তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ফেসপ্যাক

রাতে ঘুম ভালো না হলে কিংবা আগের দিনটি ভালো না কাটলে পরিমিত ঘুম হলেও ত্বক অনেকটা মলিন দেখায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি মলিন কালচে ত্বক নজরে পড়ে তাহলে মনটাই খারাপ হয় যায়। দিনের শুরুটাই নষ্ট। আর যদি সেই দিন স্পেশাল কিছু থাকে তাহলে তো কথাই নেই, দিনটাই মাটি। অনেকেই ভাবেন তাৎক্ষণিকভাবে তো আর ত্বক উজ্জ্বল করা যাবে না এবং ত্বকের কালচে ভাবও দূর করা যাবে না, তাহলে কি করা যায়। চিন্তা করবেন না, তাৎক্ষণিক ভাবেই ত্বকের উজ্জলতা ফিরে পাওয়ার রয়েছে দারুণ কার্যকরী কৌশল। আজকে চলুন শিখে নেয়া যাক কৌশলটি।

যা যা লাগবে:
>৩ টেবিল চামচ চাল
>৩ টেবিল চামচ তিলবীজ
>১ কাপ পানি

পদ্ধতি:

প্রথমে চাল ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিন এরপর তিল ও পানি একসাথে মিশিয়ে ১ কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারারাত।
>সকালে পানি ঝড়িয়ে হামান দিস্তায় পিষে অথবা গ্রাইন্ডারে গ্রাইন্ড করে মিশ্রণ তৈরি করুন। একেবারে মিহি করে ফেলবেন না, আবার অনেক বড় দানাও রাখবেন না এভাবে পিষে নিন।
>এই মিশ্রণটি সকালে স্ক্রাবের মতো করে পুরো ত্বকে লাগিয়ে নিন এবং ২ মিনিট রেখে দিন।
>২ মিনিট পর আলতো করে ঘষে নিন এবং ঠাণ্ডা পানিতে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
>আপনি চাইলে এই স্ক্রাবটি দিয়ে পুরো দেহ স্ক্রাব করে নিতে পারেন দেহের ত্বকের তাৎক্ষণিক উজ্জলতার জন্য।
>একটি এয়ার টাইট কনটেইনারে ভরে ৭ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন এই স্ক্রাবটি। তবে ভালো ফলাফলের জন্য দুদিন পর পর নতুন করে মিশ্রণ বানিয়ে নিন।

কার্যকারণ:
অনেকে ভাবতে পারেন এই প্যাকটি ব্যবহারের ফলে ঠিক কি কারণে ত্বকে তাৎক্ষণিকভাবে উজ্জ্বলতা আসবে। তাহলে জেনে নিন এর কার্যকারণ-
>চালের দানা ত্বকে স্ক্রাবের মতো ব্যবহৃত হয়, যার ফলে ত্বকের উপরের মরা চামড়া খুব ভালো করে দূর হয়ে যায়। সেই সাথে ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা ময়লা দূর করে ত্বকের আসল দীপ্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।
>তিলবীজ ত্বকের জন্য অনেক কাজকরি একটি উপাদান। তিলের তেল অনেক আগে থেকেই রূপচর্চার কাজে ব্যবহার হয়ে আসছে। এই মিশ্রণের পিষে নেয়া তিল ত্বককে নারিশ ও ময়েসচারাইজ করে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে তাৎক্ষণিকভাবেই।

গভীর রাতে জমজমাট ব্যবসা

রাত যত গভীর হয়, ততই জমে ওঠে ব্যবসা। রঙবেরঙের হোটেল রেস্তোরাঁগুলো তখন কানায় কানায় পূর্ণ। দামি গাড়িগুলো এক এক করে আসতে থাকে। ভিড় পড়ে যায় তরুণ-তরুণী এমনকি অনেক মধ্যবয়সীরও। সেগুলোতে তখন আর সাধারণ ক্রেতাদের ঠাঁই মেলে না। তাদের জন্য কোনো আয়োজনও থাকে না এত রাতে। গভীর রাত পর্যন্ত গুলশান, বনানী, বারিধারার কাব, হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোর এই হলো অবস্থা। সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে কোনো কোনো এলাকায় দিনের বেলায়ও সাধারণ পথচারীদের প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে যারা যাতায়াত করেন তাদের ব্যাপারে কোনো বিধিনিষেধ নেই।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিজাত এলাকার হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে নিয়মিত বসছে নানা আড্ডা ও পার্টি। কোনো কোনো হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইয়াবা পর্যন্ত বিক্রি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। আর মদ-বিয়ার চলে মিনারেল ওয়াটারের মতো। এই ব্যবসার সাথে অনেক রাঘববোয়ালই জড়িত বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই হোটেল-রেস্তোরাঁর বেশির ভাগের মালিক প্রভাবশালী ব্যক্তি অথবা তাদের স্ত্রী-সন্তানেরা। সেখানে যারা যাতায়াত করেন তারাও প্রভাবশালী। এ কারণে তারা নির্বিঘেœই ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারছেন।

বছর দুয়েক আগে গুলশানের ফুয়াং কাবে অভিযান চালিয়ে বিপুল মদ ও বিয়ারসহ মাহিন চৌধুরী ও গোলাম মর্তুজা নামে দু’জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সাথে র‌্যাব-১ যৌথভাবে ওই অভিযান চালায়। ওই বছর ক্যাপিটাল রিক্রিয়েশন কাবেও হঠাৎ অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযানে বিপুল মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছিল সেখান থেকে। ওই সময়ে কাবটির সভাপতি কে এম আর মঞ্জুরসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছিল। কিন্তু ওই মামলা করা পর্যন্তই শেষ। এরপর সেই মামলার কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানা গেছে।

ওই অভিযানের পর আর কোনো অভিযানও হয়নি অভিজাত এলাকার হোটেল- রেস্তোরাঁগুলোতে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিজাত এলাকার বেশির ভাগ হোটেল-রেস্তোরাঁ রাত যত গভীর হয় ততই জমে ওঠে। এর বেশির ভাগ সেবাপ্রার্থী হলো তরুণ-তরুণীরা। ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানেরাই সেখানে ভিড় জমান। শুধু তরুণ-তরুণীই নন, মধ্যবয়সী ধনাঢ্য ব্যক্তিদেরও সেসব স্থানে দেখা যায়। সূত্র জানায়, তাদের প্রধান চাহিদা হলো শিসা সেবন। হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে আবাসিক হোটেলের মতো আলাদা কক্ষ রয়েছে। বিনোদনের জন্য ওইসব কক্ষ ভাড়া করেন তারা। কোথাও কোথাও ইয়াবা সেবনেরও ব্যবস্থা রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। আর মদ-বিয়ার তো একেবারেই হাতের নাগালে। সূত্র জানায়, এখানে যে মদ-বিয়ার বিক্রি হয় তার বেশির ভাগই সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কার্নিয়া কাব, লেক ভিউ, লেক ডিপ্লোমা, কোরিয়ান কাব এবং কেএনবিসহ অসংখ্য কাবে প্রতি রাতে পার্টির আয়োজন থাকে। কোনো কোনো কাব, রেস্তোরাঁ ও হোটেলে মদ-বিয়ার বিক্রির অনুমোদন নেই। কিন্তু সেখানেও মদ-বিয়ার বিক্রি হচ্ছে।

আবার পার্টির আড়ালে বেশ কিছু হোটেলে জুয়ার আসরও বসছে নিয়মিত। গুলশানকে ঘিরে অন্তত অর্ধশত কাব ও বার রয়েছে। যেগুলোর কোনো কোনোটিতে নিয়মিত জুয়ার আসর বসছে। কূটনৈতিক জোনের দোহাই দিয়ে কোনো কোনো এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধ রয়েছে। এমনকি সাধারণ মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য চেকপোস্টও বসানো হয়েছে।

নিজস্ব নিয়োগকৃত নিরাপত্তারক্ষী দিয়ে সাধারণ পথচারীদের তল্লাশি ও তাদের নাম-ঠিকানা রেকর্ড করারও অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু হোটেল, বার ও কাবগুলোর কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ নেই। সূত্র জানায়, কাব, হোটেল-রেস্তোরাঁর অবৈধ ব্যবসা নির্বিঘœ করতেই সাধারণ মানুষের চলাচলে এই বিধিনিষেধ। আলী আসগর নামে এক ব্যক্তি জানান, তিনি বারিধারার একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। প্রতিদিন কয়েকবার তাকে জবাবদিহি করতে হয় রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময়। তিনি বলেন, অনেক রাস্তা রয়েছে যে রাস্তায় পায়ে হাঁটাও নিষেধ।

