ভুট্টা খেতে অকাম করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা খেলো প্রেমিক প্রেমিকা! সদ্য প্রকাশিত

হ্যালো, সুমন কি করছিস? – এইতো আছি একরকম। তোর কি খবর? – ভালো। পরশুতো ঈদ। আমি বাসায় ফিরছি। খুব আড্ডা হবে। – হা হা হা। ওকে, বস। তাহলে পরশু দেখা হচ্ছে। – তোকে আবার দাওয়াত দিতে হবে নাকি। – না না। কি যে বলিস। ওকে ব্রাদার মঙ্গলবার কনফার্ম। – পাক্কা। ভাবিকে নিয়ে আসবি কিন্তু। – শিওর। ফোনটা রেখেই মনটা আজ কেমন জানি বিষণ্ণ হয়ে গেলো। ইমরানের কথাগুলি এখনও কানে বাজছে। প্রতিবার ঈদ এর দিনটা এলেই আমার এমন হয়। ঈদ এর নিমন্ত্রণ এর কথা বললেই আমার মনে একটা অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।

একটা সময় কাটিয়ে উঠার যন্ত্রণায়। হিন্দু বাড়ির সন্তান হিসেবে একেবারে শৈশবেই আমার মনে একটা বীজ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল; আমাদের একটা ধর্ম আছে, ঠাকুর আছে, দেবতা আছে, যারা আমাদের সব কর্মের বিধান করেন!! বাড়িতে সকাল সন্ধ্যা নাটমন্দিরে বাড়ির বউয়েরা, মানে আমার কাকিমা-জ্যাঠিমারা পুজো দিতেন। যৌথ পরিবারে বড় হওয়ার দরুন কিছু সংস্কার এমনিতেই আমার মনের ভেতর জন্ম নিয়েছিল। কাজের দরুন দাদু বেশীরভাগ সময় বাড়ির বাইরেই থাকতেন। বাবা কাকারাও ঠিক একই। আর তাই পরিবারের হর্তা কর্তা –

সবই ছিলেন ঠাকুমা। বাড়ির বউদের ক্ষেত্রে একেবারে দজ্জাল শাশুড়ি বলতে যা বোঝায় তাই ছিলেন আমাদের ঠাম্মা। তবে হাত চালানোর কোন ব্যাপার ছিলনা, বউদের খুঁত ধরা আর সারাক্ষণ গলা উঁচিয়ে চোপাবাজি করা ছিল উনার অন্যতম প্রধান কর্ম। মা আমাকে দুষ্টুমির জন্য বেতালে, পরক্ষণেই যখন কোনো কাজের জন্য বকুনি খেতেন তখন খুব মজা পেতাম। ঠাকুমার চোখ এড়িয়ে বাড়িতে মাছি প্রবেশ করতে পারত না! পান থেকে চুন খসলেই বিপদ। আমরা যারা কাকাতো এবং জ্যাঠতুতো ভাইয়েরা ছিলাম সব সময়ই উনার ভয়ে গুটিসুটি মেরে থাকতাম। বাড়ির পরিবেশ তখন এমনি ছিল যে অন্য ধর্ম থাক দূরের কথা হিন্দুদের মধ্যেই অন্য জাতের লোকজনের সঙ্গে আমাদের উঠাবসা ছিলোনা।

তথন আমাদের পারিবারিক অবস্থাও যথেষ্ট ভালো ছিল। এত শেকল যুক্ত পরিবেশের মধ্যে আমায় স্বস্তির বাতাস এনে দিত স্কুল। স্কুলে গেলে আর বাড়িতে আসতে ইচ্ছে করত না। কারণ বাড়িতে ঢুকে গেলেই সেই শৃঙ্খল। আমাদের বাড়ির পাশেই বিকেলবেলা মাঠে সব ছেলেরা ক্রিকেট খেলছে। অথচ আমাকে জোর করে বিছানায় শুইয়ে রাখা হয়েছে। খুব কাঁদতাম। বালিস বেয়ে টুপটাপ শব্দে জল পড়ত। ছুটে যেতে ইচ্ছে করতো মাঠে। পারতাম না। আর ঘুমও আসতো না। এই বন্ধ পরিবেশে বড় হওয়ার দরুন বোধ হয় কিছু জেদ চেপে বসেছিলো আমার মনে। সেই দিনের কথা। আমি স্ট্যান্ডার্ড – এইট এর ছাত্র। খানিকটা বড় হয়েছি। শরীরের বিভিন্ন পরিবর্তন জানান দিচ্ছে বড় হচ্ছি দ্রুত। স্কুলে ব্রেক টাইমে বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিচ্ছি। হঠাত বাপ্পি এবং নৌসাদ এসে হাজির। বাপ্পি বলল – কাল কিন্তু তোদের সব্বাইকে আমাদের বাসায় যেতে হবে।

ঈদের নিমন্ত্রণ। নৌসাদ বলল – আমার মা অনেক ভালো পিঠে বানায়, তোদের খুব ভালো লাগবে, তোরা সবাই আসবি কিন্তু। বাপ্পির সঙ্গে আমার বিশেষ সখ্যতা ছিল। বাপ্পি আমাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে গিয়ে বলল, গত বছরও কিন্তু তুই গেলিনা, এইবার কোনো বাহানা করলে চলবে না, তোকে যেতেই হবে। আমি তাকে বললাম – যাবো এইবার শিওর। মনে একটা ভয় ছিল, কিশোর মনে সঙ্কোচ ছিল, দ্বিধা ছিলো। কিন্তু তাতে কি? বড় হয়ে গেছি আমরা। বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে ভিতু অসিত যখন বলল, আমিও নিশ্চয়ই যাবো তখন আর কোনো দ্বিধা না রেখে ওদের জানিয়ে দিলাম আমরা যাচ্ছি। পরেরদিন ঈদ। স্কুল ছুটি। তখন একটু হাল্কা পাতলা বাড়ির বাইরে যাওয়ার অনুমতি মিলেছে। ক্রিকেট খেলতে পারছি।

