ছে। আসন পরিবর্তন করে দেখুন – হয়তো ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে।

আমি পারছিলাম না সে জোড় করে ভিতরে ঢুকাতেই….

আমরা সব সময় বলে থাকি যে, জীবন থাকলে সমস্যা থাকবে, আর সমস্যা থাকলে উত্তরনের উপায়ও থাকবে। কিছু কিছু সমস্যা প্রকট অবার কিছু সমস্যা সামান্য। সব সমস্যা মোকাবেলা করে জীবনকে এগিয়ে নিতে হবে। আমি একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছি। সবার জীবনেই প্রেম ভালোবাসা আসে এটা চিরন্তন সত্য। কোনভাবেই এটা অস্বীকার করার উপায় নেই, আমার জীবনেও এসেছিলো। তবে আমি সফল নয় এক্ষেত্রে, আর সেই মর্মবেদনায় আমি ধুকে ধুকে মরছি, আপু আমার প্রথম সম্পর্ক হয়েছিল ক্লাস নাইনে থাকতে। এরপর থেকেই ঘটনার সুত্রপাত।

আমি অনেক বুঝানোর চেষ্টা করতেছি এতে ভয়ের কিছু নেই। ও কিছুতেই বুঝেনা। তারপর দিন অনেক কস্টে ওকে রাজি করালাম। দুজনের বিয়ে হয় এইতো কিছুদিন আগে, আমার wife ডিগ্রি ফাস্ট ইয়ার এ পড়ে। দু ফেমিলির সম্মতিতে দুজনের বিয়ে হয়। আমাদের বিয়ের ২য় দিনে বাসর হয়। আমাদের দুজনকে বাসর ঘরে দেয়া হল।

কিন্তু সেদিন দুজনের মধ্যে কিছুই হয়নি। কারন সে বলল আজ আমার অনেক ঘুম আসছে কালকে হবে। তো আমি চাচ্ছিলাম দুজনের সম্মতি ক্রমে সম্পর্ক হোক। তাই আর কিছু বলিনি। যাই হোক সে রাত একরকম কেটে গেল।

তবে তারপর দিন রাতে ঘটল আরেক কাহিনী। সে বলল আজকে থাক এসব আমি অনেক ভয় পাই। তো আমি অনেক বুঝানোর চেষ্টা করতেছি এতে ভয়ের কিছু নেই। ও কিছুতেই বুঝেনা। তারপর দিন অনেক কস্টে ওকে রাজি করালাম।

একটু চাপ দিতেই সে চিৎকার দিয়ে উঠে। ঢুকাতেই দেয়না। জোড়করে একটু চাপ দেয়াতে কিছুটা ভিতরে ঢুকল। তার সে কি চিল্লাচিল্লি। দেখলাম কিছুটা ব্লাড বের হল। তারপর থেকে সে আরও ভয় পায়।

আমরা সব সময় বলে থাকি যে, জীবন থাকলে সমস্যা থাকবে, আর সমস্যা থাকলে উত্তরনের উপায়ও থাকবে। কিছু কিছু সমস্যা প্রকট অবার কিছু সমস্যা সামান্য। সব সমস্যা মোকাবেলা করে জীবনকে এগিয়ে নিতে হবে। আমি একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছি। সবার জীবনেই প্রেম ভালোবাসা আসে এটা চিরন্তন সত্য। কোনভাবেই এটা অস্বীকার করার উপায় নেই, আমার জীবনেও এসেছিলো। তবে আমি সফল নয় এক্ষেত্রে, আর সেই মর্মবেদনায় আমি ধুকে ধুকে মরছি, আপু আমার প্রথম সম্পর্ক হয়েছিল ক্লাস নাইনে থাকতে। এরপর থেকেই ঘটনার সুত্রপাত।

আমি অনেক বুঝানোর চেষ্টা করতেছি এতে ভয়ের কিছু নেই। ও কিছুতেই বুঝেনা। তারপর দিন অনেক কস্টে ওকে রাজি করালাম। দুজনের বিয়ে হয় এইতো কিছুদিন আগে, আমার wife ডিগ্রি ফাস্ট ইয়ার এ পড়ে। দু ফেমিলির সম্মতিতে দুজনের বিয়ে হয়। আমাদের বিয়ের ২য় দিনে বাসর হয়। আমাদের দুজনকে বাসর ঘরে দেয়া হল।

কিন্তু সেদিন দুজনের মধ্যে কিছুই হয়নি। কারন সে বলল আজ আমার অনেক ঘুম আসছে কালকে হবে। তো আমি চাচ্ছিলাম দুজনের সম্মতি ক্রমে সম্পর্ক হোক। তাই আর কিছু বলিনি। যাই হোক সে রাত একরকম কেটে গেল।

তবে তারপর দিন রাতে ঘটল আরেক কাহিনী। সে বলল আজকে থাক এসব আমি অনেক ভয় পাই। তো আমি অনেক বুঝানোর চেষ্টা করতেছি এতে ভয়ের কিছু নেই। ও কিছুতেই বুঝেনা। তারপর দিন অনেক কস্টে ওকে রাজি করালাম।

একটু চাপ দিতেই সে চিৎকার দিয়ে উঠে। ঢুকাতেই দেয়না। জোড়করে একটু চাপ দেয়াতে কিছুটা ভিতরে ঢুকল। তার সে কি চিল্লাচিল্লি। দেখলাম কিছুটা ব্লাড বের হল। তারপর থেকে সে আরও ভয় পায়।

মাত্র ১০ মিনিটে ফর্সা উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার ঘরোয়া সেরা উপায়!