স্থানীয় পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেছেন, কূটনৈতিক জোনে বিদেশীদের জন্য কিছু বার রয়েছে। সেখানে কী হচ্ছে তা চাইলেও বন্ধ করা সম্ভব নয়।

সৌজন্যেঃ নয়া দিগন্ত

তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ফেসপ্যাক

রাতে ঘুম ভালো না হলে কিংবা আগের দিনটি ভালো না কাটলে পরিমিত ঘুম হলেও ত্বক অনেকটা মলিন দেখায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি মলিন কালচে ত্বক নজরে পড়ে তাহলে মনটাই খারাপ হয় যায়। দিনের শুরুটাই নষ্ট। আর যদি সেই দিন স্পেশাল কিছু থাকে তাহলে তো কথাই নেই, দিনটাই মাটি। অনেকেই ভাবেন তাৎক্ষণিকভাবে তো আর ত্বক উজ্জ্বল করা যাবে না এবং ত্বকের কালচে ভাবও দূর করা যাবে না, তাহলে কি করা যায়। চিন্তা করবেন না, তাৎক্ষণিক ভাবেই ত্বকের উজ্জলতা ফিরে পাওয়ার রয়েছে দারুণ কার্যকরী কৌশল। আজকে চলুন শিখে নেয়া যাক কৌশলটি।

তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ফেসপ্যাক-

তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ফেসপ্যাক

তাৎক্ষণিকভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে কার্যকরী ফেসপ্যাক

যা যা লাগবে:
>৩ টেবিল চামচ চাল
>৩ টেবিল চামচ তিলবীজ
>১ কাপ পানি

পদ্ধতি:

প্রথমে চাল ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিন এরপর তিল ও পানি একসাথে মিশিয়ে ১ কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন সারারাত।
>সকালে পানি ঝড়িয়ে হামান দিস্তায় পিষে অথবা গ্রাইন্ডারে গ্রাইন্ড করে মিশ্রণ তৈরি করুন। একেবারে মিহি করে ফেলবেন না, আবার অনেক বড় দানাও রাখবেন না এভাবে পিষে নিন।
>এই মিশ্রণটি সকালে স্ক্রাবের মতো করে পুরো ত্বকে লাগিয়ে নিন এবং ২ মিনিট রেখে দিন।
>২ মিনিট পর আলতো করে ঘষে নিন এবং ঠাণ্ডা পানিতে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
>আপনি চাইলে এই স্ক্রাবটি দিয়ে পুরো দেহ স্ক্রাব করে নিতে পারেন দেহের ত্বকের তাৎক্ষণিক উজ্জলতার জন্য।
>একটি এয়ার টাইট কনটেইনারে ভরে ৭ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন এই স্ক্রাবটি। তবে ভালো ফলাফলের জন্য দুদিন পর পর নতুন করে মিশ্রণ বানিয়ে নিন।

কার্যকারণ:
অনেকে ভাবতে পারেন এই প্যাকটি ব্যবহারের ফলে ঠিক কি কারণে ত্বকে তাৎক্ষণিকভাবে উজ্জ্বলতা আসবে। তাহলে জেনে নিন এর কার্যকারণ-
>চালের দানা ত্বকে স্ক্রাবের মতো ব্যবহৃত হয়, যার ফলে ত্বকের উপরের মরা চামড়া খুব ভালো করে দূর হয়ে যায়। সেই সাথে ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা ময়লা দূর করে ত্বকের আসল দীপ্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।
>তিলবীজ ত্বকের জন্য অনেক কাজকরি একটি উপাদান। তিলের তেল অনেক আগে থেকেই রূপচর্চার কাজে ব্যবহার হয়ে আসছে। এই মিশ্রণের পিষে নেয়া তিল ত্বককে নারিশ ও ময়েসচারাইজ করে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে তাৎক্ষণিকভাবেই।