বিকেলে সব বন্ধুরা জড়ো হলাম। আজ ক্রিকেট খেলা বন্ধ। কিন্তু মজার বিষয় নিরেশ, বিমল, অজয়, সুকান্ত, সুমিত, রাকেশরা সবাই এলেও অসিত আসেনি। কালকেতো ভালোই গলাবাজি করে গেছিল! পরে খবর পেয়েছিলাম ভীতু অসিত বাড়িতে বলেই দিয়েছিল সে কোথায় যেতে চায়, এবং যা হবার তাই হয়েছে – কেলানি খেয়েছে। যাই হোক সবাই মিলে রওনা দিলাম। প্রথমেই গেলাম নৌসাদ এর বাড়িতে। ওর মা আমাদের খুব আদর করে নিয়ে গিয়ে তাদের বসার ঘরে বসতে দিলো। তারপর ভুঁড়ি ভোজ। শেমাই দিয়ে তৈরি সেই বিখ্যাত পায়েস হাপুস করলাম তিন বাটি। বন্ধুদেরও একই কন্ডিশন। তারপর এল পিঠার পালা। পৌষ সংক্রান্তিতে আমাদের বাড়িতে যে পিঠা বানানো হয় সেই পিঠার সাথে এই পিঠার কোনো মিল খোঁজে পেলাম না। নাম জানা হলো না। তবে একটার মধ্যে কামড় বসিয়েই… তারপর একথালা কাবার। মোটামোটি পেট হাতাতে হাতাতে নৌসাদদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলাম আমরা। আন্টি মানে নৌসাদের মা আমাদের রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে গেলেন, আদর করে বললেন –

আবার এসো তোমরা। বললাম, আসবো নিশ্চয়ই। অন্য বন্ধুরা পরে কথা রেখেছিলো কিনা আমি জানার চেষ্টা করিনি, তবে আমি কথা রেখেছিলাম। নৌসাদদের বাড়ি থেকে বেরিয়েই দেখা হয়ে গেলো তৌফিকের সাথে, সেও আমাদের সাথে স্কুলে পড়ে। এইবার সে ধরল আমাদের বাসায় যেতে হবে। আমরা কোনোরকমে তাকে বুঝালাম যে আমাদের এখন বাপ্পিদের বাড়ি যেতে হবে। কিন্তু নাছোরবান্দা তৌফিক। শেষে তাকে বলে গেলাম, বাপ্পিদের বাড়ি থেকে সোজা ওদের বাড়ি যাবো। ছাড়পত্র পেলাম তৌফিকের কাছ থেকে। এইবার আবার বাপ্পিদের বাসার দিকে রওনা দিলাম। পথে আবার বিপত্তি। এইবার রাবেকা, সেও আমাদের সাথে পড়ে। আমাদের দেখে সে অবাক, হা হা হি হি কত হাসি, সাথে ওর বান্ধবিরা। আমরা লজ্জা পেলাম। এইবার ও ধরল তাদের বাসায় যেতে হবে। আবার মহা বিপদ। কোনো রকমে ওকে বুঝালাম আমরা বাপ্পিদের বাড়ি থেকে আগে গিয়ে আসি তারপর ওদের বাড়ি যাবো।

শেষে বাপ্পি মিয়ার বাসায় গিয়ে পৌছালাম আমরা। বাপ্পি তো মহা খুশি। সে আনন্দে নাচছিল। প্রথমেই আমাকে জরিয়ে ধরে একটা ঝাপ্পি দিল, বলল – ঈদ মুবারক। সাথে আমিও ওকে বললাম, ঈদ মোবারক। সবাই হৈচৈ করে বাপ্পিদের বাড়িটাকে মাথায় তুলে নিলাম। নৌসাদদের বাসায় এতটাই খেয়ে ফেলেছি যে এখানে এসে আর খেতে পারছি না। তবে বাপ্পিদের এখানে পিঠার ক্ষেত্রে দু’একটা নতুন আইটেম চোখে পড়ল। খুব মজা করে খেলাম। কিছুক্ষণ পর হাজির হলেন এমন একজন মানুষ যার কথা মনে পড়লে আমার এখনও কান্না চলে আসে। কারণ তাকে ঘিরে আমার অনেক সুন্দর স্মৃতি আবর্তিত হয়। বয়স্ক মহিলা। বয়স প্রায় ষাট এর কাছাকাছি হবে। বাপ্পি বলল – এই হল আমার বুয়া। কেন জানিনা সেদিন বাপ্পির বুয়া আমাদের সব বন্ধুদের মধ্যে আমাকেই প্রথমে এসে আদর করে বলল, নাম কি তোর? আমি নাম বললাম। সেই শুরু। তারপর ক্লাস ক্লাস ইলেভানে পড়ার সময় বাপ্পি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল আমাদের বাড়ি থেকে একটু দূরে। তখন নিয়মিত আড্ডা এবং যাতায়াত ওর বাড়িতে।

আদর বলতে যা বোঝায়, সেই বৃদ্ধ মহিলা আমার আর বাপ্পির মধ্যে কোনো রেখা টেনে আদর করতেন না। কতদিন গেছে বাড়িতে পেট ভরে ভাত খেয়ে গিয়েও বাপ্পিদের বাসায় ভাত খেয়েছি, কেননা বুয়া বলেছেন খেতে। সবচেয়ে মজার বিষয়, বুয়া অনেক ভালো ভালো গল্প বলতেন, আর আমাদের হাসাতেন, ইনফেক্ট আমাদের গার্লফ্রেন্ড আছে কিনা তারও খোঁজ নিতেন। আর বুয়ার সেই স্পেশালিটি। ঈদের জন্য যে কাঁচা পিঠা বানানো হত তারমধ্যে থেকে বুয়া একটা নিজস্ব কালেকশান রেখে দিতেন। তারপর তা ইউটিলাইজ হত সময় অসময়ে আমাদের পিঠা খাবার বায়না পূরনের মধ্যে দিয়ে। বছরের যেকোনো দিন যেকোনো সময় আমাদের জন্য ঈদ নিয়ে আসতেন বুয়া। আমাদের সেই যৌথ পরিবার আজ আর নেই। সব ভেঙে গেছে। ঠাকুমাও নেই, দাদুও নেই। পরিবারের কঠোর নিয়মতান্ত্রিকতাও আজ আর নেই। আছে শুধু কিছু স্মৃতি।

মিরপুরে পার্কের মধ্যে দিনে দুপুরেই যা হচ্ছে দেখুন একবার! ভিডিও

ইন্টানেরট থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ইন্টারনেটের এর । এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা। ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

স্পোর্টস ডেস্ক: সাবেক ক্লাব সতীর্থ নেইমার রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিলে ‘ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন সুপার স্টার লিওনেল মেসি। রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলীয় তারকা নেইমার। তবে প্যারিসে গোটা মৌসুম জুড়ে নেইমারকে নিয়ে চলেছে নানা গুঞ্জন।

২৬ বছর বয়সি নেইমার প্যারিসে সুখে নেই বলে যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে তার ঢেউ আছড়ে পড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে শুরু করে রিয়াল মাদ্রিদ পর্যন্ত। তিনি পিএসজি ছেড়ে দেয়ার জন্য ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ঘনিষ্ট যোগাযোগ রক্ষা করছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হচ্ছে।

ক্যাম্প ন্যুতে নেইমারকে সঙ্গী করে মেসি জয় করেছেন চারটি ট্রফি। তার মতে চির প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদে তার এই বন্ধু যোগ দিলে সেটি হবে খুবই ভয়ানক ব্যাপার। টিওয়াইসি স্পোর্টসকে মেসি বলেন, ‘বিষয়টি হবে ভয়াবহ। কারণ নেইমারের নামের পাশে জড়িয়ে আছে বার্সেলোনার নাম।

যদিও এখন বার্সেলোনার সঙ্গে তার সম্পর্ক চুকে গেছে, তারপরও এখানে থেকেই তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ও লা লীগার মত গুরুত্বপুর্ন শিরোপা জয় করেছেন। তাই তিনি যদি মাদ্রিদে যোগ দেন তাহলে সেটি হবে আমাদের জন্য তথা বার্সেলোনার জন্য একটি বড় বিপর্যয়। আর ফুটবলের কথা যদি বলি, তাহলে এমনিতেই শক্তিশালী রিয়াল মাদ্রিদ আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।’

নেইমার চলে যাবার পরও চলতি মৌসুমে বার্সেলোনা জয় করেছে লাল লীগা ও কোপা দেল রে’র শিরোপা। অপরদিকে ঘরোয়া ফুটবলে সুবিধা করতে না পারলেও ফের চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে পৌঁছেছে রিয়াল মাদ্রিদ। আগামী ২৬ মে ফাইনালে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ক্লাব লিভারপুলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনালের আগে যথা সময়েই উজ্জীবিত হওয়ার রসদ পেয়ে গেল রিয়াল মাদ্রিদ। পায়ের গোঁড়ালির আঘাতের কারণে কয়েক দিন পর গতকাল দলের অনুশীলনে ফিরেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

রিয়ালের নিজস্ব ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং দানি কারভাজাল সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন। অর্থাৎ চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনালে পূর্ণ শক্তির দলই পাচ্ছেন জিনেদিন জিদান।’

কারভাজাল উরুর সমস্যায় ভুগছিলেন এবং গত ৬ মে বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচে পায়ের গোঁড়ালিতে আঘাত পান রোনালদো।

টানা তৃতীয়বার শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে আগামী ২৬ মে শনিবার কিয়েভ-এ চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে লিভারপুলের মোকাবেলা করবে রিয়াল মাদ্রিদ।

যদিও এখন বার্সেলোনার সঙ্গে তার সম্পর্ক চুকে গেছে, তারপরও এখানে থেকেই তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ও লা লীগার মত গুরুত্বপুর্ন শিরোপা জয় করেছেন। তাই তিনি যদি মাদ্রিদে যোগ দেন তাহলে সেটি হবে আমাদের জন্য তথা বার্সেলোনার জন্য একটি বড় বিপর্যয়। আর ফুটবলের কথা যদি বলি, তাহলে এমনিতেই শক্তিশালী রিয়াল মাদ্রিদ আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।’

নেইমার চলে যাবার পরও চলতি মৌসুমে বার্সেলোনা জয় করেছে লাল লীগা ও কোপা দেল রে’র শিরোপা। অপরদিকে ঘরোয়া ফুটবলে সুবিধা করতে না পারলেও ফের চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে পৌঁছেছে রিয়াল মাদ্রিদ। আগামী ২৬ মে ফাইনালে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ক্লাব লিভারপুলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনালের আগে যথা সময়েই উজ্জীবিত হওয়ার রসদ পেয়ে গেল রিয়াল মাদ্রিদ। পায়ের গোঁড়ালির আঘাতের কারণে কয়েক দিন পর গতকাল দলের অনুশীলনে ফিরেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

রিয়ালের নিজস্ব ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং দানি কারভাজাল সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন। অর্থাৎ চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনালে পূর্ণ শক্তির দলই পাচ্ছেন জিনেদিন জিদান।’

কারভাজাল উরুর সমস্যায় ভুগছিলেন এবং গত ৬ মে বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচে পায়ের গোঁড়ালিতে আঘাত পান রোনালদো।

টানা তৃতীয়বার শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে আগামী ২৬ মে শনিবার কিয়েভ-এ চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে লিভারপুলের মোকাবেলা করবে রিয়াল মাদ্রিদ।

যাত্রার মেয়েটিকে নিয়ে নাচের কারবার ভাইরাল দেখুন ভিডিওটি

সোলারিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের ‘ঘ্রাণ’

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতার পর কামরুল আহসান লেনিনের ‘ঘ্রাণ’ ছবিটি আবার আমন্ত্রণ পেয়েছে ফ্রান্সের নিসেতে অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় সোলারিস চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের জন্য।

২৭ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত চার দিনের এই উৎসবে শর্ট ফিল্ম ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা বিভাগে মনোনীত হয়েছে ‘ঘ্রাণ’।

রাশিয়ার কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার আন্দ্রে তারকোভস্কির বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্র ‘সোলারিস’-এর সম্মানে এই উৎসবের নামকরণ করা হয়েছে। নিসের এই উৎসবে ফিচার ফিল্ম, শর্ট ফিল্ম, ডকুমেন্টারি, অ্যানিমেটেড ফিল্ম আর মিউজিক ভিডিও ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। আছে আন্দ্রে তারকোভস্কির নামে বিশেষ সম্মাননা।

‘ঘ্রাণ’-এর আগে গেল বছর ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত এসএমআর থার্টিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে শর্ট ফিল্ম ক্যাটাগরিতে সেরা পরিচালকের সম্মান জিতেছিল। এ ছাড়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দাদাসাহেব ফালকে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ষষ্ঠ আসরে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছিল। জাপান, ইরানসহ ‘ঘ্রাণ’ অংশ নিয়েছে বিশ্বের ২০টির অধিক চলচ্চিত্র উৎসবে।

পদ্মাপুরাণে’ চম্পা মাদক বিক্রেতা!

