ভিডিওটি একটি বার দেখুন প্লীজ , নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারবেননা (ভিডিও)

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

আরোও পড়ুন-

দাম্পত্য জীবনে একে অপরের সবচেয়ে মূল্যবান সঙ্গী। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের সুখ-দুঃখেরও সঙ্গী তারা। পাশাপাশি থাকা, পাশাপাশি চলা এবং একে অপরের মানসিক ভরসাও তারা। তাই একজন নারীর জীবনে স্বামী যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি পুরুষের জীবনে স্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ। স্ত্রী কাছে থাকলে তেমন কিছু মনেই হয় না। চোখের আড়াল হলে প্রাণ কেঁদে ওঠে। তবে এতোকিছুর পেছনের কথা হল- একজন সঙ্গীনি যেমন সুন্দর জীবন উপহার দিতে পারেন, তেমনি আবার বিশৃঙ্খলাও সৃষ্টি করতে পারেন। তাই জীবনে সুখী হতে স্ত্রীকে অনেককিছুই বলা যাবে না।

যেমন –

বয়স নিয়ে তাকে কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা ঠিক হবে না। এটি তাদের কাছে খুব স্পর্শকাতর বিষয়। সবসময় মনে রাখবেন, তিনি আপনার কাছে চিরযুবতি হয়েই থাকতে চান। বরং তাকে সুন্দর থাকার নানা ধরনের টিপস দিতে পারেন।

স্ত্রীকে খাবার বানানোর জন্য কর্কশভাবে হুকুম করা ঠিক হবে না। তার মাঝে আপনার প্রয়োজন বোঝার মতো মানসিকতার বিকাশ ঘটান। সে নিজে থেকেই আপনার জন্য তৃপ্তিদায়ক খাবার তৈরি করবে। মাঝেমধ্যে আপনিও তাকে রান্নাঘরের কাজে সাহায্য করতে পারেন। এতে সম্পর্ক ভালো ছাড়া খারাপ হবে না।

নিজের মা বা অন্য কারো সঙ্গে তুলনা টেনে কোনও কথা তাকে বলতে যাবেন না। এটাও কিন্তু স্ত্রীর মনে খুব আঘাত আনে। মনে রাখবেন, মা মায়ের জায়গায়। স্ত্রী স্ত্রীয়ের জায়গায়।

নিজের পরিবার সম্পর্কে গোপণ কোনো কথা আবেগের বসে তাকে শেয়ার না করাই ভালো। এমনকি নিজের ব্যাপারেও অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো অতীত শেয়ার না করা ভালো। তবে নিজেদের বর্তমান সম্পর্কে শ্রদ্ধাশীল থেকে নমনীয় আচরণ করা উচিৎ। এতে তার মনেও কোনো ধরণের প্রশ্ন জন্মাবে না।

পরস্ত্রীর রূপের প্রশংসা তার সামনে একেবারেই করবেন না। কখনও বলবেন না, অমুকের স্ত্রী সুন্দরী, তমুকের প্রেমিকা দারুণ। নিজেকে স্ত্রীর স্থানে বসিয়ে বিচার করে দেখুন এটা কতোটা বিব্রতকর। দেখবেন আপনিও স্ত্রীর মুখে পরপুরুষের প্রশংসা সহ্য করতে পারছেন না।

স্ত্রী হঠাৎ রেগে গেলে বুদ্ধিমানের মতো কাজ হবে তখন চুপ থাকা। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আলোচনা করতে পারেন। নিজের খারাপ লাগাগুলো তখনই বলুন। কিন্তু স্ত্রীর মাথা গরমের সময় দুটো বাড়তি কথা বলে আগুনে কর্পূর ছিটিয়ে দেবেন না। মাথা ঠাণ্ডা হলে তার ভালো মন্দের বিচার বোধ জাগিয়ে তুলতে আপনার অবস্থানে থেকে বুঝিয়ে বলুন। মনে রাখবেন, সুখী দাম্পত্য চাইলে স্ত্রীকে ঠাণ্ডা রাখাই হল আসল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *