আমি অনেক কেঁদেছি পারছিলাম না, সে জোড় করে ভিতরে দিতেই….

আমি তিথি ছদ্মনাম,আমার রিলেশন চলছে প্রায় ৪ বছর ধরে। মিথ্যার উপর তো আর ভালবাসার সম্পর্ক হয় না। আমার প্রেমিক আমার প্রতি বেশ উদাসীন বলা যায় শুরু থেকেই। সে তার বন্ধুদের নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকে। আর যখন সে বন্ধুদের সাথে থাকে তখন আমার ফোন রিসিভ করে না, আবার বিরক্তও হয়। সে প্রায়ই আমাকে বলতো তুমিও বন্ধু বানাও, ওদের সাথে সময় দাও, আমি তো আর সবসময় তোমাকে সময় দিতে পারবোনা।

আমি রিলেশনের শুরুতে তার অবহেলা সহ্য করতে পারতাম না। সে সময় আমার নতুন ভার্সিটি শুরু হয়। আমি নতুন বন্ধু বানানোর চেষ্টা করতাম, তবে কেন যেন কারো সাথে বন্ধুত্ব হচ্ছিল না। সবাইকে আমার খুব সেলফিস মনে হতো। তখন আমার একটা মাত্র ছেলেবন্ধু ছিল। যখন দেখা যেত কাজ নাই, প্রেমিককে ফোনে পেতাম না তখন সে বন্ধুকেই ফোন দিতাম। আর তার সঙ্গে আড্ডা দিতাম। বন্ধুটিও আমাকে অনেক সময় দিত। ওর যখন ব্রেকাপ হয় তখন আমি তাকে খুব সাপোর্টও দিই। ওর ব্রেকাপের পর মানষিক ভাবে খুব ভেঙে পড়ে যা দেখে আমি খুব ইমোশনাল হয়ে পড়ি তার প্রতি। কিন্তু আমি তাকে ভালবাসতাম না। জাস্ট সিমপ্যাথি। বাট আমার বন্ধুটি সব ভুল বুঝতে শুরু করে। সেও আমাকে প্রোপোজ করে। তখন ওর ব্রেকাপের প্রায় তিনি মাস হবে। আমি রাজি হই না। তার সঙ্গে যোগাযোগ অফ করে দিই।

কিন্তু তার দুইমাস পরে তার সাথে দেখা হয়। সে আমাকে এত রিকোয়েস্ট করে যেন আমি ফ্রেন্ডশিপটা রাখি। ও বলে যে সে আর কখনো আমাকে এসব কথা বলবেনা। শুধু আমি এই শর্তেই রাজি হই আবার ফ্রেন্ডশিপ করতে। কিন্তু আমি বুঝতেও পারিনি তার মূল উদ্দেশ্য কি ছিল।

সে প্রথম কয়েকটা মাস খুব ফ্রেন্ডলি চলে আমার সাথে। এরপর ঈদের ছুটিতে তার সাথে দেখা করার প্ল্যান হয়। কিন্তু আমি যাই না । তখন সে নিজেই আসে আমাদের এলাকায়। আমি পাবলিক প্লেসেই তার সাথে দেখা করি। কিন্তু সে আমাকে না বলে আগে থেকেই প্ল্যানিং করে রেখেছিল কোন জায়গায় আমাকে আটকে ফেলবে। আমি তাকে অনেক বাঁধা দিয়েছিলাম। অনেক কেঁদেছি, তাও ওই নরপশু আমাকে ধর্ষণ করে। আজ পর্যন্ত আমি এই ঘটনাটা কাউকেই বলতে পারিনি। কিন্তু আমি তো কাউকে ঠকাতেও চাইনা। তবে আমার প্রেমিকের সাথে আমার এখনো মাঝে মাঝে অনেক ঝামেলা হয়। সেই ঘটনার পর থেকে আমি অনেক চেষ্টা করি ব্রেকাপের কিন্তু সে কারণ চায়। নিজের প্রতি খুব ঘৃণা হয়। মরে যেতে ইচ্ছা করে। কিন্তু আমার সাহসে কুলায় না।