আজ শেষ হলো ‘পদ্মাপুরাণ’ ছবির পথম পর্যায়ের শুটিং। গত ৭ তারিখ থেকে রাজশাহীতে টানা শুটিং করেছেন পরিচালক রাশিদ পলাশ। ছবিতে অভিনয় করছেন চম্পা, শম্পা রেজা, ডন, শিমুল খান প্রমুখ।

রাশিদ পলাশ এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘‘পদ্মা নদীর মাঝি’ ছবিতে দর্শক পর্দার মানুষের যে জীবন দেখেছেন এখন আর তা নেই। আগের মতো আর নেই পদ্মা নদী, এখন অনেকটাই খালে পরিণত হয়েছে, আগের মতো আর চড় ভাসেনা, মাছ আহরণ করে চলে না সেখানকার মানুষের জীবন। নদীর সাথে বদলেছে সেখানকার মানুষের জীবন-জীবিকার ধরন। দেখা গেছে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ ছবির কুবের চরিত্রটি হয়তো এখন ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা করে। আবার চম্পা আপার মতো যে চরিত্র ছিল সে হয়তো এখন মাদকদ্রব্য বিক্রি করে। আমি মূলত ‘পদ্মাপুরাণ’ ছবিটি পদ্মা নদীকেন্দ্রিক মানুষের জীবনের বর্তমান সময়টাকে নিয়ে নির্মাণ করছি।’

নায়িকা চম্পার চরিত্র নিয়ে পলাশ বলেন, “এই ছবিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করছেন চম্পা ম্যাডাম। ‘পদ্মাপুরাণ’ ছবিতে তাঁকে আমরা ফেনসিডিল বিক্রেতার ভূমিকায় দেখতে পাব। এভাবেই সাজিয়েছি বাকি চরিত্রগুলোও। যেহেতু এখন আর আগের মতো পদ্মার সেই রূপ নেই। জীবিকার প্রয়োজনে মানুষ তার পেশা বদলে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে চলতে চায়। এখন কেমন আছে পদ্মাপারের মানুষ, আশা করি আমার এই ছবিটি দেখলে দর্শক সেটা বুঝতে পারবেন।”

রাশিদ পলাশ আরো বলেন, ‘আমরা টানা শুটিং করেছি রাজশাহীতে। গত ৭ তারিখ থেকে শুটিং শুরু করেছিলাম। এরই মধ্যে আমরা ছবির প্রথম পর্যায়ের শুটিং শেষ করেছি। কিছুদিনের মধ্যে আমরা দ্বিতীয় পর্যায়ের শুটিং শুরু করব। ছবির নায়ক হিসেবে কে অভিনয় করছেন এখনই তা বলতে পারছি না। বাংলাদেশ থেকে নিতে পারি আবার কলকাতা থেকেও হতে পারে

মহিলা মেম্বারের সাথে আকাম করে ভিডিও ফাস!! এলাকা তোলপার করা ভিডিও

মহিলা মেম্বারের সাথে আকাম করে ভিডিও ফাস!! এলাকা তোলপার করা ভিডিও মহিলা মেম্বারের সাথে আকাম করে ভিডিও ফাস!! এলাকা তোলপার করা ভিডিও মহিলা মেম্বারের সাথে আকাম করে ভিডিও ফাস!! এলাকা তোলপার করা ভিডিও

গানে গানে বুবলীকে বিয়ের কথা বললেন শাকিব

ঈদে আসছে উত্তম আকাশ পরিচালিত নতুন ছবি ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া, নোয়াখাইল্যা মাইয়া’। এই ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন শাকিব খান ও শবনম বুবলী। গতকাল শাপলা মিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয় ‘ও রানি তোর লাইগা পালকি সাজাইছি’ শিরোনামে একটি গান।

এই গানের কোরিওগ্রাফার ছিলেন ভারতের বাবা যাদব। ব্যাংককে এই গানের শুটিং করা হয়।  কমেডি রোমান্টিক ধাঁচের এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন রাফাত ও ঐশী। গানের কথা লিখেছেন সুদীপ কুমার দীপ।

পরিচালক উত্তম আকাশ বলেন, ‘এই ছবিটি একেবারেই কমেডি অ্যাকশন একটি ছবি। মানুষ এক ধরনের ছবি দেখে অভ্যস্ত। আমি মনে করি, এ ধরনের ছবি দেখে দর্শক ভিন্ন ধরনের স্বাদ পাবেন। আমি এর আগেও শাকিব খানকে নিয়ে কমেডি ছবি বানিয়েছি, ‘রাজা ৪২০’ ছবিটি। সেই ছবি দর্শক পছন্দ করেছিল। আশা করি, এই ছবিও পছন্দ করবে।”

ছবির গানটিতে দেখা যায় কথা ও সুরে শাকিব খান বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছেন শবনম বুবলীকে। দুই অঞ্চলের ভাষায় গাওয়া গানটিতে চট্টগ্রামের ভাষায় ঠোঁট মিলিয়েছেন শাকিব, আর নোয়াখালী অঞ্চলের ভাষায় ঠোঁট মিলিয়েছেন শাকিব।

ঢাকা ও কলকাতায় দ্বৈত চরিত্রে শাকিব খান

একের পর এক চলচ্চিত্রে নানা রকম চরিত্র নিয়ে হাজির হচ্ছেন নায়ক শাকিব খান। কলকাতা ও ঢাকায় সমানভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। দুই দেশের ছবিতেই শাকিব খানকে এবার দেখা যাবে দ্বৈত চরিত্রে। ঢাকার ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত ‘ক্যাপ্টেন খান’ ও কলকাতার জয়দীপ মুখার্জির পরিচালিত ‘ভাইজান এলো রে’ ছবি দুটিতে শাকিব খানকে দেখা যাবে দ্বৈত চরিত্রে।

পরিচালক ওয়াজেদ আলী সুমন এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘আমরা এই ছবিতে শাকিব খানকে দুটি চরিত্রে উপস্থাপন করব। একটি চরিত্রে দেখা যাবে দাড়িসহ অ্যাকশন লুক, আবার আরেক গেটআপে দেখা যাবে ক্লিন শেভ। একসময় শাকিব খান সব ছবিতেই ক্লিন শেভ করে শট দিতেন, ঠিক তিনি দিতেন বলা যাবে না, আমরা পরিচালকরাই ডিমান্ড করতাম। কিন্তু সম্প্রতি তিনি দাড়ি নিয়ে অভিনয় করার পর সবাই শাকিব খানের এই লুকটাই পছন্দ করছেন।’

কলকাতার পরিচালকরা যেভাবে শাকিব খানকে উপস্থাপন করছেন, বাংলাদেশে আমরা পারছি না কেন—জানতে চাইলে সুমন বলেন, “আমরা পারছি না এটা ঠিক নয়, বলা যেতে পারে আমরা করছি না। আমরা এখনো আগের দিনের মতো চলচ্চিত্র নির্মাণ করছি, সময় উপযোগী ছবি নির্মাণ করছি না। তবে আমি এই ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবিতে চেষ্টা করেছি। আশা করি, এরপর আর কেউ বলবেন না, আমরা শাকিব খানকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারি না।”

সম্প্রতি কলকাতার চলচ্চিত্র ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির একটি গান ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানেও শাকিব খানকে দ্বৈত চরিত্রে দেখা গেছে। ছবিতে শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন কলকাতার দুই নায়িকা শ্রাবন্তী ও পায়েল। ‘ক্যাপ্টেন খান’ ছবিতে শাকিবের বিপরীতে আছেন শবনম বুবলী ও কলকাতার পায়েল।

ফুল ভিডিওটি দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

স্বামীর অক্ষমতায় শশুরের সাথে একী করল পুত্রবধু!! দরজা বন্ধ করে একে দেখুন প্লিজ।

সোলারিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের ‘ঘ্রাণ’

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতার পর কামরুল আহসান লেনিনের ‘ঘ্রাণ’ ছবিটি আবার আমন্ত্রণ পেয়েছে ফ্রান্সের নিসেতে অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় সোলারিস চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের জন্য।

২৭ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত চার দিনের এই উৎসবে শর্ট ফিল্ম ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা বিভাগে মনোনীত হয়েছে ‘ঘ্রাণ’।

রাশিয়ার কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার আন্দ্রে তারকোভস্কির বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্র ‘সোলারিস’-এর সম্মানে এই উৎসবের নামকরণ করা হয়েছে। নিসের এই উৎসবে ফিচার ফিল্ম, শর্ট ফিল্ম, ডকুমেন্টারি, অ্যানিমেটেড ফিল্ম আর মিউজিক ভিডিও ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। আছে আন্দ্রে তারকোভস্কির নামে বিশেষ সম্মাননা।

‘ঘ্রাণ’-এর আগে গেল বছর ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত এসএমআর থার্টিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে শর্ট ফিল্ম ক্যাটাগরিতে সেরা পরিচালকের সম্মান জিতেছিল। এ ছাড়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দাদাসাহেব ফালকে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের ষষ্ঠ আসরে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছিল। জাপান, ইরানসহ ‘ঘ্রাণ’ অংশ নিয়েছে বিশ্বের ২০টির অধিক চলচ্চিত্র উৎসবে।

আবারও কানের লাল গালিচায় সোনম

নিজের মধুচন্দ্রিমাকে বিসর্জন দিয়ে ৭১তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায় অংশ নিয়েছেন বলিউড তারকা সোনম কাপুর। বলিউড তারকাদের মধ্যে এবারের কান উৎসবে সবার শেষে অংশ নিচ্ছেন তিনি। তাই তাঁকে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহও ছিল বেশি। ১৪ মে নিজের প্রথম উপস্থিতিতেই সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ৩২ বছর বয়সী এই তারকা। বলিউড লাইফ ডটকমের প্রকাশ, গতকাল মঙ্গলবার আরো একবার কানের লাল গালিচায় সবাইকে মুগ্ধ করেছেন সোনম।

গতকাল ছিল কানে সোনমের দ্বিতীয় ও শেষ উপস্থিতি। কান উৎসব ২০১৮-এর লাল গালিচায় সোনমকে দেখা গেছে বাদামি রঙের ন্যুড করসেট বডিস গাউনে। গাউনের নিচের অংশে টুলে স্কার্টের সঙ্গে ছিল হলুদ রঙের ট্রেইন। অভিনব এই গাউনটির নকশা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকারক ভেরা ওয়াং। ভেরা ওয়াংয়ের ২০১৯ ব্রাইডাল কালেকশনের গাউনের একটি নমুনা পরেছিলেন সোনম। এ ছাড়া ফিকে লাল রঙের লিপস্টিক হলুদ রঙের আই হাইলাইটার ব্যবহার করেছেন সোনম। এ ছাড়া তাঁর কানের দুলের পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ব্রান্ড চোপার্ড।

ল’রিয়েল প্যারিসের বাণিজ্যিক মুখপাত্র হিসেবে এবারের কান উৎসবে অংশ নিচ্ছেন সোনম। সোনমের গাউন পরা ছবি নিজেদের টুইটার পেজে শেয়ার দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। যার ক্যাপশনে লিখা হয়েছে, ‘চমৎকার সূর্যাস্তের আভা তাঁর লুকে’। এই নিয়ে অষ্টমবারের মতো কান মাতাচ্ছেন তিনি।

কানের প্রথমদিন তাঁকে দেখা গিয়েছিল রালফ অ্যান্ড রুশোর নকশা করা সাদা রঙের লেহেঙ্গায়।  এ ছাড়া চুলের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে চোপার্ড ব্র্যান্ডের কানের দুল পরেছিলেন সোনম। এবারের আসরে সোনমের স্টাইলিশ হিসেবে রয়েছে তাঁর বোন রেহা কাপুর। আর সোনমের যাবতীয় প্রসাধনীর পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড ডিপ কেইলে।

সম্পূর্ন ভিডিওটি দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

মধ্যপ্রাচ্যর মেয়েরা যে এত খারাপ হতে পারে লাইভ ভিডিওটা না দেখলে আপনি বুঝতে পাবেনা না

ইন্টানেরট থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ইন্টারনেটের এর । এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা। ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

স্পোর্টস ডেস্ক: সাবেক ক্লাব সতীর্থ নেইমার রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দিলে ‘ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন সুপার স্টার লিওনেল মেসি। রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলীয় তারকা নেইমার। তবে প্যারিসে গোটা মৌসুম জুড়ে নেইমারকে নিয়ে চলেছে নানা গুঞ্জন।

২৬ বছর বয়সি নেইমার প্যারিসে সুখে নেই বলে যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে তার ঢেউ আছড়ে পড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে শুরু করে রিয়াল মাদ্রিদ পর্যন্ত। তিনি পিএসজি ছেড়ে দেয়ার জন্য ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ঘনিষ্ট যোগাযোগ রক্ষা করছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হচ্ছে।