মাত্র ১০ মিনিটেই ফর্সা উজ্জ্বল চেহারা পাওয়ার ঘরোয়া উপায়। প্রতিদিনের শুরুটা হয় আমাদের কর্মব্যস্ততার মাঝে। দৌড়া-দৌড়ি আর হৈ-চৈ এর মধ্যে দিয়ে দিনটা শেষ হয় আমাদের। আর এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজেকে সময় কতটুকুই বা দিতে পারেন?ঘণ্টার পর ঘণ্টা রূপচর্চা করা তো দূরের কথা! কিন্তু তা বলে তো আর রূপের সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ় করা যায় না। চেহারা উজ্জ্বল দেখানো চাই চটজলদি। কীভাবে? জেনে নিন চেহারায় ইনস্ট্যান্ট গ্লো পাওয়ার টিপস –

১০ মিনিটে চেহারায় উজ্জ্বলতা পেতে যে উপকরণগুলি লাগবে :
১। সুইট আমন্ড অয়েল
২। ভিটামিন ই ট্যাবলেট
৩। অ্যালোভেরা জেল
৪। লেবু

ব্যবহার পদ্ধতি :
সামান্য আমন্ড অয়েল, তাতে দু’টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল যোগ করুন। মিশ্রণটির মধ্যে সামান্য অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন ভালো করে। যাতে সব উপাদান ভালো করে মিশে যায়। ঘন মিশ্রণটি ত্বকের উপর চক্রাকারে অর্থাৎ সার্কেল মোশনে ম্যাসাজ় করুন বেশ কিছুক্ষণ।

বেশ কিছুক্ষণ ম্যাসাজ় করার পর দেখবেন ত্বক নরম হয়ে গেছে। আগে থেকে অর্ধেক লেবুর রস ও জল একসঙ্গে মিশিয়ে ফ্রিজ়ে রেখে দিন। লেবুর রস ও জল জমিয়ে তৈরি বরফের টুকরো, ত্বকের উপর ঘষে নিন। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলেভাব দূর করবে। ত্বকে উজ্জ্বলতা আনবে। গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। ২ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। আর দেখুন ত্বক কেমন উজ্জ্বল দেখাচ্ছে।

মেকআপ করতে হলে, ১৫ মিনিট পর করুন। ত্বক উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় দেখাবে।

মাত্র ১০ মিনিটেই ফর্সা উজ্জ্বল চেহারা পাওয়ার ঘরোয়া উপায়। প্রতিদিনের শুরুটা হয় আমাদের কর্মব্যস্ততার মাঝে। দৌড়া-দৌড়ি আর হৈ-চৈ এর মধ্যে দিয়ে দিনটা শেষ হয় আমাদের। আর এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজেকে সময় কতটুকুই বা দিতে পারেন?ঘণ্টার পর ঘণ্টা রূপচর্চা করা তো দূরের কথা! কিন্তু তা বলে তো আর রূপের সঙ্গে কোনও কম্প্রোমাইজ় করা যায় না। চেহারা উজ্জ্বল দেখানো চাই চটজলদি। কীভাবে? জেনে নিন চেহারায় ইনস্ট্যান্ট গ্লো পাওয়ার টিপস –

১০ মিনিটে চেহারায় উজ্জ্বলতা পেতে যে উপকরণগুলি লাগবে :
১। সুইট আমন্ড অয়েল
২। ভিটামিন ই ট্যাবলেট
৩। অ্যালোভেরা জেল
৪। লেবু

ব্যবহার পদ্ধতি :
সামান্য আমন্ড অয়েল, তাতে দু’টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল যোগ করুন। মিশ্রণটির মধ্যে সামান্য অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন ভালো করে। যাতে সব উপাদান ভালো করে মিশে যায়। ঘন মিশ্রণটি ত্বকের উপর চক্রাকারে অর্থাৎ সার্কেল মোশনে ম্যাসাজ় করুন বেশ কিছুক্ষণ।

বেশ কিছুক্ষণ ম্যাসাজ় করার পর দেখবেন ত্বক নরম হয়ে গেছে। আগে থেকে অর্ধেক লেবুর রস ও জল একসঙ্গে মিশিয়ে ফ্রিজ়ে রেখে দিন। লেবুর রস ও জল জমিয়ে তৈরি বরফের টুকরো, ত্বকের উপর ঘষে নিন। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলেভাব দূর করবে। ত্বকে উজ্জ্বলতা আনবে। গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। ২ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। আর দেখুন ত্বক কেমন উজ্জ্বল দেখাচ্ছে।

মেকআপ করতে হলে, ১৫ মিনিট পর করুন। ত্বক উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় দেখাবে।