আমি তো চাইনি নষ্ট হতে। তবে কেন এমন হলো! আমি কেন ওইদিন গেলাম তার সাথে দেখা করতে এসব ভাবলে পাগল হয়ে যাই। ভয়ে লজ্জায়, না কাউকে বলতে পারলাম, না পারলাম ওই নরপশুকে উচিত শাস্তি দিতে। আমি কি করবো? সবকিছুই যেন গোলোক ধাঁধা লাগে। আমি কাউকে হারাতেও চাইনা, আবার ঠকাতেও পারছি না।

পরামর্শ:
আপনার সাথে যে ঘটনাটি ঘটেছে, তা একটা বিরাট দুর্ঘটনা। সেটা তো আপনার ইচ্ছায় হয়নি, আপনি তো চাননি ধর্ষিতা হতে। কেউ আপনাকে ধর্ষণ করলো বলেই আপনি নষ্ট মেয়ে নন। বরং নষ্ট সেই নরপশু, যে আপনার সাথে এই জঘন্য কাজ করেছে। নিজেকে কখনোই কোন অবস্থাতে ছোট ভাববেন না। নষ্ট মানুষ তারা, যারা নিজের লালসা মেটাতে একাধিক জনের সাথে প্রেমের অভিনয় করেন, প্রতারণা করেন, ধোঁকা দেন, যৌন সম্পর্ক করেন। আর যিনি দুর্ঘটনার শিকার, সে কিছুতেই নষ্ট নন। প্লিজ নিজেকে ছোট ভাবা বন্ধ করুন।

আর যেখানে আপনার প্রেমিকের প্রশ্ন, সেখানে তাকে সত্য কথাটা জানাতে পারেন। ৪ বছর যাবত আপনাদের সম্পর্ক টিকে আছে, আপনি সম্পর্ক থেকে সরে যেতে চাইলেও সে যেতে দেন না ইত্যাদি সবই প্রমাণ করে যে তিনি আপনাকে খুব ভালোবাসেন। তাকে আপনার সমস্ত সত্য খুলে বলুন, সাথে এটাও বলুন যে আপনি সেই বন্ধুটির উচিত শিক্ষা চান। তারপর আপনার প্রেমিককে সিদ্ধান্ত নিতে দিন।

আমি তিথি ছদ্মনাম,আমার রিলেশন চলছে প্রায় ৪ বছর ধরে। মিথ্যার উপর তো আর ভালবাসার সম্পর্ক হয় না। আমার প্রেমিক আমার প্রতি বেশ উদাসীন বলা যায় শুরু থেকেই। সে তার বন্ধুদের নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকে। আর যখন সে বন্ধুদের সাথে থাকে তখন আমার ফোন রিসিভ করে না, আবার বিরক্তও হয়। সে প্রায়ই আমাকে বলতো তুমিও বন্ধু বানাও, ওদের সাথে সময় দাও, আমি তো আর সবসময় তোমাকে সময় দিতে পারবোনা।

আমি রিলেশনের শুরুতে তার অবহেলা সহ্য করতে পারতাম না। সে সময় আমার নতুন ভার্সিটি শুরু হয়। আমি নতুন বন্ধু বানানোর চেষ্টা করতাম, তবে কেন যেন কারো সাথে বন্ধুত্ব হচ্ছিল না। সবাইকে আমার খুব সেলফিস মনে হতো। তখন আমার একটা মাত্র ছেলেবন্ধু ছিল। যখন দেখা যেত কাজ নাই, প্রেমিককে ফোনে পেতাম না তখন সে বন্ধুকেই ফোন দিতাম। আর তার সঙ্গে আড্ডা দিতাম। বন্ধুটিও আমাকে অনেক সময় দিত। ওর যখন ব্রেকাপ হয় তখন আমি তাকে খুব সাপোর্টও দিই। ওর ব্রেকাপের পর মানষিক ভাবে খুব ভেঙে পড়ে যা দেখে আমি খুব ইমোশনাল হয়ে পড়ি তার প্রতি। কিন্তু আমি তাকে ভালবাসতাম না। জাস্ট সিমপ্যাথি। বাট আমার বন্ধুটি সব ভুল বুঝতে শুরু করে। সেও আমাকে প্রোপোজ করে। তখন ওর ব্রেকাপের প্রায় তিনি মাস হবে। আমি রাজি হই না। তার সঙ্গে যোগাযোগ অফ করে দিই।