ক্যাম্প ন্যুতে নেইমারকে সঙ্গী করে মেসি জয় করেছেন চারটি ট্রফি। তার মতে চির প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদে তার এই বন্ধু যোগ দিলে সেটি হবে খুবই ভয়ানক ব্যাপার। টিওয়াইসি স্পোর্টসকে মেসি বলেন, ‘বিষয়টি হবে ভয়াবহ। কারণ নেইমারের নামের পাশে জড়িয়ে আছে বার্সেলোনার নাম।

যদিও এখন বার্সেলোনার সঙ্গে তার সম্পর্ক চুকে গেছে, তারপরও এখানে থেকেই তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ও লা লীগার মত গুরুত্বপুর্ন শিরোপা জয় করেছেন। তাই তিনি যদি মাদ্রিদে যোগ দেন তাহলে সেটি হবে আমাদের জন্য তথা বার্সেলোনার জন্য একটি বড় বিপর্যয়। আর ফুটবলের কথা যদি বলি, তাহলে এমনিতেই শক্তিশালী রিয়াল মাদ্রিদ আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।’

নেইমার চলে যাবার পরও চলতি মৌসুমে বার্সেলোনা জয় করেছে লাল লীগা ও কোপা দেল রে’র শিরোপা। অপরদিকে ঘরোয়া ফুটবলে সুবিধা করতে না পারলেও ফের চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে পৌঁছেছে রিয়াল মাদ্রিদ। আগামী ২৬ মে ফাইনালে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ক্লাব লিভারপুলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনালের আগে যথা সময়েই উজ্জীবিত হওয়ার রসদ পেয়ে গেল রিয়াল মাদ্রিদ। পায়ের গোঁড়ালির আঘাতের কারণে কয়েক দিন পর গতকাল দলের অনুশীলনে ফিরেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

রিয়ালের নিজস্ব ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং দানি কারভাজাল সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন। অর্থাৎ চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনালে পূর্ণ শক্তির দলই পাচ্ছেন জিনেদিন জিদান।’

কারভাজাল উরুর সমস্যায় ভুগছিলেন এবং গত ৬ মে বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচে পায়ের গোঁড়ালিতে আঘাত পান রোনালদো।

টানা তৃতীয়বার শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে আগামী ২৬ মে শনিবার কিয়েভ-এ চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে লিভারপুলের মোকাবেলা করবে রিয়াল মাদ্রিদ।

যদিও এখন বার্সেলোনার সঙ্গে তার সম্পর্ক চুকে গেছে, তারপরও এখানে থেকেই তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ও লা লীগার মত গুরুত্বপুর্ন শিরোপা জয় করেছেন। তাই তিনি যদি মাদ্রিদে যোগ দেন তাহলে সেটি হবে আমাদের জন্য তথা বার্সেলোনার জন্য একটি বড় বিপর্যয়। আর ফুটবলের কথা যদি বলি, তাহলে এমনিতেই শক্তিশালী রিয়াল মাদ্রিদ আরো বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।’

নেইমার চলে যাবার পরও চলতি মৌসুমে বার্সেলোনা জয় করেছে লাল লীগা ও কোপা দেল রে’র শিরোপা। অপরদিকে ঘরোয়া ফুটবলে সুবিধা করতে না পারলেও ফের চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে পৌঁছেছে রিয়াল মাদ্রিদ। আগামী ২৬ মে ফাইনালে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ক্লাব লিভারপুলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনালের আগে যথা সময়েই উজ্জীবিত হওয়ার রসদ পেয়ে গেল রিয়াল মাদ্রিদ। পায়ের গোঁড়ালির আঘাতের কারণে কয়েক দিন পর গতকাল দলের অনুশীলনে ফিরেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

রিয়ালের নিজস্ব ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং দানি কারভাজাল সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন। অর্থাৎ চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনালে পূর্ণ শক্তির দলই পাচ্ছেন জিনেদিন জিদান।’

কারভাজাল উরুর সমস্যায় ভুগছিলেন এবং গত ৬ মে বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচে পায়ের গোঁড়ালিতে আঘাত পান রোনালদো।

টানা তৃতীয়বার শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে আগামী ২৬ মে শনিবার কিয়েভ-এ চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে লিভারপুলের মোকাবেলা করবে রিয়াল মাদ্রিদ।

রাতের বিনোদন! দয়া করে ভিডিওটি একা একা দেখুন বৌদির অস্থির লাইভ ভিডিও

রাতের বিনোদন! দয়া করে ভিডিওটি একা একা দেখুন বৌদির অস্থির লাইভ ভিডিও রাতের বিনোদন! দয়া করে ভিডিওটি একা একা দেখুন বৌদির অস্থির লাইভ ভিডিও

একটুর জন্য প্রাণে বাঁচলেন হেমামালিনী

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বাসিন্দারা ঝড়-বৃষ্টিতেএকাকার। শুধু ভারতের উত্তরপ্রদেশেই ১৮জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রবিবার এই ঝড়ের কবলে পড়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের মথুরা থেকে বিজেপি সাংসদ অভিনেত্রী হেমা মালিনীও।

শুধু তাই নয়, তাঁর কনভয় একটুর জন্য বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছে। মথুরায় এক জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন হেমা। কিন্তু সভা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই দুর্যোগ শুরু হয়ে যায়। তাই মাঝপথেই সেখান থেকে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মথুরা থেকে তাঁর গাড়ি বহর বেরোনোর কিছুক্ষণ পরেই হঠাৎই সামনে ভেঙে পড়ে একটি গাছ৷ একটুর জন্য দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায় অভিনেত্রীর গাড়ি। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী চালকের অসামান্য দক্ষতায় প্রাণে রক্ষা পান হেমা। এরপর সেই গাছ রাস্তা থেকে সরানো হয়৷ তারপর গাড়িবহর গন্তব্যে ফেরে।

লাভ-রঞ্জনের ছবিতে দুই পাওয়ারহাউজ

রণবীর কাপুরের বৃহস্পতি এখন তুঙ্গে। পাইপলাইনে সব সুপার মুভি। খুব শিগগিরই আসছে রাজকুমার হিরানি পরিচালিত বহু আকাঙ্ক্ষিত সঞ্জয় দত্তের বায়োপিক ‘সাঞ্জু’। বহুল আলোচিত-সমালোচিত এই ছবিটি নিয়ে সিনেপ্রেমীদের আগ্রহের শেষ নেই। এ ছাড়াও আসছে অয়ন মুখার্জির ‘ব্রহ্মাস্ত্র’।

ইয়াশ রাজ ফিল্মস-এর ‘শমশের’ আসছে, যার টিজার ক’দিন আগে মুক্তি পেয়েছে।

এবার আসুন জেনে নিই নতুন আর কী ছবির কাজ করছেন তিনি। জানা গেছে, সম্প্রতি দুই নায়ক নির্ভর একটি ছবিতে কাজ করতে যাচ্ছেন এই বলিউড লাভ মেশিন। ছবিটিতে তাঁর বিপরীতে আছেন ‘ওয়াইল্ড ম্যান’ অজয় দেবগন। আর ছবিটি পরিচালনা করবেন সুপারহিট কমেডি ড্রামা ‘সোনু কে টিটু কি সুইটি’ ছবির পরিচালক লাভ-রঞ্জন।

লাভ-রঞ্জনের এই বিগ বাজেট-বিগ স্টার ছবিটি আগামী বছরে ফ্লোরে গড়াবে বলে জানা গেছে।

রণবীরের সাথে এই প্রথম কোনো ছবিতে কাজ করছেন অজয়। এ-প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রণবীর দুর্দান্ত একজন অভিনেতা। এই প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে সবচেয়ে মেধাবী। আশা করি ওঁর সাথে কাজ করতে আমার ভালো লাগবে।

নিজের ছবিতে এই ড্রিম কাস্ট প্রসঙ্গে লাভ-রঞ্জন বলেন, এক সাথে দুই পাওয়ারহাউজকে নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি, দর্শকদের ভালো কিছু উপহার দিতে পারব।
সূত্র : ডিএনএ আরো পড়ুন…………

নির্মাতাদের চুম্বনের প্রস্তাব নাকচ

চুম্বনে আপত্তি জানালেন ভারতের টেলিভিশন অভিনেত্রী সোনারিকা ভাদোরিয়া। তাকে টেলিডিভা হিসেবেও অভিহিত করা হয়। শুধু অভিনেত্রীই নন, সহ অভিনেতা আশিস শর্মারও আপত্তি রয়েছে চুম্বনে। আর এর কারণেই পিছিয়ে গেছে ভারতের জনপ্রিয় ধারাবাহিক পৃথ্বী বল্লভ-এর শ্যুটিং৷

সম্প্রতি সনি টিভির এই ধারাবাহিকটির একটি আগামী এপিসোডের শ্যুটিং চলছিল৷ সেখানে নির্মাতাদের দাবি ছিল একটি শটে নায়ক নায়িকার চুম্বন দৃশ্য দেখানো হোক৷ আকস্মিক এরকম দাবিতে আপত্তি জানায় সোনারিকা এবং আশিস৷

আশিস বলেন, আমার মনে হয় ওই দৃশ্যে চুম্বনটা প্রাসঙ্গিক নয়৷ স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী দৃশ্যে লিপ লক না থাকলেও কোনও সমস্যা নেই৷ ফলে এই সিদ্ধান্তে আমি সহমত হতে পারলাম না৷

সোনারিকা বলেন, জানান, এর আগেও সিনেমাতে ঘনিষ্ঠ দৃশ্য বা চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করেছি৷ ফলে এতে আমার আপত্তি না থাকাটাই স্বাভাবিক৷ কিন্তু এই দৃশ্যে চুম্বনটি অনস্ক্রিন না দেখালেও চলে। আমরা নির্মাতাদের বুঝিয়েছি, এবং ওরা বিষয়টি বুঝেছেন৷

ফুল ভিডিওটি দেখার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

ডায়াবেটিস রোগীরা কি রোজা রাখবেন?

রোজা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম। প্রত্যেক মুসলমান রোজা রাখবেন- এটাই স্বাভাবিক। এর মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত।

তারা একদিকে যেমন রোজা রাখতে চান, অন্যদিকে আবার ডায়াবেটিস নিয়ে রোজা রাখা যাবে কিনা বা কীভাবে রাখতে হবে, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন। অনেকে ভয়ে রোজা রাখেন না, অনেকে আবার নিজের মতো করে ওষুধ পরিবর্তন করে রোজা রাখতে চান। মোটকথা ডায়াবেটিস রোগীর রোজা রাখা নিয়ে অনেক রোগী, এমনকি অনেক ডাক্তারও বিভ্রান্তিতে ভোগেন।

অথচ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রোজা রাখা অনেক সহজ করে দিয়েছে। ডায়াবেটিস হলে রোগী রোজা রাখতে পারবেন না- একথা মোটেই ঠিক নয়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ এবং ইসলামী আলেমগণ উভয়েই রোজা রাখার পক্ষেই মত দিয়েছেন। সুতরাং যেসব ডায়াবেটিস রোগী ঝুঁকির কথা জেনেও ধর্মীয় কারণে রোজা রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তারা রোজা শুরুর আগেই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে জটিলতা এড়িয়েই রোজা রাখতে পারেন।

ডায়াবেটিস রোগে অনেক ধরনের জটিলতা হতে পারে। যেহেতু একজন রোজাদারকে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকতে হয়, তাই তাদের জটিলতার সম্ভাবনা আরো বেশি।

রোজার সময় ডায়াবেটিস রোগীদের যে সমস্ত জটিলতা হতে পারে তা হলো- রক্তের সুগার অতিরিক্ত কমে যাওয়া (হাইপোগ্লাইসিমিয়া), সুগার অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া (হাইপারগ্লাইসিমিয়া), পানি শূন্যতা এবং ডায়াবেটিক কিটো-এসিডোসিস। এছাড়া অনেকে এই মাসে রোজা রেখেও বাকি সময় অতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়া করেন এবং ব্যায়াম বা হাঁটাচলা প্রায় করেন না।

ফলে রক্তের চর্বি এবং শরীরের ওজন বেড়ে যায়, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ অনেক সময়ই থাকে না। অনেকক্ষণ খাদ্যদ্রব্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকলে রক্তে সুগারের মাত্রা কমে যেতে পারে, তাকে বলে হাইপোগ্লাইসিমিয়া। বিশেষ করে যারা সালফোনাইল ইউরিয়া জাতীয় ওষুধ খান, ইনসুলিন নেন, সেহরি খান না বা খুব কম খান অথবা রোজা রেখে অতিরিক্ত পরিশ্রম করেন, তাদের এই ঝুঁকিটা বেশি।

হাইপোগ্লাইসেমিয়া বোঝার উপায় হলো, বুক ধড়ফড় করা, অতিরিক্ত ঘাম দেয়া, মাথা ঘোরা, শরীর কাঁপা, চোখে ঝাঁপসা দেখা ইত্যাদি। এতে রোগী অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে সঙ্গে সঙ্গে রক্তের সুগারের পরিমাণ পরীক্ষা করে দেখা উচিত।

সুগারের পরিমাণ ৩ বা এর নিচে হলে রোজা ভেঙে ফেলতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে গ্লুকোজ বা চিনির সরবত বা যে কোনো খাবার খেয়ে নিতে হবে। রক্তের সুগার কখনও কখনও অতিরিক্ত বেড়ে যেতে পারে, তাকে বলে হাইপারগ্লাইসিমিয়া। এর লক্ষণ হলো জিহ্বা শুকিয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, পানিশূন্যতা, দুর্বলতা, ঝিমুনি, বমি ইত্যাদি।

২২ ঘণ্টা রোজা রাখবে যে দেশের মুসলমান

ইসলাম ডেস্ক: আর মাত্র দুই দিন। এরপরই শুরু হচ্ছে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র মাস ‘মাহে রমজান’। একেক দেশে রোজা রাখার সময়ও কিন্তু ভিন্ন। কখনো কী ভেবেছেন পৃথিবীর অপর প্রান্তের দেশগুলোতে রোজা রাখার সময় কীরকম।

ইউরোপের ছোট্ট একটি দ্বীপ রাষ্ট্র আইসল্যান্ডের কথা বলি। যেখানে দিনের মধ্যে বাইশ ঘন্টাই দিন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী সে দেশটির মুসলিম নাগরিকদের এবার ২২ঘন্টাই রোজা রাখতে হবে। প্রায় একহাজার মুসলমানের একধরণের অসাধ্যই সাধন করতে হবে এমন চমকপ্রদ তথ্যই বেরিয়ে এসেছে প্রতিবেদনটি প্রকাশের পরপর।

এরফলে খাওয়াদাওয়া ও বিশ্রাম বাবদ কেবলমাত্র দুই ঘন্টাই সময় পাবে এবার আইসল্যান্ডের নাগরিকরা। সূর্যোদয় থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকার কারণে এ মাসে একবেলা খেয়ে কাটাতে হবে দেশটির নাগরিকদের। অপরদিকে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশ অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের মাত্র নয় ঘন্টার জন্য পানাহার থেকে বিরত থাকতে হবে বলেও জানা গেছে। নিউইয়র্ক টাইমস

রমজানে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের গুরুত্ব

হাফেজ মাওলানা নাসির উদ্দিন: পবিত্র রমজান মাসের সঙ্গে কুরআনুল কারিমের গভীর সর্ম্পক রয়েছে। এই মাসেই পবিত্র কুরআন লওহে মাহফুজ থেকে প্রথম আসমানে অবতীর্ণ হয়। নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরাইল (আঃ) এর সঙ্গে রমজানের প্রত্যেক রাতে কুরআন মাজিদ একে অপরের কাছে শুনাতেন।

হাদিস শরিফে আছে, হজরত জিবরাইল আমিন রমজানের শেষ পর্যন্ত প্রত্যেক রাতে নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সাক্ষাত করতেন এবং তাকে কুরআন শরিফ পড়ে শোনাতেন।

(বুখারী শরিফ, হাদিস নং-১৯০২)
এক হাদিসে আছে, রমজান মাসে যে ব্যক্তি একটি নফল আদায় করল সে যেন অন্য মাসে একটি ফরজ আদায় করল। আর যে এ মাসে একটি ফরজ আদায় করল সে যেন অন্য মাসে সত্তরটি ফরজ আদায় করল।
(শুআবুল ঈমান, হাদিস নং-৩/৩০৫-৩০৬)

সারা বছর যে পরিমাণ কুরআন তেলাওয়াত হয় তার চেয়ে বহুগুণ তেলাওয়াত পবিত্র রমজান মাসে হয়। এ মাসের রাতগুলোতে তারাবি নামাজ এবং তারারিব নামাজে কুরআন তেলাওয়াত বিধিবদ্ধ হয়েছে। সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ি ও তাবে-তাবেয়ি এই পবিত্র মাসে তুলনামূলক অধিক পরিমাণে কুরআন তেলাওয়াতে যত্নবান হয়েছেন।

এমনকি মুসলিম উম্মাহর পূর্ণবান রমণীগণের জীবনীতেও পাওয়া যায় যে, তারাও এ মাসে তেলাওয়াতের ব্যাপারে কোন অংশে পিছিয়ে ছিলেন না। সংসারের শত ব্যস্ততার মাঝেও তারা এ মুবারক মাসে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের ব্যাপারে যত্নবান ছিলেন। এ ব্যাপারে প্রচুর দৃষ্টান্ত পাওয়া যায়। এখানে ছোট একটি দৃষ্টান্ত উল্লেখ করা হলো।

শাইখুল হাদিস যাকারিয়া কান্দলোভী (রহ.) রমজান মাসে কুরআন তেলাওয়াত প্রসঙ্গে তার কন্যাদের কথা আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেন আমি ফাজায়েলে রমজানের একাধিক স্থানে এবং ফাজায়েলে কুরআনেও এ বিষয়টি লেখেছি যে, আমাদের পরিবারের মহিলাদের মধ্যে বিশেষ করে আমার কন্যারা সন্তান-সন্ততি ও সংসারের নানা ঝামেলা সত্ত্বেও এই মুবারক রাতগুলো বিভিন্ন (মাহরাম) হাফেজে কুরআনের পেছনে নামাজে কাটিয়ে থাকে এবং দিনের বেলা কমপক্ষে ১৪/১৫ পারা কুরআন তেলাওয়াত করে। তাদের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিযোগিতা চলতে থাকে যে, কে কত বেশি কুরআন তেলাওয়াত করতে পারে।

(আকাবিরদের রমজান, ৬৩-৬৪)
অতএব আমাদের প্রত্যেকের উচিত রমজানে অধিক পরিমাণে কুরআন লোওয়াত করা। অন্তত পক্ষে একবার হলেও কুরআন শরিফ খতম করা। সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ি, তাবে-তাবেয়ি, ও সালফে সালেহীনের জীবনী আলোচনা করলে দেখা যায় যে, তারা এবং পরিবারের সদস্যগণ প্রত্যেকে রমজানে বহুবার কুরআন মাজিদ খতম করতেন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে কবুল করুন এবং আমাদের তেলাওয়াতের উচিলায় আামাদের নাজাতের ব্যবস্থা করুক।
(আমিন)