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ, ভিডিও না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।

 

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।

 

একা পেলেই বস ওড়না ধরে টানতেন, ছুটি চাইলে ধরিয়ে দিতেন যৌন উত্তেজক বড়ি

চার মাস ধরে তাঁকে তাঁর প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মালাপ্পা যৌন হেনস্তা করছেন। অফিসে কেউ না থাকলে তাঁর ওড়না ধরে টানতেন, অযাচিত স্পর্শ করতেন। এমনকি একদিন তাঁর প্রচণ্ড মাথাব্যথা, তাই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার (বস) কাছে গিয়ে ওষুধ কিনতে যাওয়ার জন্য ছুটি চাইলেন। জবাবে ছুটি না দিয়ে বস মেয়েটির হাতে ধরিয়ে দিলেন একটি যৌন উত্তেজক ভায়াগ্রা বড়ি!

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের বেঙ্গালুরুর জালাহাল্লি এলাকায়। একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এক বছর ধরে কাজ করা ২২ বছরের ঐ তরুণীর নাম ইনচারা (ছদ্মনাম)।

এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ইনচারা।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, ইনচারার বাবা মারা যাওয়ার পর মালাপ্পা তাঁকে বিয়ের প্রস্তাবও দেন। যৌন সম্পর্কের বিনিময়ে অর্থ এবং স্থায়ী চাকরির লোভ দেখান। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর স্ত্রী রয়েছেন।

ইনচারা বলেন, ‘আমি অসহায় ছিলাম। মাসের পর মাস মালাপ্পার হেনস্তা সহ্য করা ছাড়া আমার কোনো উপায় ছিল না। আমি জানতাম, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে কেউ আমার কথা বিশ্বাস করবে না। কারণ, তিনি আমার প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক; বরং আমাকে তৎক্ষণাৎ চাকরিচ্যুত করা হতো।’

ওই দিনের ঘটনা সম্পর্কে ইনচারা বলেন, ‘মালাপ্পাকে প্রচণ্ড মাথাব্যথার কথা বলে ওষুধ কিনতে যেতে চাই। কিন্তু তিনি তাঁর ড্রয়ার থেকে একটি ভায়াগ্রা বড়ি বের করে আমার হাতে দিয়ে বলেন, যাও খেয়ে আমার কাছে আসো। মাথাব্যথা সেরে যাবে।’

হিন্দু নারীরা সিঁদুর পরেন কেন? এর আসল কারণ জানলে আপনিও অবাক হবেন

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : হিন্দু নারীরা সিঁদুর পরেন কেন? এর নেপথ্য কারণই বা কি? তা কি আমরা কেউ জানি? তাহলে আসুন হিন্দু নারীদের সিঁদুর পরার কারণ জেনে নিই।

সিঁদুর পরার আসল কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও! সিন্দুর বা কুঙ্কুমচর্চা প্রাচীন ভারতে কেবল নারীদের জন্য নির্দিষ্ট ছিল না। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সেযুগে এই বিশেষ প্রসাধানটি করতেন।

কালক্রমে পুরষের প্রসাধন-তালিকা থেকে কুঙ্কুম বাদ পড়ে। তবে আজও বেশ কিছু পুরুষ কপালে সিঁদুরের তিলক পরেন। বিশেষ করে শাক্ত মতাবলম্বীদের মধ্যে সিঁদুরের তিলকসেবার রেওয়াজ পুরোপুরি রয়েছে। পুরুষদের আঙিনায় বিরল হয়ে পড়লেও বিপুলসংখ্যক বিবাহিতা হিন্দু নারী সিঁদুরবিহীন অবস্থার কথা ভাবতেই পারেন না।

অনেকেই বলে থাকেন, সিঁদুর একান্তভাবে বন্ধনের চিহ্ন। বিবাহিতা নারীকে সিন্দুরচিহ্নিত করে সমাজকে জানিয়ে দেওয়া হয়— এই নারী অন্যের সম্পত্তি ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু প্রকৃত প্রস্তাবে ব্যাপারটা মোটেই এতটা সহজ-সরল নয়।

হিন্দু নারীর সিঁদুর পরা নিয়ে সাংস্কৃতিক নৃতত্ত্ব ভিন্ন কথা বলে। সেই বিদ্যার বিশেষজ্ঞদের মতে, লাল বর্ণের সিঁদুর কপালে ধারণ করার অর্থ জড়িয়ে রয়েছে আদিম উর্বরাশক্তির উপাসনার মধ্যে।

হিন্দু ধর্ম বলে আজ যা পরিচিত, তার উৎস এক টোটেমবাহী কৌম সমাজে। সেখানে গাছ, পাথর, মাটি ইত্যাদিকে প্রাকৃতিক শক্তির প্রতীক বলে মনে করত। আর তাদের কাছে লাল রংটি ছিল সৃষ্টির প্রতীক।

সেই আদিম কাল থেকেই লাল সিঁদুরকে ভারতীয়রা বেছে নেন তাঁদের একান্ত প্রসাধন হিসেবে। বিবাহিতা মহিলাদের ললাটে কুঙ্কুম তাঁদের সন্তানধারণক্ষম হিসেবেই বর্ণনা করে। তার বেশি কিছু নয়।

কিন্তু নৃতাত্ত্বিকদের এই বক্তব্যের সঙ্গে শাস্ত্রবচনের কোনও মিলই নেই। শাস্ত্র অনুযায়ী, লাল কুঙ্কুম শক্তির প্রতীক। মানব শরীরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন দেবতা অবস্থান করেন। ললাটে অধিষ্ঠান করেন ব্রহ্মা।

লাল কুঙ্কুম ব্রহ্মাকে তুষ্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তা ছাড়া, কপালের ঠিক মধ্যভাগে সূর্যালোক পড়ার ব্যাপারটাকে আটকাতেও সিঁদুর ব্যবহৃত হয় বলে ধারণা করা যায়। কপালে সিঁদুর প্রয়োগেরও কিছু বিধি ও ফলনির্দেশ শাস্ত্র প্রদান করে। জানা যায়, তর্জনি দিয়ে সিঁদুর পরলে শান্তি পাওয়া যায়। মধ্যমা দিয়ে ধারণ করলে আয়ু বৃদ্ধি পায়।

প্রাচীন কালে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে সিঁদুর তৈরি হত। তার পরে তাতে লাল কালি মিশিয়ে রাঙিয়ে তোলা হত। কুঙ্কুমচর্চার কেন্দ্রবিন্দুটি হল আজ্ঞাচক্র। এখানে সিঁদুর প্রয়োগে আত্মশক্তি বাড়ে। নারীকে ‘শক্তি’ হিসেবেই জ্ঞান করে হিন্দু পরম্পরা। কুঙ্কুম বা সিঁদুর তাঁদের আজ্ঞাচক্রে প্রদানের বিষয়টি সেই কথাটিকেই মনে করিয়ে দেয়।

ত্বকের বয়স ১০ বছর কমিয়ে দেবে যে মাস্ক । জেনে নিন তৈরির সহজ নিয়ম।

কে না চায় বয়সের চেয়ে নিজেকে কমবয়সী দেখাতে? কিন্তু অনেককেই বয়স হয়ে যাওয়ার আগেই ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। এর পেছনের মূল কারণ হলো, আমাদেরই খামখেয়ালী অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস, ত্বকের যত্ন এবং আবহাওয়া এই সকল কিছুর কারণেই ত্বকের সুস্থতা বজায় থাকে বা নষ্ট হতে পারে। এ ছাড়াও বয়স হয়ে গেলে ত্বকে তো বয়সের ছাপ আরও ভালো করেই পড়ে যায়।

বয়স হয়ে যাওয়ার পর বয়সের ছাপ পড়া এবং অল্প বয়সেই ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যাওয়া দুটোই ভাবিয়ে তোলার মতো। তবে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, প্রকৃতি সকল সমস্যার সমাধানের উৎস। সেটা আমরা অনেকেই জানি না।

বয়স ধরে রাখার চেষ্টা মানুষের আদি থেকে। কিন্তু প্রাকৃতিক নিয়মে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে তা ত্বকে ফুটে উঠে। যা আমরা বলিরেখা বলে থাকি। বলিরেখা রোধ করার জন্য কত কিছুই না করে থাকি আমরা। এর কতটুকুই বা কার্যকর হয়ে থাকে। প্রকৃতি আমাদের এমন কিছু উপাদান দিয়েছে যা এই সমস্যারও সমাধানে কার্যকরি। আজকে আপনার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো এমনই একটি পদ্ধতির যা আপনার ত্বকের বয়স প্রায় ১০ বছর কমিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, প্রকৃতি আমাদের জন্য এতো অসাধারণ সমাধান রেখেছে। চলুন তাহলে শিখে নেয়া যাক এমন একটি জাদুকরি পদ্ধতি যা আপনার ত্বকের বয়স কমিয়ে দেবে প্রায় ১০ বছর।

সারা বিশ্বের সুন্দরি নারিদের মধ্যে জাপানিরা অন্যতম। নিখুঁত, তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের জন্য তারা সারাবিশ্বে সমাদৃত। এমনকি কোন এক জাদুকরি কৌশলে তারা ত্বকের বলিরেখা পড়া রোধ করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের এই তারুণ্যদীপ্ত ত্বকের রহস্যটি কি? এক্সফলিয়েট, লেজার ট্রিটমেন্ট নাকি কোন বিউটি ট্রিটমেন্ট?

তাদের এই সৌন্দর্যের সকল রহস্য নিহিত আছে একটি মাত্র সাধারণ উপকরণে। আর তা হল ভাত! কি অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই তারা ত্বক এবং চুলের যত্নে ভাত ব্যবহার করে থাকেন। ভাতের মাড় দিয়ে তারা চুল ধুয়ে থাকেন, চুল নরম, কোমল সুন্দর করার জন্য। ত্বকের বলিরেখা রোধ করার জন্য এমনি এক ভাতের প্যাক ব্যবহার করে থাকেন তারা।

যা যা লাগবে

২-৩ টেবিল চামচ সিদ্ধ ভাত
১ টেবিল চামচ মধু
১ টেবিল চামচ দুধ

যেভাবে তৈরি করবেন

১। প্রথমে ৩ কাপ ঠাণ্ডা পানিতে চাল ধুয়ে সিদ্ধ মাঝারি আঁচে সিদ্ধ করতে দিন। চাল সিদ্ধ হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন।

২। এবার ভাত ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে চটকে নিন। এর সাথে গরম দুধ এবং মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।

৩। এখন প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে নিন।

৪। ৩০- ৪০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ভাতের মাড় দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

৫। এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

টিপস

১। এই ভাতের মাড় ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন চারদিন পর্যন্ত। এছাড়া বরফ তৈরি করে নিতে পারেন ভাতের মাড় দিয়ে। এই বরফ দিনে দুইবার ব্যবহার করতে পারেন।

এই পদ্ধতিটি যে কারণে কমায় ত্বকের বয়স

* চালের মধ্যে রয়েছে ত্বকের ক্ষতিপূরণের অসাধারণ গুণ যা ত্বকের কোলাজেন টিস্যুর ক্ষতি পূরণ করে দিতে সক্ষম। চালের লিনোলেইক এসিড এবং স্কোয়ালেন নামক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ক্ষতি পূরণ করে এবং কোলাজেন টিস্যুর সার্বিক উন্নতিতে কাজ করে।

* স্কোয়ালেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টটি ত্বক থেকে সূর্যরশ্মির মাধ্যমে হওয়া ক্ষতি পূরণেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে এবং ত্বকে সূর্যরশ্মির কারণে পড়া রিংকেল দূর করতেও সহায়তা করে।

* চাল ত্বকের সার্বিক উন্নতিতে বিশেষভাবে কার্যকরি যার ফলে ত্বকের বয়সের ছাপ, রিংকেল এবং কোলাজেন টিস্যুর ক্ষতি পূরণ করে খুবই দ্রুত। এছাড়াও মধু ও দুধের গুণাগুণ তো রয়েছেই। আর একারণেই ত্বকের বয়স কমিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে এই মাস্কটি।

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ, ভিডিও না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ, ভিডিও না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।

 

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ, ভিডিও না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।

টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন। টাকার জন্য মানুষ যে কতটা খারাপ হতে, ভিডিওটা না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না–দেখুন ও শেয়ার করুন।