কিন্তু তার দুইমাস পরে তার সাথে দেখা হয়। সে আমাকে এত রিকোয়েস্ট করে যেন আমি ফ্রেন্ডশিপটা রাখি। ও বলে যে সে আর কখনো আমাকে এসব কথা বলবেনা। শুধু আমি এই শর্তেই রাজি হই আবার ফ্রেন্ডশিপ করতে। কিন্তু আমি বুঝতেও পারিনি তার মূল উদ্দেশ্য কি ছিল।

সে প্রথম কয়েকটা মাস খুব ফ্রেন্ডলি চলে আমার সাথে। এরপর ঈদের ছুটিতে তার সাথে দেখা করার প্ল্যান হয়। কিন্তু আমি যাই না । তখন সে নিজেই আসে আমাদের এলাকায়। আমি পাবলিক প্লেসেই তার সাথে দেখা করি। কিন্তু সে আমাকে না বলে আগে থেকেই প্ল্যানিং করে রেখেছিল কোন জায়গায় আমাকে আটকে ফেলবে। আমি তাকে অনেক বাঁধা দিয়েছিলাম। অনেক কেঁদেছি, তাও ওই নরপশু আমাকে ধর্ষণ করে। আজ পর্যন্ত আমি এই ঘটনাটা কাউকেই বলতে পারিনি। কিন্তু আমি তো কাউকে ঠকাতেও চাইনা। তবে আমার প্রেমিকের সাথে আমার এখনো মাঝে মাঝে অনেক ঝামেলা হয়। সেই ঘটনার পর থেকে আমি অনেক চেষ্টা করি ব্রেকাপের কিন্তু সে কারণ চায়। নিজের প্রতি খুব ঘৃণা হয়। মরে যেতে ইচ্ছা করে। কিন্তু আমার সাহসে কুলায় না।

আমি তো চাইনি নষ্ট হতে। তবে কেন এমন হলো! আমি কেন ওইদিন গেলাম তার সাথে দেখা করতে এসব ভাবলে পাগল হয়ে যাই। ভয়ে লজ্জায়, না কাউকে বলতে পারলাম, না পারলাম ওই নরপশুকে উচিত শাস্তি দিতে। আমি কি করবো? সবকিছুই যেন গোলোক ধাঁধা লাগে। আমি কাউকে হারাতেও চাইনা, আবার ঠকাতেও পারছি না।

পরামর্শ:
আপনার সাথে যে ঘটনাটি ঘটেছে, তা একটা বিরাট দুর্ঘটনা। সেটা তো আপনার ইচ্ছায় হয়নি, আপনি তো চাননি ধর্ষিতা হতে। কেউ আপনাকে ধর্ষণ করলো বলেই আপনি নষ্ট মেয়ে নন। বরং নষ্ট সেই নরপশু, যে আপনার সাথে এই জঘন্য কাজ করেছে। নিজেকে কখনোই কোন অবস্থাতে ছোট ভাববেন না। নষ্ট মানুষ তারা, যারা নিজের লালসা মেটাতে একাধিক জনের সাথে প্রেমের অভিনয় করেন, প্রতারণা করেন, ধোঁকা দেন, যৌন সম্পর্ক করেন। আর যিনি দুর্ঘটনার শিকার, সে কিছুতেই নষ্ট নন। প্লিজ নিজেকে ছোট ভাবা বন্ধ করুন।

আর যেখানে আপনার প্রেমিকের প্রশ্ন, সেখানে তাকে সত্য কথাটা জানাতে পারেন। ৪ বছর যাবত আপনাদের সম্পর্ক টিকে আছে, আপনি সম্পর্ক থেকে সরে যেতে চাইলেও সে যেতে দেন না ইত্যাদি সবই প্রমাণ করে যে তিনি আপনাকে খুব ভালোবাসেন। তাকে আপনার সমস্ত সত্য খুলে বলুন, সাথে এটাও বলুন যে আপনি সেই বন্ধুটির উচিত শিক্ষা চান। তারপর আপনার প্রেমিককে সিদ্ধান্ত নিতে দিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *