ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে কেঁদেছিলেন মেসি

নিউজ ডেস্ক : দামি গাড়ি, মোটা ব্যাংক–ব্যালেন্স, বিশাল সমর্থক গোষ্ঠী। বিশ্বমানের ফুটবলার হতে পারলে সবকিছুই পায়ের নিচে এসে ধরা দেয়। কত চাকচিক্যময় জীবন। কিন্তু এর জন্য যে কত ত্যাগ, কত কষ্ট। সে খবর কি সমর্থকেরা রাখি? অনেকে তো ভুলেও যায়, ফুটবলাররাও মানুষ। কজন জানেন, পেনাল্টি মিস করে শিরোপা–স্বপ্ন শেষ হওয়ায় কেঁদেছিলেন মেসি!

জানুয়ারির দলবদলে আর্সেনাল থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন আলেক্সিজ সানচেজ। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের রেকর্ড বেতন পাচ্ছেন সানচেজ। পল পগবাকে টপকে চিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডই এখন ইংলিশ লিগের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকধারী খেলোয়াড়। তবু মন খারাপ তাঁর।

এই নিয়েই শুরু হয়েছে কটু কথা। তাই দুঃখ নিয়ে সানচেজ বলেছেন, ‘ফুটবল আমাদের আনন্দময় জীবন দিতে পারে। কিন্তু কেউ পেছনের দৃশ্যটা দেখে না। ফুটবলের জন্য আমরা পরিবারকে মিস করি, মায়ের জন্মদিনে পাশে থাকতে পারি না। ছেলের জন্মদিনেও পাশে থাকা হয় না।’

এই পর্যন্তই থামেননি সাবেক বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। অনেক দর্শক ফুটবলারদের মানুষই মনে করে না। তাই প্রায় অর্ধযুগ আগে চ্যাম্পিয়নস লিগে চেলসির বিপক্ষে বার্সেলোনার হেরে যাওয়া ম্যাচে মেসির কান্নার প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন সানচেজ, ‘খেলায় হেরে গেলে ফুটবলারেরা কাঁদে। এটাই ফুটবলের অংশ। আমি ড্রেসিংরুমে দেখেছি মেসিকে কাঁদতে। মানুষের অনেক প্রত্যাশা খেলোয়াড়দের ওপর। বাইরে থেকে এটা বোঝা যায় না।’

২০১২ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে দুই লেগ মিলিয়ে ২-৩ গোলে হেরেছিল বার্সেলোনা। দ্বিতীয় লেগে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকা ম্যাচে ২-২ গোলে সমতায় ফিরে চেলসি। সে ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে পেনাল্টি মিস করেছিলেন মেসি। ১০ জনের চেলসিকেও হারাতে পারেনি বার্সেলোনা। তাই ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে কেঁদেছিলেন মেসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *